ঢাকা ১১:৫৩ , Wed, ১২ Aug ২০২৬

‘মিস্টার বাদল’ নিয়ে সুইডেনে বেস্ট ডিরেক্টর আশরাফুজ্জামান

বিনোদন ডেস্ক
  • প্রকাশঃ ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৪৭
  • / 11
ফাইল ছবি

ঢাকা, ১২ আগস্ট, (প্রজন্ম কথা) – ঈদুল ফিতর ২০২৬ উপলক্ষে মুক্তি পাওয়া ‘মিস্টার বাদল’ আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে দুটি স্বীকৃতি পেয়েছে। আশরাফুজ্জামানের চিত্রনাট্য ও নির্মাণে চলচ্চিত্রটি সুইডেনের সিটি ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল স্টকহোম ২০২৬-এ বেস্ট ডিরেক্টর বিভাগে বিজয়ী হয়েছে। একই সঙ্গে কানাডার ১১তম কানাডা ইন্ডিপেনডেন্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে অফিসিয়াল সিলেকশন পেয়েছে এটি।

সুলতান এন্টারটেইনমেন্টের ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি পাওয়া ‘মিস্টার বাদল’-এ অভিনয় করেছেন জিয়াউল হক পলাশ, পারসা ইভানা, সৈয়দ জামান শাওন, নিকিতা সাহা, আবু হেনা রনি ও খায়রুল আলম টিপুসহ আরও অনেকে। চলচ্চিত্রটির চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন আশরাফুজ্জামান।

গল্পের শুরুতে জিয়াউল হক পলাশের একটি স্টেজ পারফরম্যান্সকে কেন্দ্র করে কাহিনি এগোয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় ভাই চরিত্রে সৈয়দ জামান শাওনের আগমন ঘটে। দুই চরিত্রের সম্পর্কের মধ্য দিয়ে গল্পে যুক্ত হয় অতীতের স্মৃতি, আনন্দ-বেদনা ও নস্টালজিয়ার বিভিন্ন আবহ।

প্রথম ক্লাইম্যাক্সের পর কাহিনিতে যুক্ত হন পারসা ইভানা। ‘রিতা’ চরিত্রে তাঁর অভিনয় দর্শকদের মধ্যে আলোচনায় আসে। চরিত্রটির একটি সংলাপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও টিকটকে ছড়িয়ে পড়ে।

গল্পের অগ্রগতিতে একাধিক ক্লাইম্যাক্স এবং চরিত্রের পরিবর্তন কাহিনিতে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে। কমেডি, রোম্যান্স ও আবেগঘন দৃশ্যে জিয়াউল হক পলাশের অভিনয়ও দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। ‘বাদল’ চরিত্রের বিভিন্ন দিক গল্পের পরিস্থিতি অনুযায়ী উপস্থাপন করেছেন তিনি।

চলচ্চিত্রটির কারিগরি নির্মাণেও সিনেমাটোগ্রাফি, এডিটিং ও কালার গ্রেডিংয়ের ব্যবহার রয়েছে। কিছু দৃশ্যের সিনেমাটোগ্রাফি প্রশংসা পেলেও কয়েকটি অংশে চিত্রনাট্যের আবহ পুরোপুরি ফুটিয়ে তোলার ক্ষেত্রে ঘাটতি ছিল। এডিটিং ও কালার গ্রেডিংও গল্পের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে করা হয়েছে।

চলচ্চিত্রটির ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকের দায়িত্বে ছিলেন সজিব দাশ। গল্পের বিভিন্ন মুহূর্তের আবহের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিজিএম ব্যবহারের বিষয়টিও নির্মাণে গুরুত্ব পেয়েছে।

আন্তর্জাতিক উৎসবের স্বীকৃতির মধ্যে সুইডেনের সিটি ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল স্টকহোম ২০২৬-এ বেস্ট ডিরেক্টর বিভাগে বিজয়ী হয়েছেন নির্মাতা আশরাফুজ্জামান। আর কানাডার ১১তম কানাডা ইন্ডিপেনডেন্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে ‘মিস্টার বাদল’ অফিসিয়াল সিলেকশন হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।

‘মিস্টার বাদল’-এর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দুটি হলো:

১. সিটি ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল স্টকহোম ২০২৬, সুইডেন: বেস্ট ডিরেক্টর বিভাগে বিজয়ী
২. ১১তম কানাডা ইন্ডিপেনডেন্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, কানাডা: অফিসিয়াল সিলেকশন

