ঢাকা ০৩:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ১২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইরান–যুক্তরাষ্ট্রে নতুন করে উত্তেজনা, পাল্টাপাল্টি হামলার হুঁশিয়ারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • প্রকাশঃ ০৭:২৫:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 56

ইরানে চলমান সরকারবিরোধী গণবিক্ষোভকে কেন্দ্র করে আবারও মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। বিক্ষোভ দমনে সহিংসতা ব্যবহার করা হলে সামরিক হামলার মাধ্যমে জবাব দেওয়া হবে এমন হুঁশিয়ারি একাধিকবার দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বিক্ষোভ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ৫০ জন বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের বরাতে জানা গেছে। একই সময়ে দেশজুড়ে অভিযান চালিয়ে ২ হাজার ৫০০ জনের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করেছে ইরানি নিরাপত্তা বাহিনী।

এই প্রেক্ষাপটে ইরানে সম্ভাব্য মার্কিন হস্তক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। গত শনিবার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর মধ্যে ফোনালাপ হয় বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। আলোচনায় ইরানের পরিস্থিতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো সম্ভাব্য পদক্ষেপের প্রভাব নিয়ে কথা হয়।

রয়টার্সের খবরে আরও বলা হয়, ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের বিষয়ে ইসরায়েল সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের এই হুমকির তীব্র সমালোচনা করেছে ইরান। যেকোনো মার্কিন হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং ইসরায়েলকে ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে ইরানের পার্লামেন্টকে জানিয়েছেন দেশটির স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কালিবাফ।

এদিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি শুক্রবার দেওয়া এক ভাষণে বলেন, কয়েক লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে ইসলামি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বিক্ষোভের মুখে আমরা কখনোই পিছু হটব না।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা এবং যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় ধরনের ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার আশঙ্কা তৈরি করছে।

সর্বশেষ খবর পেতে অনুসরণ করুন- “প্রজন্ম কথা”

প্রাসঙ্গিক

শেয়ার করুন

ইরান–যুক্তরাষ্ট্রে নতুন করে উত্তেজনা, পাল্টাপাল্টি হামলার হুঁশিয়ারি

প্রকাশঃ ০৭:২৫:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

ইরানে চলমান সরকারবিরোধী গণবিক্ষোভকে কেন্দ্র করে আবারও মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। বিক্ষোভ দমনে সহিংসতা ব্যবহার করা হলে সামরিক হামলার মাধ্যমে জবাব দেওয়া হবে এমন হুঁশিয়ারি একাধিকবার দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বিক্ষোভ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ৫০ জন বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের বরাতে জানা গেছে। একই সময়ে দেশজুড়ে অভিযান চালিয়ে ২ হাজার ৫০০ জনের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করেছে ইরানি নিরাপত্তা বাহিনী।

এই প্রেক্ষাপটে ইরানে সম্ভাব্য মার্কিন হস্তক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। গত শনিবার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর মধ্যে ফোনালাপ হয় বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। আলোচনায় ইরানের পরিস্থিতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো সম্ভাব্য পদক্ষেপের প্রভাব নিয়ে কথা হয়।

রয়টার্সের খবরে আরও বলা হয়, ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের বিষয়ে ইসরায়েল সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের এই হুমকির তীব্র সমালোচনা করেছে ইরান। যেকোনো মার্কিন হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং ইসরায়েলকে ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে ইরানের পার্লামেন্টকে জানিয়েছেন দেশটির স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কালিবাফ।

এদিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি শুক্রবার দেওয়া এক ভাষণে বলেন, কয়েক লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে ইসলামি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বিক্ষোভের মুখে আমরা কখনোই পিছু হটব না।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা এবং যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় ধরনের ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার আশঙ্কা তৈরি করছে।

সর্বশেষ খবর পেতে অনুসরণ করুন- “প্রজন্ম কথা”