ঢাকা ০৬:৫৫ , Sun, ২৭ Sep ২০২৬
বিশ্বসমাচার
অস্ট্রেলিয়া

ফসল কাটার মৌসুমে জরুরি শ্রমিকের ভিসা দ্রুত দেবে অস্ট্রেলিয়া

নাঈমুল রাজ্জাক
  • প্রকাশঃ ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২২
  • / 8
ফসল কাটার মৌসুমে শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় জরুরি কৃষিশ্রমিকদের ভিসা আবেদন দ্রুত প্রক্রিয়াকরণের ব্যবস্থা করেছে অস্ট্রেলিয়া। ছবি: প্রজন্ম কথা

ক্যানবেরা, ২৬ সেপ্টেম্বর, (প্রজন্ম কথা) – ফসল কাটার মৌসুম সামনে রেখে কৃষি খাতে জরুরি প্রয়োজনীয় বিদেশি শ্রমিকদের ভিসা আবেদন দ্রুত প্রক্রিয়াকরণের জন্য অগ্রাধিকার ব্যবস্থা চালু করেছে অস্ট্রেলিয়া। দেশটির কৃষি খাতে শ্রমিক সংকটের আশঙ্কার মধ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে গ্রেইন প্রডিউসারস অস্ট্রেলিয়া।

অস্ট্রেলিয়ার গম, বার্লি ও ক্যানোলার ফসল কাটার মৌসুম আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে শুরু হওয়ার কথা। এসব ফসল ঘরে তুলতে দেশটির অনেক খামার মৌসুমি বিদেশি শ্রমিকের ওপর নির্ভর করে। ভিসা আবেদনের দীর্ঘসূত্রতার কারণে প্রয়োজনীয় সময়ে শ্রমিক না পাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।

নতুন ব্যবস্থায় যেসব শ্রমিক ইতোমধ্যে ওয়ার্কিং হলিডে মেকার ভিসার জন্য আবেদন করেছেন, নির্দিষ্ট খামারে তাদের কাজের ব্যবস্থা রয়েছে এবং সময়মতো তাদের উপস্থিতি ওই খামারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, সেসব জরুরি আবেদন অগ্রাধিকার দিয়ে জমা দেওয়া যাবে। রাজ্যভিত্তিক কৃষি সংগঠন ও ন্যাশনাল ফার্মার্স ফেডারেশনের মাধ্যমে এসব আবেদন স্বরাষ্ট্র দপ্তরের কাছে পাঠানো হবে।

গ্রেইন প্রডিউসারস অস্ট্রেলিয়ার চেয়ারম্যান ম্যাথিউ ম্যাডেন বলেন, জরুরি শ্রমিকদের দ্রুত দেশে আনার জন্য ব্যবস্থা পাওয়াকে তারা স্বাগত জানাচ্ছেন। তবে নতুন প্রক্রিয়াটি বাস্তবে কতটা কার্যকর হবে এবং কতসংখ্যক আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

তিনি বলেন, কৃষকদের কাছে এখন এমন একটি ব্যবস্থা থাকবে বলে তারা আশা করছেন, যার মাধ্যমে ফসল কাটার মৌসুমে প্রয়োজনীয় শ্রমিকদের সময়মতো আনা সম্ভব হবে।

তবে অগ্রাধিকার প্রক্রিয়ায় আবেদন করলেই দ্রুত ভিসা অনুমোদন নিশ্চিত হবে না। গ্রেইন প্রডিউসারস অস্ট্রেলিয়া জানিয়েছে, প্রতিটি আবেদনের ক্ষেত্রে খামারের নাম, যোগাযোগের তথ্য, শ্রমিকের নাম ও জন্মতারিখ, ভিসা আবেদনের নম্বর এবং সম্ভাব্য কাজে যোগদানের তারিখসহ প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে।

অস্ট্রেলিয়ার কৃষি খাতে শ্রমিক সংকটের বিষয়টি নতুন নয়। গ্রেইন প্রডিউসারস অস্ট্রেলিয়ার তথ্য অনুযায়ী, দেশটির বিভিন্ন শস্য উৎপাদনকারী অঞ্চলে মৌসুমি শ্রমিকের ঘাটতি দীর্ঘদিনের সমস্যা। ২০২৬ সালের ফসল কাটার মৌসুমেও সংগঠনটি বিদেশি শ্রমিকের পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে শ্রমিক সংগ্রহের উদ্যোগের কথা জানিয়েছে।

এর আগে অভিবাসন ব্যবস্থায় পরিবর্তনের অংশ হিসেবে কৃষিসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে অভিবাসীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার ঘোষণা দেয় অস্ট্রেলিয়া সরকার। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, কৃষি খাতের প্রয়োজনীয় শ্রমিকদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়ার স্বাভাবিক গতি ফিরিয়ে আনার লক্ষ্য রয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার কৃষি খাতের সংগঠনগুলো এখন নতুন অগ্রাধিকার ব্যবস্থাটি কতদিন চলবে, কতসংখ্যক আবেদন এতে নেওয়া হবে এবং আবেদনকারীরা কখন সিদ্ধান্ত জানতে পারবেন, সে বিষয়ে আরও স্পষ্ট তথ্য চেয়েছে।