❤️
👏
🙂
😞

‘মিস্টার বাদল’ নিয়ে সুইডেনে বেস্ট ডিরেক্টর আশরাফুজ্জামান

প্রকাশঃ ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৪৭

ঢাকা, ১২ আগস্ট, (প্রজন্ম কথা) – ঈদুল ফিতর ২০২৬ উপলক্ষে মুক্তি পাওয়া ‘মিস্টার বাদল’ আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে দুটি স্বীকৃতি পেয়েছে। আশরাফুজ্জামানের চিত্রনাট্য ও নির্মাণে চলচ্চিত্রটি সুইডেনের সিটি ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল স্টকহোম ২০২৬-এ বেস্ট ডিরেক্টর বিভাগে বিজয়ী হয়েছে। একই সঙ্গে কানাডার ১১তম কানাডা ইন্ডিপেনডেন্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে অফিসিয়াল সিলেকশন পেয়েছে এটি।

সুলতান এন্টারটেইনমেন্টের ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি পাওয়া ‘মিস্টার বাদল’-এ অভিনয় করেছেন জিয়াউল হক পলাশ, পারসা ইভানা, সৈয়দ জামান শাওন, নিকিতা সাহা, আবু হেনা রনি ও খায়রুল আলম টিপুসহ আরও অনেকে। চলচ্চিত্রটির চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন আশরাফুজ্জামান।

গল্পের শুরুতে জিয়াউল হক পলাশের একটি স্টেজ পারফরম্যান্সকে কেন্দ্র করে কাহিনি এগোয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় ভাই চরিত্রে সৈয়দ জামান শাওনের আগমন ঘটে। দুই চরিত্রের সম্পর্কের মধ্য দিয়ে গল্পে যুক্ত হয় অতীতের স্মৃতি, আনন্দ-বেদনা ও নস্টালজিয়ার বিভিন্ন আবহ।

প্রথম ক্লাইম্যাক্সের পর কাহিনিতে যুক্ত হন পারসা ইভানা। ‘রিতা’ চরিত্রে তাঁর অভিনয় দর্শকদের মধ্যে আলোচনায় আসে। চরিত্রটির একটি সংলাপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও টিকটকে ছড়িয়ে পড়ে।

গল্পের অগ্রগতিতে একাধিক ক্লাইম্যাক্স এবং চরিত্রের পরিবর্তন কাহিনিতে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে। কমেডি, রোম্যান্স ও আবেগঘন দৃশ্যে জিয়াউল হক পলাশের অভিনয়ও দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। ‘বাদল’ চরিত্রের বিভিন্ন দিক গল্পের পরিস্থিতি অনুযায়ী উপস্থাপন করেছেন তিনি।

চলচ্চিত্রটির কারিগরি নির্মাণেও সিনেমাটোগ্রাফি, এডিটিং ও কালার গ্রেডিংয়ের ব্যবহার রয়েছে। কিছু দৃশ্যের সিনেমাটোগ্রাফি প্রশংসা পেলেও কয়েকটি অংশে চিত্রনাট্যের আবহ পুরোপুরি ফুটিয়ে তোলার ক্ষেত্রে ঘাটতি ছিল। এডিটিং ও কালার গ্রেডিংও গল্পের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে করা হয়েছে।

চলচ্চিত্রটির ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকের দায়িত্বে ছিলেন সজিব দাশ। গল্পের বিভিন্ন মুহূর্তের আবহের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিজিএম ব্যবহারের বিষয়টিও নির্মাণে গুরুত্ব পেয়েছে।

আন্তর্জাতিক উৎসবের স্বীকৃতির মধ্যে সুইডেনের সিটি ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল স্টকহোম ২০২৬-এ বেস্ট ডিরেক্টর বিভাগে বিজয়ী হয়েছেন নির্মাতা আশরাফুজ্জামান। আর কানাডার ১১তম কানাডা ইন্ডিপেনডেন্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে ‘মিস্টার বাদল’ অফিসিয়াল সিলেকশন হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।

‘মিস্টার বাদল’-এর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দুটি হলো:

১. সিটি ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল স্টকহোম ২০২৬, সুইডেন: বেস্ট ডিরেক্টর বিভাগে বিজয়ী
২. ১১তম কানাডা ইন্ডিপেনডেন্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, কানাডা: অফিসিয়াল সিলেকশন