ঢাকা ১০:১৬ , Mon, ১৯ Oct ২০২৬
বিশ্বসমাচার
যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী ভিসার কেস খোলার চিঠি পেলে করণীয়, আবেদনকারীদের যে বিষয়গুলো জানতে হবে

প্রজন্ম কথা ডেস্ক
  • প্রকাশঃ ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৫:১৯
  • / 7
যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী ভিসার কেস খোলার চিঠি পাওয়ার পর আবেদনকারীদের ফি, ফরম ও নথিপত্রের কাজ সম্পন্ন করে আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা যাচাই করতে হবে। ছবি: সংগৃহীত

ওয়াশিংটন, ১৯ অক্টোবর, (প্রজন্ম কথা): যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য অভিবাসী ভিসার আবেদনকারীদের ন্যাশনাল ভিসা সেন্টার (এনভিসি) থেকে কেস খোলার চিঠি পাওয়া আবেদনপ্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। তবে এ চিঠি পাওয়ার অর্থ ভিসা অনুমোদন বা সাক্ষাৎকারের তারিখ নিশ্চিত হওয়া নয়। পরবর্তী ধাপে আবেদনকারীকে ফি পরিশোধ, প্রয়োজনীয় ফরম পূরণ এবং প্রাসঙ্গিক নথিপত্র জমা দেওয়ার মতো কাজ সম্পন্ন করতে হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা সংস্থা (ইউএসসিআইএস) নির্দিষ্ট অভিবাসন পিটিশন অনুমোদনের পর সেগুলো এনভিসিতে পাঠায়। এনভিসিতে কেস খোলা হলে আবেদনকারীকে কেস নম্বর ও ইনভয়েস আইডি দেওয়া হয়। এসব তথ্য ব্যবহার করে অনলাইনে আবেদনের অবস্থা যাচাই করা যায়।

চিঠি পাওয়ার পর প্রথম করণীয়

কেস খোলার চিঠি পাওয়ার পর আবেদনকারীকে চিঠিতে উল্লেখ করা নির্দেশনা ভালোভাবে পড়তে হবে। এরপর নির্ধারিত অনলাইন ব্যবস্থায় কেসের তথ্য যাচাই করে পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে হবে।

সাধারণত আবেদনপ্রক্রিয়ার এ পর্যায়ে কয়েকটি কাজ সম্পন্ন করতে হয়:

প্রযোজ্য সরকারি ফি পরিশোধ করা।

কনস্যুলার ইলেকট্রনিক অ্যাপ্লিকেশন সেন্টারে (সিইএসি) ডিএস-২৬০ ফরম পূরণ করা।

আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতার প্রমাণসহ প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দেওয়া।

এনভিসির নির্দেশনা অনুযায়ী নথিতে কোনো ঘাটতি থাকলে তা সংশোধন বা অতিরিক্ত কাগজপত্র জমা দেওয়া।

সরকারি নির্দেশনায় আলাদাভাবে বলা না থাকলে মূল কাগজপত্র ডাকযোগে পাঠানোর প্রয়োজন হয় না। তাই নথি জমা দেওয়ার আগে চিঠি ও সংশ্লিষ্ট সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করা জরুরি।

নথিপত্র সম্পূর্ণ হলেই কি সাক্ষাৎকারের তারিখ পাওয়া যায়?

এনভিসি জমা দেওয়া নথিপত্র পর্যালোচনা করে সবকিছু গ্রহণযোগ্য মনে করলে আবেদনকারীকে জানায় যে তাঁর কেস নথির দিক থেকে সম্পূর্ণ। তবে এর অর্থ এই নয় যে সঙ্গে সঙ্গেই সাক্ষাৎকারের তারিখ পাওয়া যাবে।

সাক্ষাৎকারের সময় নির্ভর করে ভিসার ধরন, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ভিসা নম্বরের প্রাপ্যতা এবং সংশ্লিষ্ট মার্কিন দূতাবাস বা কনস্যুলেটের অ্যাপয়েন্টমেন্টের ওপর। ফলে নথিপত্র সম্পূর্ণ হওয়ার পরও আবেদনকারীকে অপেক্ষা করতে হতে পারে।

২০২৩ সালের চিঠি হলে বর্তমান অবস্থা যেভাবে জানবেন

আবেদনকারীর পাঠানো একটি চিঠির তারিখ ১১ অক্টোবর ২০২৩। এত পুরোনো চিঠি থেকে আবেদনটির বর্তমান অবস্থা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। এ ক্ষেত্রে আবেদনকারীকে সিইএসি-তে কেসের অবস্থা যাচাই করতে হবে এবং এনভিসির সর্বশেষ বার্তা ও নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।

প্রয়োজন হলে এনভিসির নির্ধারিত যোগাযোগব্যবস্থা ব্যবহার করে আবেদনসংক্রান্ত তথ্য জানতে চাওয়া যেতে পারে। পুরোনো চিঠির তথ্যের ওপর নির্ভর না করে কেসের সর্বশেষ অবস্থা যাচাই করাই গুরুত্বপূর্ণ।

ব্যক্তিগত তথ্য ও প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকুন

কেস নম্বর, ইনভয়েস আইডি এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য নিরাপদে সংরক্ষণ করা উচিত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চিঠির ছবি প্রকাশের আগে এসব তথ্য, বারকোড ও ব্যক্তিগত পরিচয়সংক্রান্ত অংশ আড়াল করতে হবে।

