জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে দেশব্যাপী প্রচার জোরদার করতে সংসদীয় ২৭০ আসনে ‘অ্যাম্বাসেডর’ বা প্রতিনিধি নিয়োগ দিয়েছে। দলটি ৩০০ আসনের মধ্যে মাত্র ৩০টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং জুলাই সনদের আলোকে সংবিধান সংস্কার–সংক্রান্ত ৪৮টি প্রস্তাবের ওপর একযোগে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, এনসিপি প্রার্থী না থাকা ২৭০ আসনে অ্যাম্বাসেডরের মাধ্যমে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচার চালাবে। আর যে ৩০টি আসনে এনসিপির প্রার্থী রয়েছে, সেখানে প্রার্থীরা শাপলা কলি প্রতীকে ভোট চাওয়ার পাশাপাশি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের আহ্বান জানাচ্ছেন।
দলীয় সূত্র জানায়, এনসিপি প্রার্থী না থাকা ২৭০ আসনের মধ্যে প্রথম দফায় ২৩৭টি আসনে অ্যাম্বাসেডরের নাম গত ২৩ জানুয়ারি ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে আজ বুধবার বাকি ২৭টি আসনের জন্যও অ্যাম্বাসেডরদের নাম প্রকাশ করেছে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি।
এর আগে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এনসিপি জানায়, অ্যাম্বাসেডরদের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট আসনগুলোতে গণভোটের গুরুত্ব এবং ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হবে। স্থানীয় জনগণের কাছে দলের রাজনৈতিক অবস্থান ও গণভোটের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করে জনমত গড়ে তোলাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
এনসিপির ভাষ্য অনুযায়ী, এই কৌশলের মাধ্যমে প্রার্থী থাকুক বা না থাকুক—সব আসনেই দলের বার্তা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে এবং সারা দেশে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সমন্বিত ও কার্যকর প্রচার নিশ্চিত করা যাবে।




























