ঢাকা ০৬:৫৮ , Wed, ২৮ Oct ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র
নিউইয়র্ক

নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল পদে লড়ছেন লেটিশিয়া জেমস ও সারিথা কোমাতিরেড্ডি

প্রজন্ম কথা ডেস্ক
  • প্রকাশঃ ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৮:০০
  • / 8
নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল পদে পুনর্নির্বাচনের লড়াইয়ে বর্তমান ডেমোক্র্যাট লেটিশিয়া জেমসের প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান প্রার্থী সারিথা কোমাতিরেড্ডি। ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্ক, ২৭ অক্টোবর, (প্রজন্ম কথা) – যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল পদে আগামী ৩ নভেম্বরের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বর্তমান ডেমোক্র্যাট অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিশিয়া ‘টিশ’ জেমস ও রিপাবলিকান প্রার্থী সারিথা কোমাতিরেড্ডি। ভোক্তা অধিকার, কর্মজীবী পরিবারের ব্যয় ও সরকারি জবাবদিহিকে গুরুত্ব দিচ্ছেন জেমস। অন্যদিকে জননিরাপত্তা, অপরাধ দমন ও সরকারি দুর্নীতি মোকাবিলাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন কোমাতিরেড্ডি।

২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে দুই প্রার্থীই নিজ নিজ দলের প্রাথমিক নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মনোনয়ন পেয়েছেন। ফলে আগামী সাধারণ নির্বাচনে তাঁদের সরাসরি লড়াই হচ্ছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থন পাওয়া কোমাতিরেড্ডি একসময় ফেডারেল কৌঁসুলি হিসেবে কাজ করেছেন। আর জেমস ২০১৯ সাল থেকে নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্ব পালন করছেন।

২০১৮ সালে নির্বাচিত হওয়ার পর ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব নেন লেটিশিয়া জেমস। পুনর্নির্বাচিত হলে কর্মজীবী পরিবারের ব্যয় কমানো, ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা, শ্রমিক সংগঠনের অধিকার রক্ষা এবং ভোক্তাদের স্বার্থে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।

ব্রুকলিনে জন্ম নেওয়া জেমস নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে রাজ্যব্যাপী নির্বাচিত পদে দায়িত্ব পালনকারী প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী। তিনি অঙ্গরাজ্যটির প্রথম নির্বাচিত নারী অ্যাটর্নি জেনারেলও।

জেমসের কার্যালয়ের তথ্যের বরাত দিয়ে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম পিক্স১১ জানিয়েছে, ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষা ও ক্ষতিপূরণ আদায়ের বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে তাঁর কার্যালয় ৯০০ কোটি ডলারের বেশি অর্থ আদায় করেছে। এ ছাড়া অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের বিস্তার রোধে ৯ হাজার ৫০০টির বেশি অস্ত্র রাস্তা থেকে সরানোর উদ্যোগের কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ট্রাম্প প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মসূচির অর্থায়ন ও সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ৫০টির বেশি মামলা করেছেন জেমস। এসব মামলার মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা, সরকারি শিক্ষা ও কর্মসংস্থানসংক্রান্ত উদ্যোগও রয়েছে। তাঁর কার্যালয় ভোক্তা অধিকার, আবাসনসংক্রান্ত জালিয়াতি এবং অনলাইনে শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষার মতো বিষয়েও কাজ করেছে।

অ্যাটর্নি জেনারেল হওয়ার আগে ২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত নিউইয়র্ক সিটির পাবলিক অ্যাডভোকেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জেমস। এর আগে সিটি কাউন্সিলের ৩৫ নম্বর নির্বাচনী এলাকার প্রতিনিধি হিসেবে প্রায় ১০ বছর কাজ করেছেন তিনি।

পুনর্নির্বাচিত হলে অস্ত্র জমা দেওয়ার কর্মসূচি, আবাসনের অধিকার, নির্বাচনী নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্যসেবায় প্রবেশাধিকার রক্ষার কাজ অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।

