মহাবিশ্ব পেরিয়ে: নিজের তৈরি টেলিস্কোপে মহাকাশের ছবি তুলছেন বাংলাদেশের জুবায়ের
- প্রকাশঃ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯:৩৬
- / 1
ঢাকা, ১৫ সেপ্টেম্বর, (প্রজন্ম কথা) – শহরের কৃত্রিম আলোর আড়ালে থাকা রাতের আকাশের অনেক কিছুই খালি চোখে দেখা যায় না। অথচ সেই দূরের নীহারিকা, ছায়াপথ আর মহাজাগতিক দৃশ্যই নিজের তৈরি টেলিস্কোপে ক্যামেরাবন্দি করছেন ঢাকার জুবায়ের কাওলিন। ওরিয়ন, ঈগল ও রোসেট নীহারিকার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের পর দেশ-বিদেশের মানুষের নজর কেড়েছে তাঁর কাজ।
জুবায়ের পেশায় অ্যানিমেটর ও চলচ্চিত্র নির্মাতা। ২০১৯ সাল থেকে নিজের তৈরি টেলিস্কোপ ব্যবহার করে অ্যাস্ট্রোফটোগ্রাফি করছেন তিনি। দীর্ঘদিনের ফটোগ্রাফি, অ্যানিমেশন, কম্পিউটার গ্রাফিক্স, ইলেকট্রনিক্স ও ত্রিমাত্রিক মুদ্রণ প্রযুক্তির অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করেছেন নিজের প্রয়োজনের নানা যন্ত্র ও সরঞ্জাম।
অ্যাস্ট্রোফটোগ্রাফি হলো জ্যোতির্বিদ্যাগত বস্তু ও মহাকাশীয় ঘটনাকে বিশেষ ফটোগ্রাফিক কৌশলে ধারণ করার প্রক্রিয়া। খালি চোখে দেখা সম্ভব নয় এমন দূরবর্তী নীহারিকা, ছায়াপথ ও অন্যান্য মহাজাগতিক বস্তুর ছবি তুলতে এতে টেলিস্কোপ, ক্যামেরা, ফিল্টার এবং দীর্ঘ সময়ের ছবি প্রক্রিয়াজাতকরণের মতো প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। জুবায়েরের ক্ষেত্রে এই কাজের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নিজের যন্ত্র নিজে তৈরি করার দীর্ঘদিনের আগ্রহ।
শৈশবেই শুরু টেলিস্কোপ তৈরির গল্প
টেলিস্কোপ তৈরির সঙ্গে জুবায়েরের পরিচয় আজকের নয়। ১৯৯৮ সালে মাত্র ১২ বছর বয়সে প্রথম টেলিস্কোপ তৈরি করেন তিনি। নিজের সঞ্চয়, মায়ের সহায়তায় পাওয়া প্রথম কম্পিউটার, বিজ্ঞানবিষয়ক বই এবং মহাকাশ নিয়ে কৌতূহল তাঁকে তখন থেকেই টেনে নেয়।
বাড়ির কাছের একটি চশমার দোকান থেকে প্রয়োজনীয় লেন্স সংগ্রহ করেছিলেন জুবায়ের। মায়ের কাছ থেকে পাওয়া কাগজের টিউব দিয়ে তৈরি করেছিলেন টেলিস্কোপের কাঠামো। এমনকি রান্নাঘরের ছুরি দিয়ে সেই টিউব কেটে প্রয়োজনমতো জোড়া লাগিয়ে তৈরি করেছিলেন নিজের যন্ত্র।
সেই টেলিস্কোপ দিয়ে দূরের বিভিন্ন বস্তু দেখার পাশাপাশি কৃত্তিকা নক্ষত্রপুঞ্জের দিকেও তাকিয়েছিলেন তিনি। খালি চোখে যতটা দেখা যায়, তার চেয়ে বেশি কিছু দেখতে পাওয়ার অভিজ্ঞতা তাঁকে আরও উৎসাহী করে তোলে। তখনই বড় হয়ে আরও ভালো টেলিস্কোপ তৈরির সংকল্প করেছিলেন। বছর পেরিয়ে শৈশবের সেই আগ্রহই তাঁকে নিয়ে যায় অ্যাস্ট্রোফটোগ্রাফির দিকে।
মহাকাশ পর্যবেক্ষণের জন্য নিজেদের যন্ত্র তৈরি করা পুরোনো দিনের জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের কাজও জুবায়েরকে অনুপ্রাণিত করেছে। গ্যালিলিও গ্যালিলি, জোহানেস কেপলার, উইলিয়াম হার্শেল ও চার্লস মেসিয়েরসহ প্রাথমিক যুগের জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের তিনি নিজের অনুপ্রেরণা হিসেবে উল্লেখ করেন।