এ ছাড়া কেউ ভিসা নিশ্চিত করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে অর্থ দাবি করলে সতর্ক থাকতে হবে। ভিসা অনুমোদনের সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট মার্কিন কর্তৃপক্ষের প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করে। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের প্রতিশ্রুতিকে ভিসা পাওয়ার নিশ্চয়তা হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়।

❤️
👏
🙂
😞

যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী ভিসার কেস খোলার চিঠি পেলে করণীয়, আবেদনকারীদের যে বিষয়গুলো জানতে হবে

প্রকাশঃ ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৫:১৯

ওয়াশিংটন, ১৯ অক্টোবর, (প্রজন্ম কথা): যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য অভিবাসী ভিসার আবেদনকারীদের ন্যাশনাল ভিসা সেন্টার (এনভিসি) থেকে কেস খোলার চিঠি পাওয়া আবেদনপ্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। তবে এ চিঠি পাওয়ার অর্থ ভিসা অনুমোদন বা সাক্ষাৎকারের তারিখ নিশ্চিত হওয়া নয়। পরবর্তী ধাপে আবেদনকারীকে ফি পরিশোধ, প্রয়োজনীয় ফরম পূরণ এবং প্রাসঙ্গিক নথিপত্র জমা দেওয়ার মতো কাজ সম্পন্ন করতে হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা সংস্থা (ইউএসসিআইএস) নির্দিষ্ট অভিবাসন পিটিশন অনুমোদনের পর সেগুলো এনভিসিতে পাঠায়। এনভিসিতে কেস খোলা হলে আবেদনকারীকে কেস নম্বর ও ইনভয়েস আইডি দেওয়া হয়। এসব তথ্য ব্যবহার করে অনলাইনে আবেদনের অবস্থা যাচাই করা যায়।

চিঠি পাওয়ার পর প্রথম করণীয়

কেস খোলার চিঠি পাওয়ার পর আবেদনকারীকে চিঠিতে উল্লেখ করা নির্দেশনা ভালোভাবে পড়তে হবে। এরপর নির্ধারিত অনলাইন ব্যবস্থায় কেসের তথ্য যাচাই করে পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে হবে।

সাধারণত আবেদনপ্রক্রিয়ার এ পর্যায়ে কয়েকটি কাজ সম্পন্ন করতে হয়:

প্রযোজ্য সরকারি ফি পরিশোধ করা।

কনস্যুলার ইলেকট্রনিক অ্যাপ্লিকেশন সেন্টারে (সিইএসি) ডিএস-২৬০ ফরম পূরণ করা।

আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতার প্রমাণসহ প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দেওয়া।

এনভিসির নির্দেশনা অনুযায়ী নথিতে কোনো ঘাটতি থাকলে তা সংশোধন বা অতিরিক্ত কাগজপত্র জমা দেওয়া।

সরকারি নির্দেশনায় আলাদাভাবে বলা না থাকলে মূল কাগজপত্র ডাকযোগে পাঠানোর প্রয়োজন হয় না। তাই নথি জমা দেওয়ার আগে চিঠি ও সংশ্লিষ্ট সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করা জরুরি।

নথিপত্র সম্পূর্ণ হলেই কি সাক্ষাৎকারের তারিখ পাওয়া যায়?

এনভিসি জমা দেওয়া নথিপত্র পর্যালোচনা করে সবকিছু গ্রহণযোগ্য মনে করলে আবেদনকারীকে জানায় যে তাঁর কেস নথির দিক থেকে সম্পূর্ণ। তবে এর অর্থ এই নয় যে সঙ্গে সঙ্গেই সাক্ষাৎকারের তারিখ পাওয়া যাবে।

সাক্ষাৎকারের সময় নির্ভর করে ভিসার ধরন, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ভিসা নম্বরের প্রাপ্যতা এবং সংশ্লিষ্ট মার্কিন দূতাবাস বা কনস্যুলেটের অ্যাপয়েন্টমেন্টের ওপর। ফলে নথিপত্র সম্পূর্ণ হওয়ার পরও আবেদনকারীকে অপেক্ষা করতে হতে পারে।

২০২৩ সালের চিঠি হলে বর্তমান অবস্থা যেভাবে জানবেন

আবেদনকারীর পাঠানো একটি চিঠির তারিখ ১১ অক্টোবর ২০২৩। এত পুরোনো চিঠি থেকে আবেদনটির বর্তমান অবস্থা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। এ ক্ষেত্রে আবেদনকারীকে সিইএসি-তে কেসের অবস্থা যাচাই করতে হবে এবং এনভিসির সর্বশেষ বার্তা ও নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।

প্রয়োজন হলে এনভিসির নির্ধারিত যোগাযোগব্যবস্থা ব্যবহার করে আবেদনসংক্রান্ত তথ্য জানতে চাওয়া যেতে পারে। পুরোনো চিঠির তথ্যের ওপর নির্ভর না করে কেসের সর্বশেষ অবস্থা যাচাই করাই গুরুত্বপূর্ণ।

ব্যক্তিগত তথ্য ও প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকুন

কেস নম্বর, ইনভয়েস আইডি এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য নিরাপদে সংরক্ষণ করা উচিত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চিঠির ছবি প্রকাশের আগে এসব তথ্য, বারকোড ও ব্যক্তিগত পরিচয়সংক্রান্ত অংশ আড়াল করতে হবে।

এ ছাড়া কেউ ভিসা নিশ্চিত করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে অর্থ দাবি করলে সতর্ক থাকতে হবে। ভিসা অনুমোদনের সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট মার্কিন কর্তৃপক্ষের প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করে। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের প্রতিশ্রুতিকে ভিসা পাওয়ার নিশ্চয়তা হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়।