ঢাকা ১১:৩৫ , Wed, ১২ Aug ২০২৬

‘মিস্টার বাদল’ নিয়ে সুইডেনে বেস্ট ডিরেক্টর আশরাফুজ্জামান

প্রজন্ম কথা ডেস্ক
  • প্রকাশঃ ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৪৭
  • / 8
ফাইল ছবি

(প্রজন্ম কথা) – ঈদুল ফিতর ২০২৬ উপলক্ষে মুক্তি পাওয়া ‘মিস্টার বাদল’ আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে দুটি স্বীকৃতি পেয়েছে। আশরাফুজ্জামানের চিত্রনাট্য ও নির্মাণে কাজটি সুইডেনের সিটি ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল স্টকহোম ২০২৬-এ বেস্ট ডিরেক্টর ক্যাটাগরিতে বিজয়ী হয়েছে। একই সঙ্গে কানাডার ১১তম কানাডা ইন্ডিপেনডেন্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল-এ অফিশিয়াল সিলেকশন হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে কাজটি।

সুলতান এন্টারটেইনমেন্টের ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি পাওয়া ‘মিস্টার বাদল’-এ অভিনয় করেছেন জিয়াউল হক পলাশ, পারসা ইভানা, সৈয়দ জামান শাওন, নিকিতা সাহা, আবু হেনা রনি ও খায়রুল আলম টিপুসহ আরও অনেকে। এর চিত্রনাট্য ও নির্মাণ করেছেন আশরাফুজ্জামান।

গল্পের শুরুতে জিয়াউল হক পলাশের একটি স্টেজ পারফরম্যান্সের মধ্য দিয়ে কাহিনি এগিয়ে যায়। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় ভাই চরিত্রে সৈয়দ জামান শাওনের আগমন এবং দুই চরিত্রের সম্পর্কের মধ্য দিয়ে গল্পে যুক্ত হয় ফেলে আসা দিনের স্মৃতি, আনন্দ-বেদনা ও নস্টালজিয়ার আবহ।

প্রথম ক্লাইম্যাক্সের পর গল্পে যুক্ত হন পারসা ইভানা। ‘রিতা’ চরিত্রে তাঁর অভিনয় দর্শকদের মধ্যে আলোচনায় আসে। চরিত্রটির একটি সংলাপ, ‘পাহাড়, সমুদ্র এবং নারী দূর থেকে যতটা সুন্দর, কাছ থেকে ততটাই ভয়ঙ্কর’, ফেসবুক ও টিকটকে ছড়িয়ে পড়ে।

গল্পের অগ্রগতির সঙ্গে একাধিক ক্লাইম্যাক্স এবং চরিত্রের পরিবর্তন কাহিনিতে নতুন মাত্রা যোগ করে। কমেডি, রোম্যান্স ও আবেগঘন দৃশ্যে জিয়াউল হক পলাশের অভিনয়ও দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। ‘বাদল’ চরিত্রের বিভিন্ন স্তর তিনি গল্পের পরিস্থিতি অনুযায়ী উপস্থাপন করেছেন।

নির্মাণের কারিগরি দিকেও সিনেমাটোগ্রাফি, এডিটিং ও কালার গ্রেডিংয়ের ব্যবহার দেখা যায়। কিছু দৃশ্যের সিনেমাটোগ্রাফি প্রশংসা পেলেও কয়েকটি অংশে চিত্রনাট্যের আবহ পুরোপুরি ফুটিয়ে তোলার ক্ষেত্রে ঘাটতি ছিল। এডিটিং ও কালার গ্রেডিং কনটেন্টের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে করা হয়েছে।

ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সজিব দাশের বিজিএম গল্পের বিভিন্ন মুহূর্তের আবহের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ব্যবহৃত হয়েছে।

আন্তর্জাতিক উৎসবে ‘মিস্টার বাদল’-এর দুটি স্বীকৃতির মধ্যে সুইডেনের সিটি ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল স্টকহোম ২০২৬-এ বেস্ট ডিরেক্টর পুরস্কার পেয়েছেন নির্মাতা আশরাফুজ্জামান। আর কানাডার ১১তম কানাডা ইন্ডিপেনডেন্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল-এ কাজটি অফিশিয়াল সিলেকশন হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে।

