ঢাকা ০৫:৪৬ , Wed, ১৪ Oct ২০২৬
বিশ্বসমাচার
যুক্তরাষ্ট্র

ঘরে বসেই জানুন যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা

মুশফিকুর রহমান মিরাজ
  • প্রকাশঃ ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৫:৩৫
  • / 5
যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা জানতে রিসিট নম্বর দিয়ে অনলাইনে যাচাই করতে পারেন আবেদনকারীরা। জেনে নিন স্ট্যাটাস দেখার নিয়ম, যোগাযোগের নম্বর ও প্রয়োজনীয় সতর্কতা। ছবির সূত্র: সংগৃহীত

ওয়াশিংটন, ১৪ অক্টোবর (প্রজন্ম কথা) – যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডের আবেদন কোন পর্যায়ে রয়েছে, তা ঘরে বসেই অনলাইনে যাচাই করতে পারেন আবেদনকারীরা। এ জন্য প্রয়োজন হবে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা সংস্থা থেকে পাঠানো আবেদন গ্রহণের নোটিশে থাকা রিসিট নম্বর। সরকারি ওয়েবসাইটে নম্বরটি ব্যবহার করে আবেদন গ্রহণ, বায়োমেট্রিকসের সময় নির্ধারণ, অনুমোদন এবং কার্ড পাঠানোর মতো বিভিন্ন তথ্য জানা যায়।

আবেদনের অবস্থা যাচাইয়ের জন্য কোনো ফি দিতে হয় না। আবেদনকারীদের প্রথমে সংস্থার সরকারি ওয়েবসাইটের নির্ধারিত পাতায় যেতে হবে। সেখানে রিসিট নম্বর লিখে ‘স্ট্যাটাস যাচাই’ বোতামে ক্লিক করলে আবেদনের সর্বশেষ প্রকাশিত অবস্থা দেখা যাবে।

রিসিট নম্বর কোথায় পাবেন

রিসিট নম্বর সাধারণত ১৩টি অক্ষর ও সংখ্যা দিয়ে তৈরি। এর শুরুতে তিনটি ইংরেজি অক্ষর এবং পরে ১০টি সংখ্যা থাকে। নম্বরের শুরুতে আইওই, এসআরসি, এলআইএন, ইএসি, ডব্লিউএসি, এনবিসি বা এমএসসির মতো অক্ষর থাকতে পারে।

আবেদন বা পিটিশন গ্রহণের পর সংস্থার পাঠানো নোটিশে এই নম্বর উল্লেখ থাকে। নম্বরটি লেখার সময় হাইফেন থাকলে তা বাদ দিতে হবে। সঠিক নম্বর ব্যবহার না করলে আবেদনসংক্রান্ত তথ্য খুঁজে পেতে সমস্যা হতে পারে।

স্ট্যাটাসের অর্থ কী

অনলাইনে আবেদনের অবস্থা যাচাই করলে বিভিন্ন ধরনের বার্তা দেখা যেতে পারে। যেমন:

  • আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে: সংস্থা আবেদনটি গ্রহণ করেছে।
  • বায়োমেট্রিকসের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে: আঙুলের ছাপসহ প্রয়োজনীয় পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহের জন্য সময় ঠিক করা হয়েছে।
  • আবেদন অনুমোদিত হয়েছে: সংশ্লিষ্ট আবেদন অনুমোদনের তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
  • কার্ড পাঠানো হয়েছে: গ্রিন কার্ড ডাকযোগে পাঠানোর তথ্য স্ট্যাটাসে দেখা যেতে পারে।

সব আবেদন একই প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হয় না। তাই অনলাইনে প্রদর্শিত বার্তাটি ভালোভাবে পড়ে নেওয়া এবং প্রয়োজনে সংস্থার দেওয়া নির্দেশনা অনুসরণ করা জরুরি।

অনলাইন হিসাব খুলে যেসব সুবিধা পাওয়া যায়

আবেদনসংক্রান্ত আরও তথ্য পেতে নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা সংস্থার অনলাইন হিসাব ব্যবহার করা যায়। নতুন ব্যবহারকারীরা হিসাব তৈরি করতে পারেন। আগে থেকে হিসাব থাকলে সেখানে প্রবেশ করে নিজের আবেদন যুক্ত করার সুযোগ রয়েছে।

