কুষ্টিয়ায় আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা: বাদী ইবি ছাত্রদল নেতা
- প্রকাশঃ ০৩:০৮:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬
- / 16
কুষ্টিয়ায় জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ও আলোচিত ইসলামি বক্তা মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগে ফৌজদারি মামলার আবেদন করা হয়েছে।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সদর আমলি আদালতে মামলার আবেদন করেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সোলায়মান চৌধুরী শিহাব। আদালতের বিচারক দেলোয়ার হোসেন মামলাটি আমলে নিয়ে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি আদেশের দিন ধার্য করেছেন।
মামলার আবেদনে উল্লেখ করা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত একাধিক ভিডিওতে ওয়াজ মাহফিলে বক্তব্য প্রদানকালে মুফতি আমির হামজা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র, মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর নাম ব্যঙ্গাত্মকভাবে বিকৃত করে অবমাননাকর শব্দ ব্যবহার করেন। একই সঙ্গে তিনি বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে পূর্বে দায়েরকৃত মামলায় কারাবাসের প্রসঙ্গ টেনে বিদ্রূপমূলক ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন, যা স্পষ্টতই মানহানিকর বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
আবেদনে আরও বলা হয়, এসব বক্তব্যের মাধ্যমে মরহুম আরাফাত রহমান কোকো ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সম্মান, সুনাম ও মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়েছে। এর ফলে তাদের পরিবারবর্গ, শুভানুধ্যায়ী এবং দেশের জাতীয়তাবাদী কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সামাজিক অপমান ও মানসিক ক্ষতির সৃষ্টি হয়েছে।
বাদি দাবি করেন, গত ১৬ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের লালন শাহ হল এলাকায় অবস্থানকালে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উক্ত ভিডিওগুলো দেখেন ও শোনেন। আসামি ইচ্ছাকৃতভাবে ও বিদ্বেষপ্রসূত মনোভাব থেকে এ ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়।
মামলার আবেদনে বাংলাদেশ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৫০০/৫০১/৫০৬ অনুযায়ী অভিযোগ আমলে গ্রহণ করে আসামির বিরুদ্ধে সমন বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন জানানো হয়েছে।
বাদি সোলায়মান চৌধুরী শিহাব বলেন, এটি আমাদের সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নয়। আমি ব্যক্তিগত উদ্যোগে আদালতে মামলার আবেদন করেছি।
মামলার আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ বলেন, আদালত মামলাটি আমলে নিয়েছেন এবং আগামী ১ ফেব্রুয়ারি আদেশের জন্য দিন ধার্য করেছেন। আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই ন্যায়বিচার পাওয়া যাবে বলে আমরা আশাবাদী।
এ বিষয়ে মুফতি আমির হামজা বলেন, মামলার আবেদনের বিষয়টি জেনেছি। আমি আজ বিকেলেই আদালতে ছিলাম। যতটুকু জানি, এই মামলার কোনো ভিত্তি নেই। এখনও কোনো নোটিশ পাইনি।



























