ঢাকা ১০:৪২ , Sun, ০৫ Jul ২০২৬
খেলাধুলা
ফুটবল

১২৮ কিমি গতির বুলেট শটে ব্রাজিলকে বিদায়, বিশ্বকাপে হালান্ডের জোড়া গোলে ইতিহাস

খেলা ডেস্ক
  • প্রকাশঃ ০৫ জুলাই ২০২৬, ২২:১৮
  • / 3
জোড়া গোল করে নরওয়েকে কোয়ার্টার ফাইনালে তুলেছেন আর্লিং হালান্ড ছবি: ফিফা

বিশ্বকাপের মঞ্চে ব্রাজিলের রক্ষণভাগকে ভেঙে জোড়া গোল করে নরওয়েকে কোয়ার্টার ফাইনালে তুলেছেন আর্লিং হালান্ড। প্রথমার্ধে ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডারদের কঠোর মার্কিংয়ে অনেকটাই নিস্তেজ থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধে নিজের স্বভাবসুলভ রূপে ফিরে এসে ম্যাচের ভাগ্য বদলে দেন ম্যানচেস্টার সিটির এই তারকা স্ট্রাইকার।

ম্যাচের ৭৯তম মিনিটে শেল্ডেরুপের নিখুঁত ক্রস থেকে শক্তিশালী হেডে ব্রাজিলের গোলরক্ষক আলিসন বেকারকে পরাস্ত করেন হালান্ড। সেই গোলেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় নরওয়ে। গোলটি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিউজার্সির স্টেডিয়ামে উপস্থিত ব্রাজিল সমর্থকদের মধ্যে নেমে আসে নীরবতা।

তবে হালান্ডের সেরা মুহূর্তটি আসে ম্যাচের একেবারে শেষদিকে। নির্ধারিত সময়ের ৯০তম মিনিটে ডি-বক্সের ঠিক বাইরে বল পেয়ে ব্রাজিলের ডিফেন্ডারদের ফাঁকি দিয়ে বাঁ পায়ের শক্তিশালী শট নেন তিনি। স্পিডোমিটারে শটটির গতি ধরা পড়ে ঘণ্টায় ১২৮ কিলোমিটার, যা ব্রাজিলের রক্ষণভাগ এবং গোলরক্ষক—দুজনকেই অসহায় করে তোলে।

বিশ্বমানের গোলরক্ষক আলিসন বেকার বলের দিকে ঝাঁপিয়ে পড়লেও রকেটগতির শটটি তার নাগালের বাইরে দিয়েই জালের কোণায় আঘাত হানে। হালান্ডের এই দুর্দান্ত গোলেই নরওয়ে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। যোগ করা সময়ে পেনাল্টি থেকে নেইমার একটি গোল শোধ করলেও ম্যাচে ফেরার জন্য তা যথেষ্ট ছিল না। শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে জয় নিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করে নরওয়ে।

এই জয়ে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখেন আর্লিং হালান্ড। তার জোড়া গোলেই পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের ষষ্ঠ শিরোপা জয়ের স্বপ্ন ভেঙে যায় এবং বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হয় শেষ ষোলোতেই।

❤️
👏
🙂
😞

১২৮ কিমি গতির বুলেট শটে ব্রাজিলকে বিদায়, বিশ্বকাপে হালান্ডের জোড়া গোলে ইতিহাস

প্রকাশঃ ০৫ জুলাই ২০২৬, ২২:১৮

বিশ্বকাপের মঞ্চে ব্রাজিলের রক্ষণভাগকে ভেঙে জোড়া গোল করে নরওয়েকে কোয়ার্টার ফাইনালে তুলেছেন আর্লিং হালান্ড। প্রথমার্ধে ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডারদের কঠোর মার্কিংয়ে অনেকটাই নিস্তেজ থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধে নিজের স্বভাবসুলভ রূপে ফিরে এসে ম্যাচের ভাগ্য বদলে দেন ম্যানচেস্টার সিটির এই তারকা স্ট্রাইকার।

ম্যাচের ৭৯তম মিনিটে শেল্ডেরুপের নিখুঁত ক্রস থেকে শক্তিশালী হেডে ব্রাজিলের গোলরক্ষক আলিসন বেকারকে পরাস্ত করেন হালান্ড। সেই গোলেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় নরওয়ে। গোলটি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিউজার্সির স্টেডিয়ামে উপস্থিত ব্রাজিল সমর্থকদের মধ্যে নেমে আসে নীরবতা।

তবে হালান্ডের সেরা মুহূর্তটি আসে ম্যাচের একেবারে শেষদিকে। নির্ধারিত সময়ের ৯০তম মিনিটে ডি-বক্সের ঠিক বাইরে বল পেয়ে ব্রাজিলের ডিফেন্ডারদের ফাঁকি দিয়ে বাঁ পায়ের শক্তিশালী শট নেন তিনি। স্পিডোমিটারে শটটির গতি ধরা পড়ে ঘণ্টায় ১২৮ কিলোমিটার, যা ব্রাজিলের রক্ষণভাগ এবং গোলরক্ষক—দুজনকেই অসহায় করে তোলে।

বিশ্বমানের গোলরক্ষক আলিসন বেকার বলের দিকে ঝাঁপিয়ে পড়লেও রকেটগতির শটটি তার নাগালের বাইরে দিয়েই জালের কোণায় আঘাত হানে। হালান্ডের এই দুর্দান্ত গোলেই নরওয়ে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। যোগ করা সময়ে পেনাল্টি থেকে নেইমার একটি গোল শোধ করলেও ম্যাচে ফেরার জন্য তা যথেষ্ট ছিল না। শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে জয় নিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করে নরওয়ে।

এই জয়ে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখেন আর্লিং হালান্ড। তার জোড়া গোলেই পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের ষষ্ঠ শিরোপা জয়ের স্বপ্ন ভেঙে যায় এবং বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হয় শেষ ষোলোতেই।