ঢাকা ০৪:৪৬ , Mon, ১০ Aug ২০২৬
বিশ্বসমাচার
যুক্তরাষ্ট্র

চাকরি হারালে বাংলাদেশি এইচ-১বি কর্মীদের ৬০ দিনের সুযোগও কি যাবে? ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন প্রস্তাব

শাহারিয়া নয়ন
  • প্রকাশঃ ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:১০
  • / 10
ছবি: সংগৃহীত

ওয়াশিংটন, ৯ আগস্ট ২০২৬ (প্রজন্ম কথা) – যুক্তরাষ্ট্রে চাকরি হারানো নির্দিষ্ট শ্রেণির কর্মভিত্তিক ভিসাধারীদের নতুন চাকরি খোঁজার জন্য বর্তমানে থাকা সর্বোচ্চ ৬০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড বাতিলের প্রস্তাব বিবেচনা করছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। প্রস্তাবটি চূড়ান্ত হলে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের দক্ষ কর্মীদের চাকরি হারানোর পর যুক্তরাষ্ট্রে থেকে নতুন চাকরি খোঁজা বা অন্য বৈধ ইমিগ্রেশন স্ট্যাটাসে যাওয়ার সুযোগ সীমিত হতে পারে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনের বরাতে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ এ পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রস্তাবটি বর্তমানে হোয়াইট হাউসের অফিস অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বাজেটের পর্যালোচনায় রয়েছে। তবে এখনো এটি চূড়ান্ত নিয়মে পরিণত হয়নি।

বর্তমান ব্যবস্থায় নির্দিষ্ট কর্মভিত্তিক ভিসার অধিকারী কোনো বিদেশি কর্মী চাকরি হারালে সর্বোচ্চ ৬০ দিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করে নতুন চাকরি খোঁজার সুযোগ পান। এই সময়ের মধ্যে নতুন নিয়োগকর্তার মাধ্যমে ভিসা-সংক্রান্ত ব্যবস্থা নেওয়া অথবা অন্য কোনো বৈধ ইমিগ্রেশন স্ট্যাটাসে যাওয়ার চেষ্টা করা যায়। তবে অনুমোদিত ভিসার মেয়াদ ৬০ দিনের আগেই শেষ হলে সেই আগের সময়সীমাই প্রযোজ্য হয়।

প্রস্তাবিত পরিবর্তন কার্যকর হলে চাকরি হারানোর পর এই নির্দিষ্ট গ্রেস পিরিয়ড আর নাও থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে নতুন চাকরি বা অন্য কোনো বৈধ ইমিগ্রেশন স্ট্যাটাসের ব্যবস্থা করতে না পারলে সংশ্লিষ্ট কর্মীকে দ্রুত যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার পরিস্থিতিতে পড়তে হতে পারে।

পরিবর্তনটি কেবল এইচ-১বি ভিসাধারীদের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ থাকবে না। বর্তমানে ই-১, ই-২, ই-৩, এইচ-১বি, এইচ-১বি১, এল-১, ও-১ এবং টি-এনসহ কয়েকটি কর্মভিত্তিক ভিসা শ্রেণির নির্দিষ্ট কর্মী ও তাদের নির্ভরশীলরা একই ধরনের গ্রেস পিরিয়ডের সুবিধা পান।

চাকরি হারানোর পর বিদেশি দক্ষ কর্মীদের নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ দিতে ২০১৭ সালে ৬০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড চালু করা হয়। এর ফলে চাকরি হারানোর সঙ্গে সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার পরিবর্তে কর্মীরা নতুন নিয়োগকর্তা খোঁজা কিংবা তাদের ইমিগ্রেশন স্ট্যাটাস পরিবর্তনের জন্য সময় পান।

প্রস্তাবটি যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত বাংলাদেশি এইচ-১বি ভিসাধারীদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। বিশেষ করে যেসব কর্মীর বৈধ অবস্থান নতুন চাকরির সঙ্গে যুক্ত, চাকরি হারানোর পর তাদের হাতে থাকা সময় কমে গেলে নতুন কর্মসংস্থান ও ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা আরও কঠিন হতে পারে।

তবে এখনই ৬০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড বাতিল হয়েছে এমনটি বলা যাচ্ছে না। প্রস্তাবটি বর্তমানে পর্যালোচনাধীন এবং চূড়ান্ত নিয়মে পরিণত হওয়ার আগে আরও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। নতুন বিধান কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত বর্তমান নিয়মই বহাল থাকবে।

