ঢাকা ১১:০৯ , Sun, ২০ Sep ২০২৬

সাস্টের শিক্ষার্থী থেকে নাসায়: জলবায়ু গবেষণায় বৈশ্বিক মঞ্চে বাংলাদেশি তরুণ বিজ্ঞানী আবদুল্লাহ আল ফাহাদ

প্রজন্ম কথা ডেস্ক
  • প্রকাশঃ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯:১২
  • / 16
সাস্টের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ থেকে নাসার গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারে জলবায়ু গবেষণায় ড. আবদুল্লাহ আল ফাহাদ ছবি: সংগৃহীত 

সিলেট, ১৬ সেপ্টেম্বর, (প্রজন্ম কথা) – শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ থেকে শুরু হয়েছিল ড. আবদুল্লাহ আল ফাহাদের গবেষণার পথচলা। যুক্তরাষ্ট্রের জর্জ মেসন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জলবায়ু গতিবিদ্যায় পিএইচডি সম্পন্ন করার পর তিনি যোগ দেন নাসার গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারে।

বর্তমানে সেখানে গ্লোবাল মডেলিং অ্যান্ড অ্যাসিমিলেশন অফিসে সহকারী গবেষণা বিজ্ঞানী হিসেবে পৃথিবীর জলবায়ু, বায়ুমণ্ডল ও চরম আবহাওয়ার পরিবর্তন নিয়ে গবেষণা করছেন তিনি। নাসার তথ্য অনুযায়ী, তাঁর গবেষণার পরিধিতে জলবায়ু মডেলিং, বায়ুমণ্ডলীয় প্রবাহ, জলচক্র, সমুদ্র-বায়ুমণ্ডলের পারস্পরিক সম্পর্ক এবং বার্ষিক থেকে দশকব্যাপী জলবায়ু পূর্বাভাস রয়েছে।

২০১০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে স্নাতক পর্যায়ে পড়াশোনা করেন ফাহাদ। এরপর ২০১৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত জর্জ মেসন বিশ্ববিদ্যালয়ে জলবায়ু গতিবিদ্যায় পিএইচডি করেন। ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে তিনি নাসার গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারের গ্লোবাল মডেলিং অ্যান্ড অ্যাসিমিলেশন অফিসে গবেষণা সহযোগী বিজ্ঞানী হিসেবে যোগ দেন। ২০২৩ সালের মার্চ থেকে তিনি সেখানে সহকারী গবেষণা বিজ্ঞানী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

নাসায় তাঁর বর্তমান গবেষণার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো উপগ্রহ থেকে পাওয়া তথ্যকে জলবায়ু মডেলের সঙ্গে যুক্ত করে ভবিষ্যৎ জলবায়ু পরিস্থিতির পূর্বাভাস আরও উন্নত করা। তিনি নাসার গডার্ড আর্থ অবজারভিং সিস্টেমের সঙ্গে এমআইটির সমুদ্র-বায়ুমণ্ডলীয় মডেল ব্যবহার করে তথ্য একীভূতকরণ ব্যবস্থা উন্নয়নে কাজ করছেন।

এই গবেষণায় কয়েক বছর থেকে এক দশক পর্যন্ত সময়ের জলবায়ু পরিবর্তন ও পূর্বাভাসযোগ্যতা বোঝার চেষ্টা করা হচ্ছে। প্রকল্পটিতে এমআইটি, নাসার জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরি এবং ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট অস্টিনের গবেষকরাও যুক্ত রয়েছেন।

চরম আবহাওয়ার ঘটনাও তাঁর গবেষণার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ঘূর্ণিঝড়, অতিবৃষ্টি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে এসব ঘটনার পরিবর্তন কীভাবে ঘটছে, তা নিয়ে কাজ করছেন তিনি। বাংলাদেশের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ তাঁর ২০২৪ সালের একটি গবেষণা। ‘কোয়ার্টারলি জার্নাল অব দ্য রয়্যাল মিটিওরোলজিক্যাল সোসাইটি’তে প্রকাশিত ওই গবেষণায় ১৯৫০ থেকে ২০২১ সালের তথ্য বিশ্লেষণ করে বাংলাদেশ ও উত্তর-পূর্ব ভারতে বন্যা সৃষ্টিকারী চরম মৌসুমি বৃষ্টিপাতের পরিবর্তন পরীক্ষা করা হয়।