এর মাধ্যমে আবেদনের তথ্য দেখা, কিছু নোটিশ ও বার্তা পাওয়া এবং নির্দিষ্ট অনলাইন সেবা ব্যবহার করা যায়। তবে আবেদন ও মামলার ধরন অনুযায়ী সুবিধার পার্থক্য থাকতে পারে। অনলাইন হিসাব খুললেই সব চিঠি বা প্রতিটি ধাপের তাৎক্ষণিক তথ্য পাওয়া যাবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।

গ্রিন কার্ড ডাকযোগে পাঠানো হলে কী করবেন

গ্রিন কার্ড পাঠানো হলে অনলাইন স্ট্যাটাসে এ বিষয়ে তথ্য দেখা যেতে পারে। ডাক বিভাগের মাধ্যমে কার্ডের অগ্রগতি অনুসরণের জন্য অনুসরণ নম্বরও দেওয়া হতে পারে। সেই নম্বর ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের ডাক বিভাগের ওয়েবসাইটে কার্ডের অবস্থান জানা সম্ভব।

কার্ড পাঠানোর তথ্য দেখানোর পরও নির্ধারিত সময়ে হাতে না পৌঁছালে নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা সংস্থার ‘ই-রিকোয়েস্ট’ সেবার মাধ্যমে অনুসন্ধান করা যায়।

অনলাইনে সমস্যা হলে যোগাযোগের উপায়

আবেদনের অবস্থা যাচাই করতে সমস্যা হলে যুক্তরাষ্ট্রের ভেতর থেকে সংস্থার যোগাযোগকেন্দ্রে ১-৮০০-৩৭৫-৫২৮৩ নম্বরে ফোন করা যায়। শ্রবণ বা বাক্‌সংক্রান্ত প্রতিবন্ধকতা রয়েছে এমন ব্যক্তিদের জন্য নম্বরটি হলো ১-৮০০-৭৬৭-১৮৩৩। স্বয়ংক্রিয় ফোনসেবা ২৪ ঘণ্টা চালু থাকে। তবে সরাসরি প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলার সময় সাধারণত সোমবার থেকে শুক্রবার, যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বাঞ্চলীয় সময় সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।

যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে থেকে যোগাযোগের জন্য ২১২-৬২০-৩৪১৮ নম্বরও দেওয়া হয়েছে।

আবেদন কত দিনে সম্পন্ন হবে, জানবেন যেভাবে

আবেদনের বর্তমান অবস্থা জানা এবং আবেদন সম্পন্ন হতে কত দিন লাগবে, তা জানা এক বিষয় নয়। কোনো আবেদন দীর্ঘদিন একই অবস্থায় থাকলে আবেদনপত্র ও সংশ্লিষ্ট শ্রেণি অনুযায়ী সংস্থার প্রক্রিয়াকরণের সময়সংক্রান্ত সেবা থেকে আনুমানিক সময় দেখা যেতে পারে।

নির্ধারিত সময়ের চেয়ে বেশি দেরি হলে যোগ্য আবেদনকারীরা অনলাইনে অনুসন্ধান জমা দিতে পারেন। তবে স্ট্যাটাস দেখে আবেদন অনুমোদিত হবে কি না কিংবা কবে গ্রিন কার্ড হাতে আসবে, তা নিশ্চিতভাবে বলা যায় না।

রিসিট নম্বরের নিরাপত্তায় সতর্কতা

রিসিট নম্বর ব্যক্তিগত অভিবাসন আবেদনের সঙ্গে যুক্ত। তাই এটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ না করে কেবল সরকারি ওয়েবসাইটে ব্যবহার করা উচিত। সংস্থার নামে পরিচালিত অননুমোদিত ওয়েবসাইট এবং অর্থের বিনিময়ে আবেদনের অবস্থা জানিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব এড়িয়ে চলা প্রয়োজন।

আবেদনে জটিলতা দেখা দিলে, অতিরিক্ত নথি জমা দেওয়ার অনুরোধ এলে কিংবা আইনি প্রশ্ন থাকলে সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করা উচিত। প্রয়োজনে লাইসেন্সপ্রাপ্ত অভিবাসন আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।

সূত্র: যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা সংস্থার আবেদনের অবস্থা যাচাই ও যোগাযোগকেন্দ্রসংক্রান্ত নির্দেশনা এবং যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অভিবাসনবিষয়ক তথ্যসেবা।

❤️
👏
🙂
😞

ঘরে বসেই জানুন যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা

প্রকাশঃ ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৫:৩৫

ওয়াশিংটন, ১৪ অক্টোবর (প্রজন্ম কথা) – যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডের আবেদন কোন পর্যায়ে রয়েছে, তা ঘরে বসেই অনলাইনে যাচাই করতে পারেন আবেদনকারীরা। এ জন্য প্রয়োজন হবে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা সংস্থা থেকে পাঠানো আবেদন গ্রহণের নোটিশে থাকা রিসিট নম্বর। সরকারি ওয়েবসাইটে নম্বরটি ব্যবহার করে আবেদন গ্রহণ, বায়োমেট্রিকসের সময় নির্ধারণ, অনুমোদন এবং কার্ড পাঠানোর মতো বিভিন্ন তথ্য জানা যায়।

আবেদনের অবস্থা যাচাইয়ের জন্য কোনো ফি দিতে হয় না। আবেদনকারীদের প্রথমে সংস্থার সরকারি ওয়েবসাইটের নির্ধারিত পাতায় যেতে হবে। সেখানে রিসিট নম্বর লিখে ‘স্ট্যাটাস যাচাই’ বোতামে ক্লিক করলে আবেদনের সর্বশেষ প্রকাশিত অবস্থা দেখা যাবে।

রিসিট নম্বর কোথায় পাবেন

রিসিট নম্বর সাধারণত ১৩টি অক্ষর ও সংখ্যা দিয়ে তৈরি। এর শুরুতে তিনটি ইংরেজি অক্ষর এবং পরে ১০টি সংখ্যা থাকে। নম্বরের শুরুতে আইওই, এসআরসি, এলআইএন, ইএসি, ডব্লিউএসি, এনবিসি বা এমএসসির মতো অক্ষর থাকতে পারে।

আবেদন বা পিটিশন গ্রহণের পর সংস্থার পাঠানো নোটিশে এই নম্বর উল্লেখ থাকে। নম্বরটি লেখার সময় হাইফেন থাকলে তা বাদ দিতে হবে। সঠিক নম্বর ব্যবহার না করলে আবেদনসংক্রান্ত তথ্য খুঁজে পেতে সমস্যা হতে পারে।

স্ট্যাটাসের অর্থ কী

অনলাইনে আবেদনের অবস্থা যাচাই করলে বিভিন্ন ধরনের বার্তা দেখা যেতে পারে। যেমন:

  • আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে: সংস্থা আবেদনটি গ্রহণ করেছে।
  • বায়োমেট্রিকসের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে: আঙুলের ছাপসহ প্রয়োজনীয় পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহের জন্য সময় ঠিক করা হয়েছে।
  • আবেদন অনুমোদিত হয়েছে: সংশ্লিষ্ট আবেদন অনুমোদনের তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
  • কার্ড পাঠানো হয়েছে: গ্রিন কার্ড ডাকযোগে পাঠানোর তথ্য স্ট্যাটাসে দেখা যেতে পারে।

সব আবেদন একই প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হয় না। তাই অনলাইনে প্রদর্শিত বার্তাটি ভালোভাবে পড়ে নেওয়া এবং প্রয়োজনে সংস্থার দেওয়া নির্দেশনা অনুসরণ করা জরুরি।

অনলাইন হিসাব খুলে যেসব সুবিধা পাওয়া যায়

আবেদনসংক্রান্ত আরও তথ্য পেতে নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা সংস্থার অনলাইন হিসাব ব্যবহার করা যায়। নতুন ব্যবহারকারীরা হিসাব তৈরি করতে পারেন। আগে থেকে হিসাব থাকলে সেখানে প্রবেশ করে নিজের আবেদন যুক্ত করার সুযোগ রয়েছে।

এর মাধ্যমে আবেদনের তথ্য দেখা, কিছু নোটিশ ও বার্তা পাওয়া এবং নির্দিষ্ট অনলাইন সেবা ব্যবহার করা যায়। তবে আবেদন ও মামলার ধরন অনুযায়ী সুবিধার পার্থক্য থাকতে পারে। অনলাইন হিসাব খুললেই সব চিঠি বা প্রতিটি ধাপের তাৎক্ষণিক তথ্য পাওয়া যাবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।

গ্রিন কার্ড ডাকযোগে পাঠানো হলে কী করবেন

গ্রিন কার্ড পাঠানো হলে অনলাইন স্ট্যাটাসে এ বিষয়ে তথ্য দেখা যেতে পারে। ডাক বিভাগের মাধ্যমে কার্ডের অগ্রগতি অনুসরণের জন্য অনুসরণ নম্বরও দেওয়া হতে পারে। সেই নম্বর ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের ডাক বিভাগের ওয়েবসাইটে কার্ডের অবস্থান জানা সম্ভব।

কার্ড পাঠানোর তথ্য দেখানোর পরও নির্ধারিত সময়ে হাতে না পৌঁছালে নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা সংস্থার ‘ই-রিকোয়েস্ট’ সেবার মাধ্যমে অনুসন্ধান করা যায়।

অনলাইনে সমস্যা হলে যোগাযোগের উপায়

আবেদনের অবস্থা যাচাই করতে সমস্যা হলে যুক্তরাষ্ট্রের ভেতর থেকে সংস্থার যোগাযোগকেন্দ্রে ১-৮০০-৩৭৫-৫২৮৩ নম্বরে ফোন করা যায়। শ্রবণ বা বাক্‌সংক্রান্ত প্রতিবন্ধকতা রয়েছে এমন ব্যক্তিদের জন্য নম্বরটি হলো ১-৮০০-৭৬৭-১৮৩৩। স্বয়ংক্রিয় ফোনসেবা ২৪ ঘণ্টা চালু থাকে। তবে সরাসরি প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলার সময় সাধারণত সোমবার থেকে শুক্রবার, যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বাঞ্চলীয় সময় সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।

যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে থেকে যোগাযোগের জন্য ২১২-৬২০-৩৪১৮ নম্বরও দেওয়া হয়েছে।

আবেদন কত দিনে সম্পন্ন হবে, জানবেন যেভাবে

আবেদনের বর্তমান অবস্থা জানা এবং আবেদন সম্পন্ন হতে কত দিন লাগবে, তা জানা এক বিষয় নয়। কোনো আবেদন দীর্ঘদিন একই অবস্থায় থাকলে আবেদনপত্র ও সংশ্লিষ্ট শ্রেণি অনুযায়ী সংস্থার প্রক্রিয়াকরণের সময়সংক্রান্ত সেবা থেকে আনুমানিক সময় দেখা যেতে পারে।

নির্ধারিত সময়ের চেয়ে বেশি দেরি হলে যোগ্য আবেদনকারীরা অনলাইনে অনুসন্ধান জমা দিতে পারেন। তবে স্ট্যাটাস দেখে আবেদন অনুমোদিত হবে কি না কিংবা কবে গ্রিন কার্ড হাতে আসবে, তা নিশ্চিতভাবে বলা যায় না।

রিসিট নম্বরের নিরাপত্তায় সতর্কতা

রিসিট নম্বর ব্যক্তিগত অভিবাসন আবেদনের সঙ্গে যুক্ত। তাই এটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ না করে কেবল সরকারি ওয়েবসাইটে ব্যবহার করা উচিত। সংস্থার নামে পরিচালিত অননুমোদিত ওয়েবসাইট এবং অর্থের বিনিময়ে আবেদনের অবস্থা জানিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব এড়িয়ে চলা প্রয়োজন।

আবেদনে জটিলতা দেখা দিলে, অতিরিক্ত নথি জমা দেওয়ার অনুরোধ এলে কিংবা আইনি প্রশ্ন থাকলে সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করা উচিত। প্রয়োজনে লাইসেন্সপ্রাপ্ত অভিবাসন আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।

সূত্র: যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা সংস্থার আবেদনের অবস্থা যাচাই ও যোগাযোগকেন্দ্রসংক্রান্ত নির্দেশনা এবং যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অভিবাসনবিষয়ক তথ্যসেবা।