ঢাকা ০৯:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ১২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পাওয়ারপ্রেনার চতুর্থ সিজনে রানার্স-আপ বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি

রাইসুল ইসলাম। মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি প্রতিনিধি
  • প্রকাশঃ ০১:৩৯:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 70

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উদ্যোক্তা উন্নয়ন ক্লাবের আয়োজনে অনুষ্ঠিত পাওয়ারপ্রেনার: ন্যাশনাল স্টার্টআপ অ্যান্ড বিজনেস অ্যানালাইসিস কম্পিটিশন–এর চতুর্থ সিজনের গ্র্যান্ড ফিনালে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি। জাতীয় পর্যায়ের এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির একটি দল রানার্স-আপ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে।

পাওয়ারপ্রেনার প্রতিযোগিতার চতুর্থ সিজনে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে তিন ধাপে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। অনলাইন সাবমিশন, ওভিসি এবং টু-পেজার উপস্থাপনার মাধ্যমে বাছাইকৃত দলগুলো চূড়ান্ত পর্বে উত্তীর্ণ হয়। গ্র্যান্ড ফিনালে নির্বাচিত দলগুলো লাইভ পিচিং ও প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেয়, যেখানে তাদের বিশ্লেষণী গভীরতা, কৌশলগত চিন্তাধারা এবং সমস্যা সমাধান দক্ষতা মূল্যায়ন করা হয়।

এবারের প্রতিযোগিতায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয় সাসটেইনেবল ফুড, এগ্রিকালচার ও নিউট্রিশন ইকোসিস্টেম, গ্রিন টেকনোলজি, ডিজিটাল ইনোভেশন এবং এড-টেক সল্যুশনস খাতে। বাস্তব কর্পোরেট চ্যালেঞ্জ বিশ্লেষণ, উদ্ভাবনী চিন্তাধারা বিকাশ এবং তরুণদের পেশাদার দক্ষতা উন্নয়নে এই ধরনের জাতীয় প্রতিযোগিতাকে একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচনা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জাতীয় পর্যায়ের এই প্রতিযোগিতায় দেশের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে রানার্স-আপ হয় বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী মোহতাসিম সিয়ামের নেতৃত্বাধীন দল আকারম্যান।

দলনেতা মোহতাসিম সিয়াম বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির ওশানোগ্রাফি ও হাইড্রোগ্রাফি বিভাগের শিক্ষার্থী। দলের অন্য সদস্যরা হলেন- নুরজাহান কবিতা (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগ) এবং তানভীর (নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগ)।

প্রতিযোগিতা সম্পর্কে মোহতাসিম সিয়াম বলেন, ব্যবসায়িক পটভূমি না থাকা সত্ত্বেও দলের সদস্যদের কাছ থেকে আমি অনেক নতুন বিষয় শিখতে পেরেছি। এই অভিজ্ঞতা আমাকে ভবিষ্যৎ প্রতিযোগিতার জন্য আরও আত্মবিশ্বাসী ও অনুপ্রাণিত করেছে।

বাস্তবভিত্তিক স্টার্টআপ কেস বিশ্লেষণ, সুসংগঠিত নীতিগত সুপারিশ এবং সাবলীল ও আত্মবিশ্বাসী উপস্থাপনার মাধ্যমে দলটি বিচারকদের আস্থা অর্জন করে। এই অর্জন বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের বিশ্লেষণী সক্ষমতা, আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় সহযোগিতা এবং পেশাদার দক্ষতার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সর্বশেষ খবর পেতে অনুসরণ করুন- “প্রজন্ম কথা”

শেয়ার করুন

পাওয়ারপ্রেনার চতুর্থ সিজনে রানার্স-আপ বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি

প্রকাশঃ ০১:৩৯:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উদ্যোক্তা উন্নয়ন ক্লাবের আয়োজনে অনুষ্ঠিত পাওয়ারপ্রেনার: ন্যাশনাল স্টার্টআপ অ্যান্ড বিজনেস অ্যানালাইসিস কম্পিটিশন–এর চতুর্থ সিজনের গ্র্যান্ড ফিনালে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি। জাতীয় পর্যায়ের এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির একটি দল রানার্স-আপ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে।

পাওয়ারপ্রেনার প্রতিযোগিতার চতুর্থ সিজনে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে তিন ধাপে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। অনলাইন সাবমিশন, ওভিসি এবং টু-পেজার উপস্থাপনার মাধ্যমে বাছাইকৃত দলগুলো চূড়ান্ত পর্বে উত্তীর্ণ হয়। গ্র্যান্ড ফিনালে নির্বাচিত দলগুলো লাইভ পিচিং ও প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেয়, যেখানে তাদের বিশ্লেষণী গভীরতা, কৌশলগত চিন্তাধারা এবং সমস্যা সমাধান দক্ষতা মূল্যায়ন করা হয়।

এবারের প্রতিযোগিতায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয় সাসটেইনেবল ফুড, এগ্রিকালচার ও নিউট্রিশন ইকোসিস্টেম, গ্রিন টেকনোলজি, ডিজিটাল ইনোভেশন এবং এড-টেক সল্যুশনস খাতে। বাস্তব কর্পোরেট চ্যালেঞ্জ বিশ্লেষণ, উদ্ভাবনী চিন্তাধারা বিকাশ এবং তরুণদের পেশাদার দক্ষতা উন্নয়নে এই ধরনের জাতীয় প্রতিযোগিতাকে একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচনা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জাতীয় পর্যায়ের এই প্রতিযোগিতায় দেশের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে রানার্স-আপ হয় বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী মোহতাসিম সিয়ামের নেতৃত্বাধীন দল আকারম্যান।

দলনেতা মোহতাসিম সিয়াম বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির ওশানোগ্রাফি ও হাইড্রোগ্রাফি বিভাগের শিক্ষার্থী। দলের অন্য সদস্যরা হলেন- নুরজাহান কবিতা (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগ) এবং তানভীর (নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগ)।

প্রতিযোগিতা সম্পর্কে মোহতাসিম সিয়াম বলেন, ব্যবসায়িক পটভূমি না থাকা সত্ত্বেও দলের সদস্যদের কাছ থেকে আমি অনেক নতুন বিষয় শিখতে পেরেছি। এই অভিজ্ঞতা আমাকে ভবিষ্যৎ প্রতিযোগিতার জন্য আরও আত্মবিশ্বাসী ও অনুপ্রাণিত করেছে।

বাস্তবভিত্তিক স্টার্টআপ কেস বিশ্লেষণ, সুসংগঠিত নীতিগত সুপারিশ এবং সাবলীল ও আত্মবিশ্বাসী উপস্থাপনার মাধ্যমে দলটি বিচারকদের আস্থা অর্জন করে। এই অর্জন বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের বিশ্লেষণী সক্ষমতা, আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় সহযোগিতা এবং পেশাদার দক্ষতার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সর্বশেষ খবর পেতে অনুসরণ করুন- “প্রজন্ম কথা”