❤️
👏
🙂
😞

ফসল কাটার মৌসুমে জরুরি শ্রমিকের ভিসা দ্রুত দেবে অস্ট্রেলিয়া

প্রকাশঃ ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২২

ক্যানবেরা, ২৬ সেপ্টেম্বর, (প্রজন্ম কথা) – ফসল কাটার মৌসুম সামনে রেখে কৃষি খাতে জরুরি প্রয়োজনীয় বিদেশি শ্রমিকদের ভিসা আবেদন দ্রুত প্রক্রিয়াকরণের জন্য অগ্রাধিকার ব্যবস্থা চালু করেছে অস্ট্রেলিয়া। দেশটির কৃষি খাতে শ্রমিক সংকটের আশঙ্কার মধ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে গ্রেইন প্রডিউসারস অস্ট্রেলিয়া।

অস্ট্রেলিয়ার গম, বার্লি ও ক্যানোলার ফসল কাটার মৌসুম আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে শুরু হওয়ার কথা। এসব ফসল ঘরে তুলতে দেশটির অনেক খামার মৌসুমি বিদেশি শ্রমিকের ওপর নির্ভর করে। ভিসা আবেদনের দীর্ঘসূত্রতার কারণে প্রয়োজনীয় সময়ে শ্রমিক না পাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।

নতুন ব্যবস্থায় যেসব শ্রমিক ইতোমধ্যে ওয়ার্কিং হলিডে মেকার ভিসার জন্য আবেদন করেছেন, নির্দিষ্ট খামারে তাদের কাজের ব্যবস্থা রয়েছে এবং সময়মতো তাদের উপস্থিতি ওই খামারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, সেসব জরুরি আবেদন অগ্রাধিকার দিয়ে জমা দেওয়া যাবে। রাজ্যভিত্তিক কৃষি সংগঠন ও ন্যাশনাল ফার্মার্স ফেডারেশনের মাধ্যমে এসব আবেদন স্বরাষ্ট্র দপ্তরের কাছে পাঠানো হবে।

গ্রেইন প্রডিউসারস অস্ট্রেলিয়ার চেয়ারম্যান ম্যাথিউ ম্যাডেন বলেন, জরুরি শ্রমিকদের দ্রুত দেশে আনার জন্য ব্যবস্থা পাওয়াকে তারা স্বাগত জানাচ্ছেন। তবে নতুন প্রক্রিয়াটি বাস্তবে কতটা কার্যকর হবে এবং কতসংখ্যক আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

তিনি বলেন, কৃষকদের কাছে এখন এমন একটি ব্যবস্থা থাকবে বলে তারা আশা করছেন, যার মাধ্যমে ফসল কাটার মৌসুমে প্রয়োজনীয় শ্রমিকদের সময়মতো আনা সম্ভব হবে।

তবে অগ্রাধিকার প্রক্রিয়ায় আবেদন করলেই দ্রুত ভিসা অনুমোদন নিশ্চিত হবে না। গ্রেইন প্রডিউসারস অস্ট্রেলিয়া জানিয়েছে, প্রতিটি আবেদনের ক্ষেত্রে খামারের নাম, যোগাযোগের তথ্য, শ্রমিকের নাম ও জন্মতারিখ, ভিসা আবেদনের নম্বর এবং সম্ভাব্য কাজে যোগদানের তারিখসহ প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে।

অস্ট্রেলিয়ার কৃষি খাতে শ্রমিক সংকটের বিষয়টি নতুন নয়। গ্রেইন প্রডিউসারস অস্ট্রেলিয়ার তথ্য অনুযায়ী, দেশটির বিভিন্ন শস্য উৎপাদনকারী অঞ্চলে মৌসুমি শ্রমিকের ঘাটতি দীর্ঘদিনের সমস্যা। ২০২৬ সালের ফসল কাটার মৌসুমেও সংগঠনটি বিদেশি শ্রমিকের পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে শ্রমিক সংগ্রহের উদ্যোগের কথা জানিয়েছে।

এর আগে অভিবাসন ব্যবস্থায় পরিবর্তনের অংশ হিসেবে কৃষিসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে অভিবাসীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার ঘোষণা দেয় অস্ট্রেলিয়া সরকার। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, কৃষি খাতের প্রয়োজনীয় শ্রমিকদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়ার স্বাভাবিক গতি ফিরিয়ে আনার লক্ষ্য রয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার কৃষি খাতের সংগঠনগুলো এখন নতুন অগ্রাধিকার ব্যবস্থাটি কতদিন চলবে, কতসংখ্যক আবেদন এতে নেওয়া হবে এবং আবেদনকারীরা কখন সিদ্ধান্ত জানতে পারবেন, সে বিষয়ে আরও স্পষ্ট তথ্য চেয়েছে।