❤️
👏
🙂
😞

চাকরি হারালে বাংলাদেশি এইচ-১বি কর্মীদের ৬০ দিনের সুযোগও কি যাবে? ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন প্রস্তাব

প্রকাশঃ ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:১০

ওয়াশিংটন, ৯ আগস্ট ২০২৬ (প্রজন্ম কথা) – যুক্তরাষ্ট্রে চাকরি হারানো নির্দিষ্ট শ্রেণির কর্মভিত্তিক ভিসাধারীদের নতুন চাকরি খোঁজার জন্য বর্তমানে থাকা সর্বোচ্চ ৬০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড বাতিলের প্রস্তাব বিবেচনা করছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। প্রস্তাবটি চূড়ান্ত হলে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের দক্ষ কর্মীদের চাকরি হারানোর পর যুক্তরাষ্ট্রে থেকে নতুন চাকরি খোঁজা বা অন্য বৈধ ইমিগ্রেশন স্ট্যাটাসে যাওয়ার সুযোগ সীমিত হতে পারে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনের বরাতে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ এ পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রস্তাবটি বর্তমানে হোয়াইট হাউসের অফিস অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বাজেটের পর্যালোচনায় রয়েছে। তবে এখনো এটি চূড়ান্ত নিয়মে পরিণত হয়নি।

বর্তমান ব্যবস্থায় নির্দিষ্ট কর্মভিত্তিক ভিসার অধিকারী কোনো বিদেশি কর্মী চাকরি হারালে সর্বোচ্চ ৬০ দিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করে নতুন চাকরি খোঁজার সুযোগ পান। এই সময়ের মধ্যে নতুন নিয়োগকর্তার মাধ্যমে ভিসা-সংক্রান্ত ব্যবস্থা নেওয়া অথবা অন্য কোনো বৈধ ইমিগ্রেশন স্ট্যাটাসে যাওয়ার চেষ্টা করা যায়। তবে অনুমোদিত ভিসার মেয়াদ ৬০ দিনের আগেই শেষ হলে সেই আগের সময়সীমাই প্রযোজ্য হয়।

প্রস্তাবিত পরিবর্তন কার্যকর হলে চাকরি হারানোর পর এই নির্দিষ্ট গ্রেস পিরিয়ড আর নাও থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে নতুন চাকরি বা অন্য কোনো বৈধ ইমিগ্রেশন স্ট্যাটাসের ব্যবস্থা করতে না পারলে সংশ্লিষ্ট কর্মীকে দ্রুত যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার পরিস্থিতিতে পড়তে হতে পারে।

পরিবর্তনটি কেবল এইচ-১বি ভিসাধারীদের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ থাকবে না। বর্তমানে ই-১, ই-২, ই-৩, এইচ-১বি, এইচ-১বি১, এল-১, ও-১ এবং টি-এনসহ কয়েকটি কর্মভিত্তিক ভিসা শ্রেণির নির্দিষ্ট কর্মী ও তাদের নির্ভরশীলরা একই ধরনের গ্রেস পিরিয়ডের সুবিধা পান।

চাকরি হারানোর পর বিদেশি দক্ষ কর্মীদের নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ দিতে ২০১৭ সালে ৬০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড চালু করা হয়। এর ফলে চাকরি হারানোর সঙ্গে সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার পরিবর্তে কর্মীরা নতুন নিয়োগকর্তা খোঁজা কিংবা তাদের ইমিগ্রেশন স্ট্যাটাস পরিবর্তনের জন্য সময় পান।

প্রস্তাবটি যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত বাংলাদেশি এইচ-১বি ভিসাধারীদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। বিশেষ করে যেসব কর্মীর বৈধ অবস্থান নতুন চাকরির সঙ্গে যুক্ত, চাকরি হারানোর পর তাদের হাতে থাকা সময় কমে গেলে নতুন কর্মসংস্থান ও ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা আরও কঠিন হতে পারে।

তবে এখনই ৬০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড বাতিল হয়েছে এমনটি বলা যাচ্ছে না। প্রস্তাবটি বর্তমানে পর্যালোচনাধীন এবং চূড়ান্ত নিয়মে পরিণত হওয়ার আগে আরও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। নতুন বিধান কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত বর্তমান নিয়মই বহাল থাকবে।