ঢাকা ০৯:৩৫ , Fri, ০৩ Jul ২০২৬
খেলাধুলা
ফুটবল

টাইব্রেকারে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল মিসর, শেষ ষোলোতে সালাহরা

খেলা ডেস্ক
  • প্রকাশঃ ০৩ জুলাই ২০২৬, ২১:৩২
  • / 2

টাইব্রেকারের নাটকীয় লড়াইয়ে অস্ট্রেলিয়াকে ৪-২ ব্যবধানে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে মিসর। এই জয়ের মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ম্যাচ জিতে শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করেছে মোহাম্মদ সালাহর দল। এর আগে ১৯৩৪ সালে শেষবার নকআউট পর্বে খেললেও জয়ের দেখা পায়নি মিসর।

টাইব্রেকারে প্রথম শট নিতে এসে অস্ট্রেলিয়ার হ্যারি শুটার বল বারের ওপর দিয়ে মেরে সুযোগ নষ্ট করেন। এরপর মিসরের হয়ে প্রথম শটে গোল করেন মাহমুদ সাবের। অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় শটে জ্যাকসন আরবিন গোল করে ব্যবধান কমালেও নিজেদের দ্বিতীয় শটেও সফল হয় মিসর। তৃতীয় শটে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে আওয়ার মাবিল গোল করেন।

মিসরও তাদের তৃতীয় স্পটকিকে সফল হয়। তবে চতুর্থ শটে ১৮ বছর বয়সী হেরিংটন ব্যর্থ হলে বড় চাপে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। এরপর আবদেল শেষ শটটি জালে জড়াতেই ঐতিহাসিক জয়ের উৎসবে মেতে ওঠে মিসর।

এর আগে নির্ধারিত সময়ের প্রথমার্ধ শেষে ইতিহাস গড়ার সুবাস পাচ্ছিল মিসর। ম্যাচের ১৩ মিনিটে ইমান আশুরের দৃষ্টিনন্দন গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় তারা। সেই ব্যবধান নিয়েই বিরতিতে যায় মিসর এবং ম্যাচের নিয়ন্ত্রণও ছিল তাদের হাতেই।

দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের চিত্র বদলে যায়। ৫৫তম মিনিটে অস্ট্রেলিয়ার একটি ফ্রি-কিক থেকে ডি-বক্সে ভেসে আসা বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে আত্মঘাতী গোল করে বসেন মিসরের ডিফেন্ডার মোহাম্মদ হানি। তার ভুলেই ১-১ সমতায় ফিরে আসে সকারুজরা। এরপর দুই দলই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করলেও নির্ধারিত ৯০ মিনিটে আর কোনো গোল হয়নি।

ফলে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে। অতিরিক্ত সময়েও দুই দল গোলের দেখা না পাওয়ায় ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হয় টাইব্রেকারে। সেখানে স্নায়ু ধরে রেখে ৪-২ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে নকআউট পর্বে নিজেদের প্রথম জয়ের ইতিহাস গড়ে মিসর।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন

টাইব্রেকারে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল মিসর, শেষ ষোলোতে সালাহরা

প্রকাশঃ ০৩ জুলাই ২০২৬, ২১:৩২

টাইব্রেকারের নাটকীয় লড়াইয়ে অস্ট্রেলিয়াকে ৪-২ ব্যবধানে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে মিসর। এই জয়ের মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ম্যাচ জিতে শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করেছে মোহাম্মদ সালাহর দল। এর আগে ১৯৩৪ সালে শেষবার নকআউট পর্বে খেললেও জয়ের দেখা পায়নি মিসর।

টাইব্রেকারে প্রথম শট নিতে এসে অস্ট্রেলিয়ার হ্যারি শুটার বল বারের ওপর দিয়ে মেরে সুযোগ নষ্ট করেন। এরপর মিসরের হয়ে প্রথম শটে গোল করেন মাহমুদ সাবের। অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় শটে জ্যাকসন আরবিন গোল করে ব্যবধান কমালেও নিজেদের দ্বিতীয় শটেও সফল হয় মিসর। তৃতীয় শটে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে আওয়ার মাবিল গোল করেন।

মিসরও তাদের তৃতীয় স্পটকিকে সফল হয়। তবে চতুর্থ শটে ১৮ বছর বয়সী হেরিংটন ব্যর্থ হলে বড় চাপে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। এরপর আবদেল শেষ শটটি জালে জড়াতেই ঐতিহাসিক জয়ের উৎসবে মেতে ওঠে মিসর।

এর আগে নির্ধারিত সময়ের প্রথমার্ধ শেষে ইতিহাস গড়ার সুবাস পাচ্ছিল মিসর। ম্যাচের ১৩ মিনিটে ইমান আশুরের দৃষ্টিনন্দন গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় তারা। সেই ব্যবধান নিয়েই বিরতিতে যায় মিসর এবং ম্যাচের নিয়ন্ত্রণও ছিল তাদের হাতেই।

দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের চিত্র বদলে যায়। ৫৫তম মিনিটে অস্ট্রেলিয়ার একটি ফ্রি-কিক থেকে ডি-বক্সে ভেসে আসা বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে আত্মঘাতী গোল করে বসেন মিসরের ডিফেন্ডার মোহাম্মদ হানি। তার ভুলেই ১-১ সমতায় ফিরে আসে সকারুজরা। এরপর দুই দলই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করলেও নির্ধারিত ৯০ মিনিটে আর কোনো গোল হয়নি।

ফলে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে। অতিরিক্ত সময়েও দুই দল গোলের দেখা না পাওয়ায় ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হয় টাইব্রেকারে। সেখানে স্নায়ু ধরে রেখে ৪-২ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে নকআউট পর্বে নিজেদের প্রথম জয়ের ইতিহাস গড়ে মিসর।