পঞ্চগড়ে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় কানে ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ পরীক্ষার্থী আটক
- প্রকাশঃ ০৮:১৬:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬
- / 36
পঞ্চগড়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ এক নারী পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। পরে তাকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বিকেলে পঞ্চগড় জেলা শহরের ড. আবেদা হাফিজ গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে ওই পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়। আটক পরীক্ষার্থীর নাম রুবিনা আক্তার (৩২)। তিনি পঞ্চগড় সদর উপজেলার কামাত কাজলদিঘী ইউনিয়নের দফাদারপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং আশরাফুল ইসলামের স্ত্রী।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত পঞ্চগড় জেলার ২০টি কেন্দ্রে একযোগে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সময় ড. আবেদা হাফিজ গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষা দিচ্ছিলেন রুবিনা আক্তার।
পরীক্ষাকালে তার আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে এক পরীক্ষার্থী বিষয়টি কক্ষ পরিদর্শককে জানান। পরে কক্ষ পরিদর্শক তল্লাশি চালিয়ে তার কানে একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস পান। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে বহিষ্কার করা হয় এবং পুলিশের সহযোগিতায় কেন্দ্র সচিবের কক্ষে নেওয়া হয়।
পরবর্তীতে কেন্দ্র সচিব আটক পরীক্ষার্থীকে দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে হস্তান্তর করেন। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তিনি স্বামীর সহযোগিতায় ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করে পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের চেষ্টা করছিলেন।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার সভাপতি ও পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামান বলেন, ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করে পরীক্ষা দেওয়ার সময় এক নারী পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোতে এ ছাড়া কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেনি।
জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, এবার পঞ্চগড়ে ১৭১টি পদের বিপরীতে ২০টি পরীক্ষাকেন্দ্রে মোট ১০ হাজার ৮১০ জন প্রার্থী আবেদন করেন। এর মধ্যে ৮ হাজার ৭৮১ জন পরীক্ষায় অংশ নেন। অনুপস্থিত ছিলেন ২ হাজার ২৯ জন। পরীক্ষায় উপস্থিতির হার ছিল ৮১ দশমিক ২৩ শতাংশ।






