জুবায়েরের ভাষায়, এসব বিজ্ঞানীর অনেক সীমাবদ্ধতা ছিল। তবু নিজেদের তৈরি যন্ত্র ব্যবহার করে তাঁরা জ্ঞানের সীমানা এগিয়ে নিয়েছিলেন। সেই ধারার প্রতি আকর্ষণ থেকেই নিজের টেলিস্কোপ তৈরির কাজকে ব্যক্তিগত চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছিলেন তিনি।
২০১৯ সালে অ্যাস্ট্রোফটোগ্রাফির নতুন যাত্রা
অ্যাস্ট্রোফটোগ্রাফির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করেন ২০১৯ সালে। এর আগে ২০১৭ সাল থেকে পেশাগতভাবে ত্রিমাত্রিক মুদ্রণ প্রযুক্তি এবং ২০১৮ সাল থেকে ইলেকট্রনিক্স নিয়ে কাজ করছিলেন তিনি। ফলে টেলিস্কোপ তৈরির নকশা ও প্রযুক্তিগত কাজ তাঁর কাছে তুলনামূলক সহজ হয়ে ওঠে।
জুবায়েরের আগ্রহের মূল জায়গা ছিল দূরবর্তী আকাশ। বিশেষ করে ছায়াপথ ও নীহারিকার ছবি তুলতে চেয়েছিলেন তিনি।
নিজের তৈরি প্রথম টেলিস্কোপ শেষ করার পর ২০১৯ সালের ২৬ ডিসেম্বরের একটি ঘটনাকে এখনো বিশেষভাবে মনে রেখেছেন জুবায়ের। সেদিন সকাল ৭টার দিকে ছাদে গিয়ে তিনি আকাশে আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখতে পান। নতুন তৈরি টেলিস্কোপে ক্যামেরা বসিয়ে তখনই কয়েকটি ছবি তুলে ফেলেন। যদিও তখনও টেলিস্কোপটির ফোকাস নিয়ে কাজ বাকি ছিল।
সেই ছবিই পরে তাঁর প্রোফাইল ছবির অংশ হয়ে ওঠে। দীর্ঘ সময় ফেসবুক থেকে দূরে থাকলেও ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে অ্যাস্ট্রোফটোগ্রাফির আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে যুক্ত হন জুবায়ের। বিদেশি অ্যাস্ট্রোফটোগ্রাফারদের কাজ দেখে তিনি অনুপ্রাণিত হন এবং নিজের ছবিও সেখানে প্রকাশ করতে শুরু করেন। পরবর্তীতে তাঁর বেশিরভাগ দর্শকই বিদেশি হয়ে ওঠে।
বাংলাদেশের ‘স্টার পার্টি বাংলাদেশ’ নামের একটি ফেসবুক গ্রুপেও নিজের ওরিয়ন নীহারিকার ছবি প্রকাশ করেন জুবায়ের। ছবিটি দ্রুত মানুষের নজর কাড়ে। গ্রুপের সদস্যরা নীহারিকার আকার ও প্রকৃতি নিয়ে নানা প্রশ্ন করতে শুরু করেন।
জুবায়েরের কাছে বিষয়টি আনন্দের। তাঁর কাজের মাধ্যমে মানুষ ছায়াপথ ও নীহারিকা নিয়ে আলোচনা করছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশি দর্শকদের মধ্যে চাঁদের ছবির প্রতি বেশি আগ্রহ থাকবে বলে ভেবেছিলেন। কিন্তু নীহারিকার ছবিই বেশি সাড়া পেয়েছে। বিদেশি দর্শকদের ক্ষেত্রে আবার এর বিপরীত প্রতিক্রিয়া দেখেছেন তিনি।
নিজের যন্ত্র, নিজের প্রযুক্তি
জুবায়েরের টেলিস্কোপ পুরোপুরি স্থানীয় উপকরণে তৈরি নয়। টেলিস্কোপের গুরুত্বপূর্ণ উপাদানগুলোর একটি ১০২ মিলিমিটার অ্যাপারচার ও ৯০০ মিলিমিটার ফোকাল দৈর্ঘ্যের অবজেক্টিভ লেন্স। এটি চীনের একটি অনলাইন দোকান থেকে কিনেছেন তিনি। এতে তাঁর প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ ডলার খরচ হয়।
টেলিস্কোপের মূল কাঠামো তৈরি করেছেন স্থানীয় হার্ডওয়্যারের দোকান থেকে কেনা চার ও পাঁচ ইঞ্চি পিভিসি পাইপ দিয়ে। অধিকাংশ ইলেকট্রনিক উপাদান স্থানীয় অনলাইন দোকান থেকে সংগ্রহ করেছেন।
