ঢাকা ০৮:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ১২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বনশ্রীতে দশম শ্রেণির ছাত্রীকে গলা কেটে হত্যা, পুলিশ তদন্তে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশঃ ১০:১৯:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 65

রাজধানীর বনশ্রী এলাকায় দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ফাতেমা আক্তার লিলি (১৭)কে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনা ঘটে শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুর দেড়টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টার মধ্যে দক্ষিণ বনশ্রীর প্রধান সড়কের ‘প্রীতম ভিলা’ নামে একটি বাসায়। নিহত লিলি স্থানীয় রেডিয়েন্ট স্কুলের ছাত্রী ছিলেন।

খিলগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ ও পরিবারের তথ্য অনুযায়ী, লিলির বাড়ি হবিগঞ্জ জেলার লাখাই থানার বামৈন গ্রামে। তার বাবার নাম সজীব মিয়া। বনশ্রীতে পরিবার ভাড়া বাসায় থাকছিল।

নিহতের বড় বোন শোভা জানিয়েছেন, জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়ে তার বাবা-মা গ্রামের বাড়িতে ছিলেন। ঘটনার দিন দুপুরে খাবার নিতে হোটেলের কর্মচারী মিলন বাসায় আসে। শোভা বলেন, আমি জিমে ছিলাম, ফিরে এসে দেখলাম ঘরের দরজা খোলা এবং ভেতরে সবকিছু এলোমেলো। বড় পাতিলের নিচে লিলিকে কুঁকড়ানো অবস্থায় দেখলাম। প্রথমে ভেবেছিলাম মাথায় আঘাত হয়েছে। পরে হিজাব খুলে দেখলে গলায় রশি প্যাঁচানো এবং গলা বঁটি দিয়ে কাটা ছিল। শোভা বলেন, তারা প্রধানত হোটেলের কর্মচারী মিলনের ওপরই সন্দেহ করছেন।

লিলিকে উদ্ধার করে ফরাজী হাসপাতালে নেওয়ার সময় বাড়ির মালিক বা অন্য কেউ সাহায্য করেননি। পরে বন্ধুর সহযোগিতায় তাকে হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়া হয়।

ওসি মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম জানান, বিকেলে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ফরাজী হাসপাতাল থেকে লিলির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি বলেন, হাসপাতালে গিয়ে দেখলাম লিলির গলা কাটা। হত্যার প্রকৃত কারণ এখনো জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্তাধীন।

সর্বশেষ খবর পেতে অনুসরণ করুন- “প্রজন্ম কথা”

প্রাসঙ্গিক

শেয়ার করুন

বনশ্রীতে দশম শ্রেণির ছাত্রীকে গলা কেটে হত্যা, পুলিশ তদন্তে

প্রকাশঃ ১০:১৯:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬

রাজধানীর বনশ্রী এলাকায় দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ফাতেমা আক্তার লিলি (১৭)কে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনা ঘটে শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুর দেড়টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টার মধ্যে দক্ষিণ বনশ্রীর প্রধান সড়কের ‘প্রীতম ভিলা’ নামে একটি বাসায়। নিহত লিলি স্থানীয় রেডিয়েন্ট স্কুলের ছাত্রী ছিলেন।

খিলগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ ও পরিবারের তথ্য অনুযায়ী, লিলির বাড়ি হবিগঞ্জ জেলার লাখাই থানার বামৈন গ্রামে। তার বাবার নাম সজীব মিয়া। বনশ্রীতে পরিবার ভাড়া বাসায় থাকছিল।

নিহতের বড় বোন শোভা জানিয়েছেন, জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়ে তার বাবা-মা গ্রামের বাড়িতে ছিলেন। ঘটনার দিন দুপুরে খাবার নিতে হোটেলের কর্মচারী মিলন বাসায় আসে। শোভা বলেন, আমি জিমে ছিলাম, ফিরে এসে দেখলাম ঘরের দরজা খোলা এবং ভেতরে সবকিছু এলোমেলো। বড় পাতিলের নিচে লিলিকে কুঁকড়ানো অবস্থায় দেখলাম। প্রথমে ভেবেছিলাম মাথায় আঘাত হয়েছে। পরে হিজাব খুলে দেখলে গলায় রশি প্যাঁচানো এবং গলা বঁটি দিয়ে কাটা ছিল। শোভা বলেন, তারা প্রধানত হোটেলের কর্মচারী মিলনের ওপরই সন্দেহ করছেন।

লিলিকে উদ্ধার করে ফরাজী হাসপাতালে নেওয়ার সময় বাড়ির মালিক বা অন্য কেউ সাহায্য করেননি। পরে বন্ধুর সহযোগিতায় তাকে হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়া হয়।

ওসি মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম জানান, বিকেলে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ফরাজী হাসপাতাল থেকে লিলির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি বলেন, হাসপাতালে গিয়ে দেখলাম লিলির গলা কাটা। হত্যার প্রকৃত কারণ এখনো জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্তাধীন।

সর্বশেষ খবর পেতে অনুসরণ করুন- “প্রজন্ম কথা”