আমেরিকায় বেকার ভাতার আবেদন বেড়েছে, যেভাবে আবেদন করবেন
- প্রকাশঃ ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:১২
- / 8
ওয়াশিংটন, ১৪ আগস্ট, (প্রজন্ম কথা) – যুক্তরাষ্ট্রে গত সপ্তাহে বেকার ভাতার জন্য নতুন আবেদন বেড়ে ২ লাখ ৯ হাজারে পৌঁছেছে। মার্কিন শ্রম দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, আগের সপ্তাহের সংশোধিত ২ লাখ আবেদনের তুলনায় এ সংখ্যা ৯ হাজার বেশি।
যুক্তরাষ্ট্রে বেকার ভাতা বা বেকারত্ব বিমা মূলত চাকরি নিজের দোষে হারাননি এমন যোগ্য কর্মীদের সাময়িক আর্থিক সহায়তা দেয়। তবে এর যোগ্যতার শর্ত, ভাতার পরিমাণ এবং আবেদন পদ্ধতি অঙ্গরাজ্যভেদে আলাদা।
কারা বেকার ভাতার জন্য আবেদন করতে পারেন
সাধারণভাবে চাকরি হারানো, কর্মঘণ্টা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়া বা নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে কর্মসংস্থান বন্ধ হওয়ার পর যোগ্য কর্মীরা বেকার ভাতার জন্য আবেদন করতে পারেন। তবে চাকরি হারানোর কারণ, আগের আয়, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজের ইতিহাস এবং অন্যান্য শর্ত অঙ্গরাজ্যের নিয়ম অনুযায়ী যাচাই করা হয়।
তাই একটি অঙ্গরাজ্যে যোগ্য হওয়ার অর্থ অন্য অঙ্গরাজ্যেও একইভাবে যোগ্য হওয়া নয়।
কীভাবে আবেদন করবেন
বেকার ভাতার আবেদন সাধারণত যে অঙ্গরাজ্যে কাজ করেছেন, সেই অঙ্গরাজ্যের বেকারত্ব বিমা সংস্থার মাধ্যমে করতে হয়। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকার প্রতিটি রাজ্যের জন্য আলাদা আবেদন ব্যবস্থা পরিচালনা করে না।
আবেদনের সময় সাধারণত নিজের পরিচয়, যোগাযোগের তথ্য, চাকরির ইতিহাস, নিয়োগকর্তার তথ্য এবং চাকরি শেষ হওয়ার কারণসহ প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হয়। নির্দিষ্ট অঙ্গরাজ্য অতিরিক্ত নথি বা তথ্য চাইতে পারে।
আবেদন অনুমোদনের পরও অনেক ক্ষেত্রে নিয়মিতভাবে নিজের বেকারত্বের অবস্থা নিশ্চিত করতে হয় এবং কাজ খোঁজার শর্ত পূরণ করতে হয়। এসব নিয়মও অঙ্গরাজ্যভেদে ভিন্ন হতে পারে।
কোথা থেকে আবেদন করবেন
যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইটে অঙ্গরাজ্যভিত্তিক বেকার ভাতা সংক্রান্ত তথ্য ও আবেদন করার নির্দেশনা পাওয়া যায়। যুক্তরাষ্ট্র সরকারের বেকার ভাতা সংক্রান্ত সরকারি তথ্য
আবেদন করার আগে নিজের অঙ্গরাজ্যের সরকারি বেকারত্ব বিমা সংস্থার ওয়েবসাইট ব্যবহার করা নিরাপদ। তৃতীয় পক্ষের ওয়েবসাইটে ব্যক্তিগত বা ব্যাংকিং তথ্য দেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা উচিত।
নতুন আবেদন বাড়লেও যুক্তরাষ্ট্রে চাকরি হারানোর প্রবণতা এখনো তুলনামূলকভাবে সীমিত। শ্রম দপ্তরের সর্বশেষ সাপ্তাহিক তথ্য অনুযায়ী, ১ আগস্ট শেষ হওয়া সপ্তাহে নিয়মিত বেকার ভাতা গ্রহণকারীর সংখ্যা ২২ হাজার কমে ১৭ লাখ ৭৭ হাজারে নেমেছে।
অন্যদিকে জুলাইয়ে দেশটির বেকারত্বের হার ছিল ৪ দশমিক ১ শতাংশ। একই মাসে মোট বেসরকারি ও সরকারি খাতের কর্মসংস্থান ২৩ হাজার কমেছে।
ফলে চাকরি হারানোর হার তুলনামূলকভাবে কম থাকলেও নতুন চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা ও সুযোগের পরিস্থিতি আগের তুলনায় কঠিন হতে পারে।


























