বাংলাদেশিদের জন্য জার্মানির আউসবিলডুং বন্ধ হচ্ছে না, ভিসা প্রক্রিয়া নিয়ে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ
- প্রকাশঃ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫:৪৪
- / 10
ঢাকা, ১৬ সেপ্টেম্বর, (প্রজন্ম কথা) – বাংলাদেশিদের জন্য জার্মানিতে বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের সুযোগ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এমন কোনো তথ্য নেই। তবে সীমিত অ্যাপয়েন্টমেন্ট, প্রয়োজনীয় যোগ্যতা এবং নথিপত্রের প্রস্তুতির কারণে আউসবিলডুংয়ের মাধ্যমে জার্মানিতে যেতে আগ্রহীদের ভিসা প্রক্রিয়া সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা নিয়ে এগোনোর পরামর্শ দিয়েছেন অভিজ্ঞরা।
জার্মান দূতাবাস ঢাকার ২০২৬ সালের তথ্য অনুযায়ী, বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের ভিসার জন্য আবেদনকারীদের অনলাইনে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে হয়। আবেদন জমা দেওয়ার সময় প্রয়োজনীয় সব নথি দিতে হয় এবং অসম্পূর্ণ আবেদন গ্রহণ করা হয় না।
বাংলাদেশ থেকে আউসবিলডুংয়ের মাধ্যমে জার্মানিতে যাওয়ার বিষয়ে একটি প্রচলিত আলোচনায় বলা হচ্ছে, দূতাবাসে ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্টের সুযোগ সীমিত। ওই আলোচনায় প্রতি সপ্তাহে তিনটি করে স্লট পাওয়ার একটি হিসাব তুলে ধরে বছরে প্রায় ১৪৪টি স্লটের সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে। তবে এটি ব্যক্তিগত হিসাব; জার্মান দূতাবাসের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী এটিকে নির্দিষ্ট বার্ষিক ভিসা কোটা হিসেবে নিশ্চিত করা যায় না।
আবেদনকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, একটি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের চুক্তিপত্র বা প্রস্তাব পেলেই ভিসা নিশ্চিত হয় না। আবেদনকারীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ভাষাগত যোগ্যতা, প্রশিক্ষণের চুক্তি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় নথি যথাযথভাবে প্রস্তুত থাকতে হয়। দূতাবাসের ২০২৬ সালের তথ্য অনুযায়ী, বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের ভিসার আবেদন সম্পূর্ণ নথিসহ জমা দিতে হয় এবং আবেদন জার্মানির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যায়।
ভাষাগত যোগ্যতার ক্ষেত্রেও প্রশিক্ষণের ধরন ও প্রতিষ্ঠানের শর্ত গুরুত্বপূর্ণ। জার্মান দূতাবাস ঢাকার বর্তমান তথ্য অনুযায়ী, আইনে বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের জন্য ন্যূনতম ভাষাগত দক্ষতার মাত্রা সাধারণভাবে এ২, তবে স্বাস্থ্যসেবা খাতের প্রশিক্ষণে অন্তত বি১ প্রয়োজন। আবার কোনো প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান এর চেয়ে বেশি ভাষাগত দক্ষতা চাইলে সেই শর্তও পূরণ করতে হয়।
এ কারণে জার্মান ভাষা শেখার পাশাপাশি ভিসা প্রক্রিয়া, প্রয়োজনীয় নথি, প্রশিক্ষণের চুক্তি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন এবং নির্দিষ্ট প্রশিক্ষণের শর্ত সম্পর্কে আগে থেকেই ধারণা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
অভিজ্ঞদের মতে, জার্মানিতে যেতে আগ্রহীদের আগে যারা আউসবিলডুংয়ের মাধ্যমে দেশটিতে গেছেন, তাদের অভিজ্ঞতা থেকে শেখা এবং নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে নিজের প্রস্তুতি নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের শর্ত ও সরকারি নির্দেশনা যাচাই না করে কোনো সিদ্ধান্ত না নেওয়াও জরুরি।
জার্মান দূতাবাস সম্প্রতি ভিসা আবেদনকারীদের জন্য আলাদা নির্দেশনায় প্রয়োজনীয় নথির তালিকা অনুসরণ, অ্যাপয়েন্টমেন্টের নিশ্চয়তাপত্র সঙ্গে রাখা এবং নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত থাকার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে।



