গবেষণায় দেখা যায়, পশ্চিম মেঘালয় ও বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে এক দিনের চরম বৃষ্টিপাতের ঘটনা ওই সময়ের মধ্যে প্রায় চার গুণ হয়েছে। জলবায়ু মডেলের ভবিষ্যৎ পূর্বাভাসেও এ ধরনের চরম বৃষ্টিপাত আরও বাড়ার ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

ফাহাদের গবেষণায় কম্পিউটেশনাল দক্ষতাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বড় পরিসরের জলবায়ু তথ্য বিশ্লেষণ, পরিসংখ্যানগত পদ্ধতি এবং সংখ্যাতাত্ত্বিক জলবায়ু মডেল ব্যবহারের পাশাপাশি তিনি প্রোগ্রামিংয়ের মাধ্যমে গবেষণার কাজ পরিচালনা করেন। নাসার বিজ্ঞানী পরিচিতিতে তিনি জানিয়েছেন, স্নাতক পর্যায়েই নিজ উদ্যোগে প্রোগ্রামিং ও জলবায়ু মডেল শেখা শুরু করেছিলেন।

তাঁর স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বায়ুমণ্ডলীয় বিজ্ঞানের পরীক্ষাগার না থাকায় অনলাইন কোর্সের মাধ্যমে জলবায়ু মডেল শেখার উদ্যোগ নেন। পরবর্তী সময়ে নিজে নিজে MATLAB ও Python শেখেন এবং বড় তথ্যভান্ডার বিশ্লেষণের দক্ষতা তৈরি করেন।

নাসার তথ্য অনুযায়ী, ফাহাদ বর্তমানে জলবায়ু মডেল ও উপগ্রহের তথ্য ব্যবহার করে চরম আবহাওয়া, উচ্চ রেজল্যুশনের জলবায়ু মডেল এবং বার্ষিক থেকে দশকব্যাপী জলবায়ু পূর্বাভাস নিয়ে কাজ করছেন। ২০২৩ সাল থেকে তিনি জলবায়ু মডেলবিষয়ক সিএমআইপি৭ টাস্ক গ্রুপের সহ-প্রধান বিজ্ঞানী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর গবেষণার লক্ষ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব আরও নির্ভুলভাবে বোঝা এবং ভবিষ্যৎ জলবায়ু পূর্বাভাসকে আরও কার্যকর করে তোলা।

বাংলাদেশে বেড়ে ওঠার অভিজ্ঞতাও তাঁর গবেষণার আগ্রহ তৈরিতে ভূমিকা রেখেছে। নাসার এক সাক্ষাৎকারে ফাহাদ বলেছেন, বাংলাদেশে বড় হওয়ার কারণে ঘূর্ণিঝড় ও আবহাওয়াজনিত প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে তিনি পরিচিত ছিলেন। উচ্চশিক্ষার শুরুতেই জলবায়ু পদার্থবিজ্ঞানে গবেষণার দিকে তাঁর আগ্রহ তৈরি হয় এবং পরবর্তী সময়ে সেটিই তাঁর গবেষণার মূল ক্ষেত্র হয়ে ওঠে।

সাস্টের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ থেকে শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রে জলবায়ু গতিবিদ্যায় পিএইচডি এবং এরপর নাসার গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারে গবেষণা, ড. আবদুল্লাহ আল ফাহাদের পথচলায় পদার্থবিজ্ঞান, কম্পিউটেশনাল দক্ষতা ও জলবায়ু গবেষণার সমন্বয় রয়েছে। তাঁর গবেষণার পরিধি বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন থেকে শুরু করে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার চরম বৃষ্টিপাতের মতো আঞ্চলিক সমস্যাকেও অন্তর্ভুক্ত করছে।