তাঁর ব্যবহৃত ডেস্কটপ ত্রিমাত্রিক মুদ্রণযন্ত্রও ঢাকায় কেনা। নকশা তৈরিতে তিনি ফিউশন৩৬০ ব্যবহার করেন এবং পরে ত্রিমাত্রিক মুদ্রণযন্ত্রে সেগুলো তৈরি করেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, লেন্স ছাড়া টেলিস্কোপের অধিকাংশ অংশই নিজস্ব নকশায় তৈরি।
শুধু ব্যবহৃত উপকরণের হিসাব ধরলে একটি টেলিস্কোপ তৈরিতে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে বলে জানান তিনি।
তবে টেলিস্কোপের পাশাপাশি দূরবর্তী মহাকাশের ছবি তুলতে একটি রোবোটিক ট্র্যাকিং মাউন্টও ব্যবহার করেন জুবায়ের। সেটি স্থানীয়ভাবে না পাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করতে হয়েছে।
একই সঙ্গে ২০১৯ সাল থেকে নিজের একটি রোবোটিক ট্র্যাকিং মাউন্ট তৈরির কাজও করছেন তিনি। সেটি এখনো শেষ হয়নি।
পেশার আয়েই চলছে মহাকাশের কাজ
জুবায়ের ২০১০ সাল থেকে নিজের অ্যানিমেশন স্টুডিও ‘অগ্নিরথ স্টুডিওস’ পরিচালনা করছেন। প্রতিষ্ঠানটি ভিএফএক্স ও অ্যানিমেশন নিয়ে কাজ করে। তাঁর পেশাগত কাজ থেকেই অ্যাস্ট্রোফটোগ্রাফির সরঞ্জাম কেনার অর্থ এসেছে।
কোভিড-১৯ মহামারির সময়ে বড় অ্যানিমেশন প্রকল্পের কাজ পাওয়ার পর ট্র্যাকিং মাউন্ট, ক্যামেরাসহ প্রয়োজনীয় কিছু সরঞ্জাম কেনা সম্ভব হয় বলে জানান তিনি। তবে অ্যাস্ট্রোফটোগ্রাফি থেকে তাঁর উল্লেখযোগ্য আয় হয় না। নিজের কিছু ছবি বিক্রি করলেও তা লাভজনক হয়নি বলে জানান জুবায়ের।
সম্প্রতি তাঁর তৈরি টেলিস্কোপ কেনার জন্য অপরিচিত ব্যক্তিদের কাছ থেকেও অর্ডারের অনুরোধ পাচ্ছেন তিনি। তবে নিজের তৈরি যন্ত্রকে ব্যবসায়িকভাবে বাজারজাত করা সহজ নয় বলেও মনে করেন তিনি।
জুবায়েরের মতে, কোনো জিনিস নিজের হাতে তৈরি করা মানেই সেটি সস্তা হবে এমন ধারণা ঠিক নয়। ব্যবসায়িকভাবে উৎপাদন করতে গেলে নকশা, উপকরণ, উৎপাদন ও অন্যান্য খরচ যুক্ত হয়। ফলে একটি নিজস্বভাবে তৈরি টেলিস্কোপ বাজারের নতুন টেলিস্কোপের চেয়েও ব্যয়বহুল হতে পারে।
তবে স্থানীয়ভাবে এ ধরনের প্রযুক্তি ও উপকরণ আরও বেশি তৈরি করা গেলে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে বলে মনে করেন তিনি।
প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা পেরোনোর চেষ্টা
বর্তমানে জুবায়ের যে টেলিস্কোপ ব্যবহার করেন সেটি একটি রিফ্র্যাক্টর টেলিস্কোপ। এতে দুটি উপাদান থাকায় লাল ও সবুজ রং ভালোভাবে ধারণ করা গেলেও নীল রং কিছুটা ডিফোকাস হয়ে যায়। পরে ছবি প্রক্রিয়াজাত করার মাধ্যমে সেই সীমাবদ্ধতা কমানোর চেষ্টা করেন তিনি।
তিনি রিফ্লেক্টর টেলিস্কোপ তৈরির কাজও করছেন। একই সঙ্গে আয়না তৈরির জন্য একটি যন্ত্র তৈরির পরীক্ষা চালাচ্ছেন। কাজটি শেষ হলে এ বিষয়ে আরও জানাবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