রিপাবলিকান প্রার্থী সারিথা কোমাতিরেড্ডি বর্তমানে হল্টজম্যান ভোগেল আইন প্রতিষ্ঠানের অংশীদার। পাশাপাশি তিনি কলাম্বিয়া ল স্কুলে শিক্ষকতা করেন। এর আগে এক দশকের বেশি সময় নিউইয়র্কের ইস্টার্ন ডিস্ট্রিক্টের ফেডারেল আদালতে কৌঁসুলি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

২০২০ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁকে নিউইয়র্কের ইস্টার্ন ডিস্ট্রিক্টের ফেডারেল জেলা আদালতের বিচারক পদে মনোনয়ন দিয়েছিলেন। তবে এবার তিনি অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

কোমাতিরেড্ডি জননিরাপত্তা জোরদার, মানসিক স্বাস্থ্যসংক্রান্ত সমস্যা মোকাবিলা এবং নিউইয়র্কবাসীর অধিকার সুরক্ষাকে তাঁর প্রচারের প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে তুলে ধরেছেন। তাঁর প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে অপরাধ দমনে কৌঁসুলিদের ভূমিকা বাড়ানো, সরকারি অর্থের অপব্যবহার ও জালিয়াতির তদন্ত জোরদার করা এবং গৃহহীনদের আশ্রয়কেন্দ্রের নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা।

জামিন ছাড়াই কাউকে মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ বিবেচনায় নেওয়ার পক্ষেও অবস্থান নিয়েছেন তিনি। তাঁর মতে, পুনরাবৃত্ত অপরাধ, মাদক পাচার ও জননিরাপত্তাসংক্রান্ত সমস্যার মোকাবিলায় অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের আরও সক্রিয় ভূমিকা থাকা প্রয়োজন।

কর্মজীবনের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের ডিসি সার্কিটের আপিল আদালতে তৎকালীন বিচারক ব্রেট কাভানার সহকারী হিসেবে কাজ করেন কোমাতিরেড্ডি। পরে বিপি ডিপওয়াটার হরাইজন তেল নিঃসরণ দুর্ঘটনা নিয়ে গঠিত জাতীয় কমিশনের আইনবিষয়ক পরামর্শক ছিলেন।

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের সন্ত্রাসী হামলার পর তিনি আল-কায়েদা, ইসলামিক স্টেট এবং মেক্সিকোর মাদক পাচারকারী চক্রের নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা পরিচালনার কাজে যুক্ত হন। ফেডারেল কৌঁসুলি হিসেবে তাঁর কাজের ক্ষেত্রের মধ্যে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ, সাইবার অপরাধ, মাদক পাচার, অর্থপাচার, জালিয়াতি ও বিদেশি সরকারি কর্মকর্তাদের দুর্নীতিসংক্রান্ত মামলাও ছিল।

এ ছাড়া পররাষ্ট্রনীতি, ফৌজদারি আইন ও সাইবার নীতিবিষয়ক পরামর্শ দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আইন প্রয়োগকারী সংস্থায় কাজের স্বীকৃতিও পেয়েছেন কোমাতিরেড্ডি।

নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল অঙ্গরাজ্যের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সরকারি সিদ্ধান্তের বৈধতা রক্ষা, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ, জালিয়াতির তদন্ত এবং বিভিন্ন আইনি বিষয়ে অঙ্গরাজ্যের পক্ষে পদক্ষেপ নেওয়া এই পদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বের অংশ।

নির্বাচনে জেমস তাঁর দায়িত্বকালে ভোক্তা অধিকার রক্ষা ও ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে নেওয়া আইনি পদক্ষেপগুলোকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। অন্যদিকে কোমাতিরেড্ডি অপরাধ দমন, জননিরাপত্তা এবং অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়কে আরও সক্রিয়ভাবে আইন প্রয়োগের কাজে যুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।