❤️
👏
🙂
😞

‘মিস্টার বাদল’ নিয়ে সুইডেনে বেস্ট ডিরেক্টর আশরাফুজ্জামান

প্রকাশঃ ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৪৭

(প্রজন্ম কথা) – ঈদুল ফিতর ২০২৬ উপলক্ষে মুক্তি পাওয়া ‘মিস্টার বাদল’ আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে দুটি স্বীকৃতি পেয়েছে। আশরাফুজ্জামানের চিত্রনাট্য ও নির্মাণে কাজটি সুইডেনের সিটি ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল স্টকহোম ২০২৬-এ বেস্ট ডিরেক্টর ক্যাটাগরিতে বিজয়ী হয়েছে। একই সঙ্গে কানাডার ১১তম কানাডা ইন্ডিপেনডেন্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল-এ অফিশিয়াল সিলেকশন হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে কাজটি।

সুলতান এন্টারটেইনমেন্টের ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি পাওয়া ‘মিস্টার বাদল’-এ অভিনয় করেছেন জিয়াউল হক পলাশ, পারসা ইভানা, সৈয়দ জামান শাওন, নিকিতা সাহা, আবু হেনা রনি ও খায়রুল আলম টিপুসহ আরও অনেকে। এর চিত্রনাট্য ও নির্মাণ করেছেন আশরাফুজ্জামান।

গল্পের শুরুতে জিয়াউল হক পলাশের একটি স্টেজ পারফরম্যান্সের মধ্য দিয়ে কাহিনি এগিয়ে যায়। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় ভাই চরিত্রে সৈয়দ জামান শাওনের আগমন এবং দুই চরিত্রের সম্পর্কের মধ্য দিয়ে গল্পে যুক্ত হয় ফেলে আসা দিনের স্মৃতি, আনন্দ-বেদনা ও নস্টালজিয়ার আবহ।

প্রথম ক্লাইম্যাক্সের পর গল্পে যুক্ত হন পারসা ইভানা। ‘রিতা’ চরিত্রে তাঁর অভিনয় দর্শকদের মধ্যে আলোচনায় আসে। চরিত্রটির একটি সংলাপ, ‘পাহাড়, সমুদ্র এবং নারী দূর থেকে যতটা সুন্দর, কাছ থেকে ততটাই ভয়ঙ্কর’, ফেসবুক ও টিকটকে ছড়িয়ে পড়ে।

গল্পের অগ্রগতির সঙ্গে একাধিক ক্লাইম্যাক্স এবং চরিত্রের পরিবর্তন কাহিনিতে নতুন মাত্রা যোগ করে। কমেডি, রোম্যান্স ও আবেগঘন দৃশ্যে জিয়াউল হক পলাশের অভিনয়ও দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। ‘বাদল’ চরিত্রের বিভিন্ন স্তর তিনি গল্পের পরিস্থিতি অনুযায়ী উপস্থাপন করেছেন।

নির্মাণের কারিগরি দিকেও সিনেমাটোগ্রাফি, এডিটিং ও কালার গ্রেডিংয়ের ব্যবহার দেখা যায়। কিছু দৃশ্যের সিনেমাটোগ্রাফি প্রশংসা পেলেও কয়েকটি অংশে চিত্রনাট্যের আবহ পুরোপুরি ফুটিয়ে তোলার ক্ষেত্রে ঘাটতি ছিল। এডিটিং ও কালার গ্রেডিং কনটেন্টের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে করা হয়েছে।

ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সজিব দাশের বিজিএম গল্পের বিভিন্ন মুহূর্তের আবহের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ব্যবহৃত হয়েছে।

আন্তর্জাতিক উৎসবে ‘মিস্টার বাদল’-এর দুটি স্বীকৃতির মধ্যে সুইডেনের সিটি ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল স্টকহোম ২০২৬-এ বেস্ট ডিরেক্টর পুরস্কার পেয়েছেন নির্মাতা আশরাফুজ্জামান। আর কানাডার ১১তম কানাডা ইন্ডিপেনডেন্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল-এ কাজটি অফিশিয়াল সিলেকশন হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে।