ঢাকা ১০:৪৯ , Sat, ২৬ Sep ২০২৬
বিশ্বসমাচার
অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়ার ১০ বছরের ভিজিটর ভিসা, আবেদন করতে পারবেন ১১ দেশের নাগরিকরা

  • প্রকাশঃ ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩৫
  • / 13
অস্ট্রেলিয়ার ভিজিটর ভিসা সাবক্লাস ৬০০-এর ফ্রিকোয়েন্ট ট্রাভেলার স্ট্রিমে ১১ দেশের নাগরিকরা সর্বোচ্চ ১০ বছর মেয়াদি ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন। ছবি: গ্রাফিক্স- প্রজন্ম কথা

ক্যানবেরা, ২৬ সেপ্টেম্বর: অস্ট্রেলিয়ার ভিজিটর ভিসা সাবক্লাস ৬০০-এর ফ্রিকোয়েন্ট ট্রাভেলার স্ট্রিমের আওতায় নির্দিষ্ট ১১টি দেশের নাগরিকরা সর্বোচ্চ ১০ বছর মেয়াদি ভিসা পেতে পারেন। নিয়মিত পর্যটন বা ব্যবসায়িক কাজে অস্ট্রেলিয়া ভ্রমণকারীদের জন্য এই ভিসা চালু করেছে দেশটির সরকার।

অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্র দপ্তরের বর্তমান তথ্য অনুযায়ী, এই ভিসার আওতায় একাধিকবার অস্ট্রেলিয়ায় প্রবেশ করা যায়। তবে ভিসার মেয়াদ ১০ বছর হলেও প্রতিবার প্রবেশের পর সর্বোচ্চ তিন মাস পর্যন্ত অবস্থান করা যায়। এটি অস্ট্রেলিয়ায় টানা ১০ বছর থাকার অনুমতি নয়।

যে ১১ দেশের নাগরিকরা আবেদন করতে পারেন

ফ্রিকোয়েন্ট ট্রাভেলার স্ট্রিমের জন্য নির্ধারিত দেশগুলো হলো:

১. চীন
২. ব্রুনাই
৩. কম্বোডিয়া
৪. ফিলিপাইন
৫. লাওস
৬. ইন্দোনেশিয়া
৭. মালয়েশিয়া
৮. সিঙ্গাপুর
৯. থাইল্যান্ড
১০. ভিয়েতনাম
১১. তিমুর-লেস্তে

এই দেশগুলোর নাগরিকদের বৈধ পাসপোর্ট থাকতে হবে। ভিসার জন্য আবেদন করার সময় এবং আবেদন নিষ্পত্তির সময় আবেদনকারীকে অস্ট্রেলিয়ার বাইরে থাকতে হয়। আবেদনকারীদের বায়োমেট্রিক তথ্যও দিতে হতে পারে। ভিসাটি বৈধ থাকলে একাধিকবার অস্ট্রেলিয়ায় প্রবেশ করা যায়। পর্যটন, ছুটি কাটানো, পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করা এবং অনুমোদিত ব্যবসায়িক কার্যক্রমে অংশ নেওয়া যায়।

তবে ভিসার মেয়াদ সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত হতে পারে, অর্থাৎ প্রত্যেক আবেদনকারীকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ১০ বছরের ভিসা দেওয়া হবে এমন নিশ্চয়তা নেই। ভিসার শর্ত এবং মেয়াদ আবেদনভেদে নির্ধারিত হতে পারে।

বাংলাদেশিদের জন্য কী আছে

বাংলাদেশ এই ১১ দেশের তালিকায় নেই। ফলে বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা সাবক্লাস ৬০০-এর এই নির্দিষ্ট ফ্রিকোয়েন্ট ট্রাভেলার স্ট্রিমের অধীনে আবেদন করতে পারবেন না। তবে এর অর্থ এই নয় যে বাংলাদেশিরা অস্ট্রেলিয়ার ভিজিটর ভিসা পেতে পারবেন না। ভ্রমণের উদ্দেশ্য ও পরিস্থিতি অনুযায়ী অন্য উপযুক্ত ভিসা বা ভিজিটর ভিসার স্ট্রিমে আবেদন করার সুযোগ থাকতে পারে।

অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ফ্রিকোয়েন্ট ট্রাভেলার স্ট্রিমটি মূলত নির্দিষ্ট দেশগুলোর নিয়মিত পর্যটক ও ব্যবসায়িক ভ্রমণকারীদের জন্য।

❤️
👏
🙂
😞

অস্ট্রেলিয়ার ১০ বছরের ভিজিটর ভিসা, আবেদন করতে পারবেন ১১ দেশের নাগরিকরা

প্রকাশঃ ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩৫

ক্যানবেরা, ২৬ সেপ্টেম্বর: অস্ট্রেলিয়ার ভিজিটর ভিসা সাবক্লাস ৬০০-এর ফ্রিকোয়েন্ট ট্রাভেলার স্ট্রিমের আওতায় নির্দিষ্ট ১১টি দেশের নাগরিকরা সর্বোচ্চ ১০ বছর মেয়াদি ভিসা পেতে পারেন। নিয়মিত পর্যটন বা ব্যবসায়িক কাজে অস্ট্রেলিয়া ভ্রমণকারীদের জন্য এই ভিসা চালু করেছে দেশটির সরকার।

অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্র দপ্তরের বর্তমান তথ্য অনুযায়ী, এই ভিসার আওতায় একাধিকবার অস্ট্রেলিয়ায় প্রবেশ করা যায়। তবে ভিসার মেয়াদ ১০ বছর হলেও প্রতিবার প্রবেশের পর সর্বোচ্চ তিন মাস পর্যন্ত অবস্থান করা যায়। এটি অস্ট্রেলিয়ায় টানা ১০ বছর থাকার অনুমতি নয়।

যে ১১ দেশের নাগরিকরা আবেদন করতে পারেন

ফ্রিকোয়েন্ট ট্রাভেলার স্ট্রিমের জন্য নির্ধারিত দেশগুলো হলো:

১. চীন
২. ব্রুনাই
৩. কম্বোডিয়া
৪. ফিলিপাইন
৫. লাওস
৬. ইন্দোনেশিয়া
৭. মালয়েশিয়া
৮. সিঙ্গাপুর
৯. থাইল্যান্ড
১০. ভিয়েতনাম
১১. তিমুর-লেস্তে

এই দেশগুলোর নাগরিকদের বৈধ পাসপোর্ট থাকতে হবে। ভিসার জন্য আবেদন করার সময় এবং আবেদন নিষ্পত্তির সময় আবেদনকারীকে অস্ট্রেলিয়ার বাইরে থাকতে হয়। আবেদনকারীদের বায়োমেট্রিক তথ্যও দিতে হতে পারে। ভিসাটি বৈধ থাকলে একাধিকবার অস্ট্রেলিয়ায় প্রবেশ করা যায়। পর্যটন, ছুটি কাটানো, পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করা এবং অনুমোদিত ব্যবসায়িক কার্যক্রমে অংশ নেওয়া যায়।

তবে ভিসার মেয়াদ সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত হতে পারে, অর্থাৎ প্রত্যেক আবেদনকারীকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ১০ বছরের ভিসা দেওয়া হবে এমন নিশ্চয়তা নেই। ভিসার শর্ত এবং মেয়াদ আবেদনভেদে নির্ধারিত হতে পারে।

বাংলাদেশিদের জন্য কী আছে

বাংলাদেশ এই ১১ দেশের তালিকায় নেই। ফলে বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা সাবক্লাস ৬০০-এর এই নির্দিষ্ট ফ্রিকোয়েন্ট ট্রাভেলার স্ট্রিমের অধীনে আবেদন করতে পারবেন না। তবে এর অর্থ এই নয় যে বাংলাদেশিরা অস্ট্রেলিয়ার ভিজিটর ভিসা পেতে পারবেন না। ভ্রমণের উদ্দেশ্য ও পরিস্থিতি অনুযায়ী অন্য উপযুক্ত ভিসা বা ভিজিটর ভিসার স্ট্রিমে আবেদন করার সুযোগ থাকতে পারে।

অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ফ্রিকোয়েন্ট ট্রাভেলার স্ট্রিমটি মূলত নির্দিষ্ট দেশগুলোর নিয়মিত পর্যটক ও ব্যবসায়িক ভ্রমণকারীদের জন্য।