আগামী ৩ নভেম্বরের নির্বাচনে ভোটারদের সিদ্ধান্তে এই দুই প্রার্থীর অভিজ্ঞতা, নীতিগত অগ্রাধিকার এবং অঙ্গরাজ্যের আইন প্রয়োগব্যবস্থা নিয়ে তাঁদের পরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

❤️
👏
🙂
😞

নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল পদে লড়ছেন লেটিশিয়া জেমস ও সারিথা কোমাতিরেড্ডি

প্রকাশঃ ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৮:০০

নিউইয়র্ক, ২৭ অক্টোবর, (প্রজন্ম কথা) – যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল পদে আগামী ৩ নভেম্বরের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বর্তমান ডেমোক্র্যাট অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিশিয়া ‘টিশ’ জেমস ও রিপাবলিকান প্রার্থী সারিথা কোমাতিরেড্ডি। ভোক্তা অধিকার, কর্মজীবী পরিবারের ব্যয় ও সরকারি জবাবদিহিকে গুরুত্ব দিচ্ছেন জেমস। অন্যদিকে জননিরাপত্তা, অপরাধ দমন ও সরকারি দুর্নীতি মোকাবিলাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন কোমাতিরেড্ডি।

২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে দুই প্রার্থীই নিজ নিজ দলের প্রাথমিক নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মনোনয়ন পেয়েছেন। ফলে আগামী সাধারণ নির্বাচনে তাঁদের সরাসরি লড়াই হচ্ছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থন পাওয়া কোমাতিরেড্ডি একসময় ফেডারেল কৌঁসুলি হিসেবে কাজ করেছেন। আর জেমস ২০১৯ সাল থেকে নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্ব পালন করছেন।

২০১৮ সালে নির্বাচিত হওয়ার পর ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব নেন লেটিশিয়া জেমস। পুনর্নির্বাচিত হলে কর্মজীবী পরিবারের ব্যয় কমানো, ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা, শ্রমিক সংগঠনের অধিকার রক্ষা এবং ভোক্তাদের স্বার্থে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।

ব্রুকলিনে জন্ম নেওয়া জেমস নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে রাজ্যব্যাপী নির্বাচিত পদে দায়িত্ব পালনকারী প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী। তিনি অঙ্গরাজ্যটির প্রথম নির্বাচিত নারী অ্যাটর্নি জেনারেলও।

জেমসের কার্যালয়ের তথ্যের বরাত দিয়ে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম পিক্স১১ জানিয়েছে, ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষা ও ক্ষতিপূরণ আদায়ের বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে তাঁর কার্যালয় ৯০০ কোটি ডলারের বেশি অর্থ আদায় করেছে। এ ছাড়া অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের বিস্তার রোধে ৯ হাজার ৫০০টির বেশি অস্ত্র রাস্তা থেকে সরানোর উদ্যোগের কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ট্রাম্প প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মসূচির অর্থায়ন ও সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ৫০টির বেশি মামলা করেছেন জেমস। এসব মামলার মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা, সরকারি শিক্ষা ও কর্মসংস্থানসংক্রান্ত উদ্যোগও রয়েছে। তাঁর কার্যালয় ভোক্তা অধিকার, আবাসনসংক্রান্ত জালিয়াতি এবং অনলাইনে শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষার মতো বিষয়েও কাজ করেছে।

অ্যাটর্নি জেনারেল হওয়ার আগে ২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত নিউইয়র্ক সিটির পাবলিক অ্যাডভোকেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জেমস। এর আগে সিটি কাউন্সিলের ৩৫ নম্বর নির্বাচনী এলাকার প্রতিনিধি হিসেবে প্রায় ১০ বছর কাজ করেছেন তিনি।

পুনর্নির্বাচিত হলে অস্ত্র জমা দেওয়ার কর্মসূচি, আবাসনের অধিকার, নির্বাচনী নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্যসেবায় প্রবেশাধিকার রক্ষার কাজ অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।