দূরবর্তী ছায়াপথের ছবি তোলার ক্ষেত্রেও ঢাকার আলো দূষণ বড় বাধা। এ ধরনের ছবির জন্য বিস্তৃত রঙের বর্ণালি প্রয়োজন হয়। তার সঙ্গে বর্ণবিকৃতি ও শহরের কৃত্রিম আলোর প্রভাব যুক্ত হওয়ায় ঢাকা থেকে পরিষ্কার ছবি তোলা কঠিন হয়ে পড়ে।
নীহারিকার ছবি তোলার সময় তিনি ন্যারোব্যান্ড ফিল্টার ব্যবহার করেন। এতে নীহারিকার হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের নির্দিষ্ট অংশের আলো ধারণ করা যায়।
আন্তর্জাতিক পর্যায়েও প্রদর্শিত হয়েছে তাঁর কাজ
জুবায়েরের কাজ আন্তর্জাতিক পর্যায়েও প্রদর্শিত হয়েছে। ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার পক্ষ থেকে একসময় তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের প্ল্যাটফর্মে তাঁর কাজ যুক্ত করার আগ্রহ প্রকাশ করা হয়। পরে নিজের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি তাদের জন্য একটি লেখা লেখেন।
এ ছাড়া সনি ও নাসার মতো বড় প্রতিষ্ঠানও তাঁর কাজ প্রদর্শন করেছে বলে জানান তিনি। এসব স্বীকৃতি তাঁর আগ্রহ আরও বাড়িয়েছে। মানুষের কাছ থেকে তাঁর ছবির প্রতি আগ্রহ, প্রশংসা ও শেয়ার করার প্রবণতা তাঁকে আরও ছবি তুলতে উৎসাহিত করে বলে জানান জুবায়ের।
মহাকাশের ছবির পাশাপাশি আলো দূষণ নিয়েও ভাবনা
অ্যাস্ট্রোফটোগ্রাফির বাইরে জুবায়েরের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ আগ্রহ আলো দূষণ। তাঁর মতে, এর প্রভাব রাতের আকাশ দেখা বা মহাকাশের ছবি তোলার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বন্যপ্রাণী, প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক পরিবেশের ওপরও এর প্রভাব রয়েছে।
তিনি রাতের অপ্রয়োজনীয় সাদা আলো কমানোর পক্ষে। শহরের রাস্তার আলোর ওপর এমন আবরণ ব্যবহারের পরামর্শ দেন, যাতে আলো ওপরের দিকে না গিয়ে প্রয়োজনীয় স্থানে পড়ে। একই সঙ্গে ডিজিটাল বিলবোর্ডের অতিরিক্ত উজ্জ্বলতা কমানো এবং ব্যক্তিগত বাসাবাড়িতে রাতে অপ্রয়োজনীয় সাদা আলোর ব্যবহার কমানোর কথাও বলেন তিনি।
কক্সবাজারের ইনানী সৈকতে নিজের অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন জুবায়ের। একসময় সেখানে রাতের অন্ধকারে জোনাকি ও অসংখ্য তারা দেখা যেত বলে জানান তিনি। এখন অতিরিক্ত আলোর কারণে সেই দৃশ্য অনেকটাই হারিয়ে গেছে বলে তাঁর পর্যবেক্ষণ।
জুবায়েরের কাছে রাতের আকাশ তাই মহাকাশের ছবি তোলার একটি ক্ষেত্রের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণযোগ্য একটি অভিজ্ঞতাও। দায়িত্বশীলভাবে আলো ব্যবহার করা গেলে ভবিষ্যতের শিশুরাও আকাশের দিকে তাকিয়ে নক্ষত্রপুঞ্জ ও ছায়াপথ সম্পর্কে জানতে পারবে বলে মনে করেন তিনি।
শৈশবে কাগজের টিউব, একটি লেন্স আর নিজের কৌতূহল দিয়ে যে টেলিস্কোপ তৈরির শুরু, সময়ের সঙ্গে তা রূপ নিয়েছে মহাকাশের দূরবর্তী নীহারিকা ও ছায়াপথ ধারণের প্রযুক্তিগত কাজে। জুবায়ের কাওলিনের পথচলায় সেই কৌতূহল এখনো আছে, তবে তার পরিধি পেরিয়ে গেছে ঘরের ছাদ থেকে অনেক দূরের মহাবিশ্ব পর্যন্ত।



