❤️
👏
🙂
😞

সাস্টের শিক্ষার্থী থেকে নাসায়: জলবায়ু গবেষণায় বৈশ্বিক মঞ্চে বাংলাদেশি তরুণ বিজ্ঞানী আবদুল্লাহ আল ফাহাদ

প্রকাশঃ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯:১২

সিলেট, ১৬ সেপ্টেম্বর, (প্রজন্ম কথা) – শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ থেকে শুরু হয়েছিল ড. আবদুল্লাহ আল ফাহাদের গবেষণার পথচলা। যুক্তরাষ্ট্রের জর্জ মেসন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জলবায়ু গতিবিদ্যায় পিএইচডি সম্পন্ন করার পর তিনি যোগ দেন নাসার গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারে।

বর্তমানে সেখানে গ্লোবাল মডেলিং অ্যান্ড অ্যাসিমিলেশন অফিসে সহকারী গবেষণা বিজ্ঞানী হিসেবে পৃথিবীর জলবায়ু, বায়ুমণ্ডল ও চরম আবহাওয়ার পরিবর্তন নিয়ে গবেষণা করছেন তিনি। নাসার তথ্য অনুযায়ী, তাঁর গবেষণার পরিধিতে জলবায়ু মডেলিং, বায়ুমণ্ডলীয় প্রবাহ, জলচক্র, সমুদ্র-বায়ুমণ্ডলের পারস্পরিক সম্পর্ক এবং বার্ষিক থেকে দশকব্যাপী জলবায়ু পূর্বাভাস রয়েছে।

২০১০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে স্নাতক পর্যায়ে পড়াশোনা করেন ফাহাদ। এরপর ২০১৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত জর্জ মেসন বিশ্ববিদ্যালয়ে জলবায়ু গতিবিদ্যায় পিএইচডি করেন। ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে তিনি নাসার গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারের গ্লোবাল মডেলিং অ্যান্ড অ্যাসিমিলেশন অফিসে গবেষণা সহযোগী বিজ্ঞানী হিসেবে যোগ দেন। ২০২৩ সালের মার্চ থেকে তিনি সেখানে সহকারী গবেষণা বিজ্ঞানী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

নাসায় তাঁর বর্তমান গবেষণার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো উপগ্রহ থেকে পাওয়া তথ্যকে জলবায়ু মডেলের সঙ্গে যুক্ত করে ভবিষ্যৎ জলবায়ু পরিস্থিতির পূর্বাভাস আরও উন্নত করা। তিনি নাসার গডার্ড আর্থ অবজারভিং সিস্টেমের সঙ্গে এমআইটির সমুদ্র-বায়ুমণ্ডলীয় মডেল ব্যবহার করে তথ্য একীভূতকরণ ব্যবস্থা উন্নয়নে কাজ করছেন।

এই গবেষণায় কয়েক বছর থেকে এক দশক পর্যন্ত সময়ের জলবায়ু পরিবর্তন ও পূর্বাভাসযোগ্যতা বোঝার চেষ্টা করা হচ্ছে। প্রকল্পটিতে এমআইটি, নাসার জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরি এবং ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট অস্টিনের গবেষকরাও যুক্ত রয়েছেন।

চরম আবহাওয়ার ঘটনাও তাঁর গবেষণার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ঘূর্ণিঝড়, অতিবৃষ্টি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে এসব ঘটনার পরিবর্তন কীভাবে ঘটছে, তা নিয়ে কাজ করছেন তিনি। বাংলাদেশের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ তাঁর ২০২৪ সালের একটি গবেষণা। ‘কোয়ার্টারলি জার্নাল অব দ্য রয়্যাল মিটিওরোলজিক্যাল সোসাইটি’তে প্রকাশিত ওই গবেষণায় ১৯৫০ থেকে ২০২১ সালের তথ্য বিশ্লেষণ করে বাংলাদেশ ও উত্তর-পূর্ব ভারতে বন্যা সৃষ্টিকারী চরম মৌসুমি বৃষ্টিপাতের পরিবর্তন পরীক্ষা করা হয়।

