সিইসি ঘোষণা: জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ১২ ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হবে
- প্রকাশঃ ০৮:২৮:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
- / 90
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন, আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণেছবি: টিভি থেকে নেওয়া
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে। ভোট গ্রহণ সকাল ৭:৩০টা থেকে বিকেল ৪:৩০টা পর্যন্ত টানা চলবে।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ২৯ ডিসেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যাবে ১১ জানুয়ারি এবং আপিল নিষ্পত্তি হবে ১২ থেকে ১৮ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় নির্ধারিত হয়েছে ২০ জানুয়ারি। চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ করা হবে ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনী প্রচার শুরু হবে ২২ জানুয়ারি এবং শেষ হবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭:৩০টায়।
এবার নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৬ লাখের বেশি। প্রবাসী বাংলাদেশিরাও পোস্টাল ব্যলটে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন। ইতিমধ্যেই তিন লাখের বেশি প্রবাসী ভোটার ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন।
গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের প্রভাবে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার শপথ গ্রহণ করে। ১৬ মাস পর এই নির্বাচন কমিশন জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করল।
এদিকে, ইসিতে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোই কেবল দলীয় প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে। বর্তমানে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সংখ্যা ৫৬টি। তবে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত থাকায় তারা এই নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না। নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর অংশগ্রহণের সুযোগ থাকছে।
নির্বাচনে সময় ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ভোট গ্রহণের সময় এক ঘণ্টা বাড়ানো হয়েছে এবং ভোটকেন্দ্রে গোপন কক্ষের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে। দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীসহ প্রায় ৯ লাখ সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। এছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে রেকর্ডসংখ্যক দেড় লাখ পুলিশ সদস্যকে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
এ নির্বাচনই হবে নতুন কমিশনের অধীনে প্রথম জাতীয় নির্বাচন। দুই ভোট একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হওয়ায় এটি সময় ও সংস্থান ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।




























