আওয়ামী লীগের ভোট পেতে একটি দল তাদের বিরুদ্ধে একটি শব্দও উচ্চারণ করে না: সালাহউদ্দিন আহমদ
- প্রকাশঃ ০২:৪৫:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫
- / 68
রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বক্তব্য দেন। আজ শুক্রবার সকালে | ছবি: সংগৃহীত
আওয়ামী লীগের ভোট পাওয়ার আশায় একটি রাজনৈতিক দল তাদের বিরুদ্ধে কোনো বক্তব্য দিচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। শুক্রবার সকালে রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপি আয়োজিত ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। বিজয়ের মাস উপলক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ছাত্রদলের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা, মিরপুর বাঙলা কলেজ, তেজগাঁও কলেজ, তিতুমীর কলেজসহ ঢাকার বিভিন্ন ইউনিটের নারীনেত্রী এবং ছাত্রদলের সাবেক ও বর্তমান নেতারা অংশ নেন।
একটি দলকে ইঙ্গিত করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ইনিয়ে–বিনিয়ে বলছে তারা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ছিল। কখনো কখনো মনে হয়, তারা যেন দাবি করতে যাচ্ছে মুক্তিযুদ্ধ শুধু তারাই করেছে। তবে জনগণ এখন সচেতন; ধর্মীয় আবেগকে ব্যবহার করে ভোট নেওয়ার সুযোগ আর নেই। তিনি আরও বলেন, মাঠে–ময়দানে সুস্পষ্ট রাজনৈতিক পরিকল্পনা নিয়ে বিএনপিকে এগোতে হবে।
আওয়ামী লীগের উদ্দেশে তিনি বলেন, “যারা নিজের দেশের নাগরিককে হেলিকপ্টার থেকে গুলি করেছে, নারী–শিশু নির্বিশেষে শতসহস্র মানুষকে হত্যা করেছে—এই ইতিহাস ভুলে যাওয়া যাবে না।”
সম্প্রতি ঘোষিত বিএনপির অর্থনীতি–বিষয়ক ‘শ্বেতপত্র’ প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ দাবি করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়কার অর্থ লুটপাটের পরিমাণ দিয়ে দেশের দুটি শিক্ষা বাজেট এবং তিনটি স্বাস্থ্য বাজেট করা যেত। ব্যাংকিং খাতে অনিয়ম ও রাজনৈতিক বিবেচনায় দেওয়া ঋণের মাধ্যমে যে অর্থ লোপাট হয়েছে, তা দিয়ে ২৪টি পদ্মা সেতু বা ১৪টি মেট্রো রেল সিস্টেম নির্মাণ করা সম্ভব হতো। তাঁর দাবি অনুযায়ী, ব্যাংকিং খাতের দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের পরিমাণ প্রায় ২৯ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঘোষিত তফসিল প্রসঙ্গে বিএনপির এই নেতা বলেন, গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে গণতান্ত্রিক উত্তরণ জরুরি। গতকাল ঘোষিত তফসিল সেই উত্তরণের একটি অংশ।
কোনো দলের নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেন, কেউ বলছে ‘নো পিআর, নো ইলেকশন’, কেউ বলছে আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন, না হলে নির্বাচন নয়; আবার কেউ বলছে গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন একই দিনে হলে তা মানবে না। এরা গণতন্ত্রের বিপক্ষে অবস্থান করছে, নিজেদের মতো করে গণতন্ত্রের সংজ্ঞা দাঁড় করাতে চাইছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। সঞ্চালনা করেন যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল।




