গবেষণায় দেখা যায়, পশ্চিম মেঘালয় ও বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে এক দিনের চরম বৃষ্টিপাতের ঘটনা ওই সময়ের মধ্যে প্রায় চার গুণ হয়েছে। জলবায়ু মডেলের ভবিষ্যৎ পূর্বাভাসেও এ ধরনের চরম বৃষ্টিপাত আরও বাড়ার ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

ফাহাদের গবেষণায় কম্পিউটেশনাল দক্ষতাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বড় পরিসরের জলবায়ু তথ্য বিশ্লেষণ, পরিসংখ্যানগত পদ্ধতি এবং সংখ্যাতাত্ত্বিক জলবায়ু মডেল ব্যবহারের পাশাপাশি তিনি প্রোগ্রামিংয়ের মাধ্যমে গবেষণার কাজ পরিচালনা করেন। নাসার বিজ্ঞানী পরিচিতিতে তিনি জানিয়েছেন, স্নাতক পর্যায়েই নিজ উদ্যোগে প্রোগ্রামিং ও জলবায়ু মডেল শেখা শুরু করেছিলেন।

তাঁর স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বায়ুমণ্ডলীয় বিজ্ঞানের পরীক্ষাগার না থাকায় অনলাইন কোর্সের মাধ্যমে জলবায়ু মডেল শেখার উদ্যোগ নেন। পরবর্তী সময়ে নিজে নিজে MATLAB ও Python শেখেন এবং বড় তথ্যভান্ডার বিশ্লেষণের দক্ষতা তৈরি করেন।

নাসার তথ্য অনুযায়ী, ফাহাদ বর্তমানে জলবায়ু মডেল ও উপগ্রহের তথ্য ব্যবহার করে চরম আবহাওয়া, উচ্চ রেজল্যুশনের জলবায়ু মডেল এবং বার্ষিক থেকে দশকব্যাপী জলবায়ু পূর্বাভাস নিয়ে কাজ করছেন। ২০২৩ সাল থেকে তিনি জলবায়ু মডেলবিষয়ক সিএমআইপি৭ টাস্ক গ্রুপের সহ-প্রধান বিজ্ঞানী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর গবেষণার লক্ষ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব আরও নির্ভুলভাবে বোঝা এবং ভবিষ্যৎ জলবায়ু পূর্বাভাসকে আরও কার্যকর করে তোলা।

বাংলাদেশে বেড়ে ওঠার অভিজ্ঞতাও তাঁর গবেষণার আগ্রহ তৈরিতে ভূমিকা রেখেছে। নাসার এক সাক্ষাৎকারে ফাহাদ বলেছেন, বাংলাদেশে বড় হওয়ার কারণে ঘূর্ণিঝড় ও আবহাওয়াজনিত প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে তিনি পরিচিত ছিলেন। উচ্চশিক্ষার শুরুতেই জলবায়ু পদার্থবিজ্ঞানে গবেষণার দিকে তাঁর আগ্রহ তৈরি হয় এবং পরবর্তী সময়ে সেটিই তাঁর গবেষণার মূল ক্ষেত্র হয়ে ওঠে।

সাস্টের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ থেকে শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রে জলবায়ু গতিবিদ্যায় পিএইচডি এবং এরপর নাসার গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারে গবেষণা, ড. আবদুল্লাহ আল ফাহাদের পথচলায় পদার্থবিজ্ঞান, কম্পিউটেশনাল দক্ষতা ও জলবায়ু গবেষণার সমন্বয় রয়েছে। তাঁর গবেষণার পরিধি বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন থেকে শুরু করে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার চরম বৃষ্টিপাতের মতো আঞ্চলিক সমস্যাকেও অন্তর্ভুক্ত করছে।