রিপাবলিকান প্রার্থী সারিথা কোমাতিরেড্ডি বর্তমানে হল্টজম্যান ভোগেল আইন প্রতিষ্ঠানের অংশীদার। পাশাপাশি তিনি কলাম্বিয়া ল স্কুলে শিক্ষকতা করেন। এর আগে এক দশকের বেশি সময় নিউইয়র্কের ইস্টার্ন ডিস্ট্রিক্টের ফেডারেল আদালতে কৌঁসুলি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

২০২০ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁকে নিউইয়র্কের ইস্টার্ন ডিস্ট্রিক্টের ফেডারেল জেলা আদালতের বিচারক পদে মনোনয়ন দিয়েছিলেন। তবে এবার তিনি অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

কোমাতিরেড্ডি জননিরাপত্তা জোরদার, মানসিক স্বাস্থ্যসংক্রান্ত সমস্যা মোকাবিলা এবং নিউইয়র্কবাসীর অধিকার সুরক্ষাকে তাঁর প্রচারের প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে তুলে ধরেছেন। তাঁর প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে অপরাধ দমনে কৌঁসুলিদের ভূমিকা বাড়ানো, সরকারি অর্থের অপব্যবহার ও জালিয়াতির তদন্ত জোরদার করা এবং গৃহহীনদের আশ্রয়কেন্দ্রের নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা।

জামিন ছাড়াই কাউকে মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ বিবেচনায় নেওয়ার পক্ষেও অবস্থান নিয়েছেন তিনি। তাঁর মতে, পুনরাবৃত্ত অপরাধ, মাদক পাচার ও জননিরাপত্তাসংক্রান্ত সমস্যার মোকাবিলায় অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের আরও সক্রিয় ভূমিকা থাকা প্রয়োজন।

কর্মজীবনের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের ডিসি সার্কিটের আপিল আদালতে তৎকালীন বিচারক ব্রেট কাভানার সহকারী হিসেবে কাজ করেন কোমাতিরেড্ডি। পরে বিপি ডিপওয়াটার হরাইজন তেল নিঃসরণ দুর্ঘটনা নিয়ে গঠিত জাতীয় কমিশনের আইনবিষয়ক পরামর্শক ছিলেন।

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের সন্ত্রাসী হামলার পর তিনি আল-কায়েদা, ইসলামিক স্টেট এবং মেক্সিকোর মাদক পাচারকারী চক্রের নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা পরিচালনার কাজে যুক্ত হন। ফেডারেল কৌঁসুলি হিসেবে তাঁর কাজের ক্ষেত্রের মধ্যে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ, সাইবার অপরাধ, মাদক পাচার, অর্থপাচার, জালিয়াতি ও বিদেশি সরকারি কর্মকর্তাদের দুর্নীতিসংক্রান্ত মামলাও ছিল।

এ ছাড়া পররাষ্ট্রনীতি, ফৌজদারি আইন ও সাইবার নীতিবিষয়ক পরামর্শ দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আইন প্রয়োগকারী সংস্থায় কাজের স্বীকৃতিও পেয়েছেন কোমাতিরেড্ডি।

নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল অঙ্গরাজ্যের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সরকারি সিদ্ধান্তের বৈধতা রক্ষা, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ, জালিয়াতির তদন্ত এবং বিভিন্ন আইনি বিষয়ে অঙ্গরাজ্যের পক্ষে পদক্ষেপ নেওয়া এই পদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বের অংশ।

নির্বাচনে জেমস তাঁর দায়িত্বকালে ভোক্তা অধিকার রক্ষা ও ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে নেওয়া আইনি পদক্ষেপগুলোকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। অন্যদিকে কোমাতিরেড্ডি অপরাধ দমন, জননিরাপত্তা এবং অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়কে আরও সক্রিয়ভাবে আইন প্রয়োগের কাজে যুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।

আগামী ৩ নভেম্বরের নির্বাচনে ভোটারদের সিদ্ধান্তে এই দুই প্রার্থীর অভিজ্ঞতা, নীতিগত অগ্রাধিকার এবং অঙ্গরাজ্যের আইন প্রয়োগব্যবস্থা নিয়ে তাঁদের পরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।