ঢাকা ০৬:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নির্ধারিত স্থান ছাড়া কোথাও পশুর হাট বসতে দেওয়া হবে না: ডিএনসিসি প্রশাসক

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশঃ ০৬:০২:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬
  • / 4

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন-এর প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, বৈধভাবে ইজারা দেওয়া ও নির্ধারিত স্থান ছাড়া রাজধানীর কোথাও কোরবানির পশুর হাট বসতে দেওয়া হবে না। অবৈধভাবে পশু কেনাবেচা করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বুধবার (২০ মে) রাজধানীর গুলশানে ডিএনসিসির নগরভবনে কোরবানির পশুর হাট ব্যবস্থাপনা নিয়ে ইজারাদার ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আয়োজিত এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, “নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী কোরবানির পশুর হাট পাঁচ দিনের জন্য বসবে। এর আগে কোনো ধরনের বেচাকেনা বা কার্যক্রম পরিচালনা করা হলে তা অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে।”

তিনি জানান, হাট ব্যবস্থাপনা ও অনিয়ম প্রতিরোধে প্রায় ১০০ জন কর্মকর্তাকে ম্যাজিস্ট্রেট ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। তারা যেকোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করবেন। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ভ্রাম্যমাণ আদালত মাঠে সক্রিয় থাকবে বলেও জানান তিনি।

সভায় প্রশাসক আরও বলেন, পশু বিক্রির অর্থ থেকে ইজারাদাররা সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ হাসিল নিতে পারবেন। এর বাইরে বিক্রেতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা যাবে না।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়ে তিনি বলেন, হাটের প্রতিদিনের বর্জ্য প্রতিদিনই নির্ধারিত স্থানে অপসারণ করতে হবে, যাতে দুর্গন্ধ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি না হয়।

নারী ও শিশুদের নিরাপত্তার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করে শফিকুল ইসলাম খান বলেন, বর্তমানে পরিবারের নারী সদস্য ও শিশুরাও পশুর হাটে যান। তাই তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এ লক্ষ্যে হাট এলাকায় নারীদের জন্য ‘পিংক টয়লেট’ স্থাপন এবং পানি জমে না থাকার ব্যবস্থা করতে ইজারাদারদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রাসঙ্গিক

শেয়ার করুন

নির্ধারিত স্থান ছাড়া কোথাও পশুর হাট বসতে দেওয়া হবে না: ডিএনসিসি প্রশাসক

প্রকাশঃ ০৬:০২:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন-এর প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, বৈধভাবে ইজারা দেওয়া ও নির্ধারিত স্থান ছাড়া রাজধানীর কোথাও কোরবানির পশুর হাট বসতে দেওয়া হবে না। অবৈধভাবে পশু কেনাবেচা করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বুধবার (২০ মে) রাজধানীর গুলশানে ডিএনসিসির নগরভবনে কোরবানির পশুর হাট ব্যবস্থাপনা নিয়ে ইজারাদার ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আয়োজিত এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, “নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী কোরবানির পশুর হাট পাঁচ দিনের জন্য বসবে। এর আগে কোনো ধরনের বেচাকেনা বা কার্যক্রম পরিচালনা করা হলে তা অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে।”

তিনি জানান, হাট ব্যবস্থাপনা ও অনিয়ম প্রতিরোধে প্রায় ১০০ জন কর্মকর্তাকে ম্যাজিস্ট্রেট ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। তারা যেকোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করবেন। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ভ্রাম্যমাণ আদালত মাঠে সক্রিয় থাকবে বলেও জানান তিনি।

সভায় প্রশাসক আরও বলেন, পশু বিক্রির অর্থ থেকে ইজারাদাররা সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ হাসিল নিতে পারবেন। এর বাইরে বিক্রেতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা যাবে না।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়ে তিনি বলেন, হাটের প্রতিদিনের বর্জ্য প্রতিদিনই নির্ধারিত স্থানে অপসারণ করতে হবে, যাতে দুর্গন্ধ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি না হয়।

নারী ও শিশুদের নিরাপত্তার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করে শফিকুল ইসলাম খান বলেন, বর্তমানে পরিবারের নারী সদস্য ও শিশুরাও পশুর হাটে যান। তাই তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এ লক্ষ্যে হাট এলাকায় নারীদের জন্য ‘পিংক টয়লেট’ স্থাপন এবং পানি জমে না থাকার ব্যবস্থা করতে ইজারাদারদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।