৩০ লাখ ফলোয়ারের আসিফ মাহমুদের ভেরিফায়েড পেজ সরিয়ে দিয়েছে ফেসবুক
- প্রকাশঃ ০২:৩১:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫
- / 111
ছবি: সংগৃহীত
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা এবং ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানের অন্যতম সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ অপসারণ করেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক। প্রায় ৩০ লাখের বেশি ফলোয়ার থাকা পেজটি পরিকল্পিতভাবে সংঘবদ্ধ রিপোর্ট এবং কপিরাইট স্ট্রাইকের মাধ্যমে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
শুক্রবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য হলে সংযোজনযোগ্য) নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক পোস্টে বিষয়টি নিশ্চিত করেন আসিফ মাহমুদ। পোস্টে তিনি লেখেন, ওসমান হাদি ভাই সংশ্লিষ্ট সকল পোস্ট ও ভিডিওতে ধারাবাহিক কপিরাইট স্ট্রাইক এবং সংঘবদ্ধ রিপোর্টের মাধ্যমে আমার অফিশিয়াল পেজটি (৩০ লক্ষাধিক ফলোয়ার) রিমুভ করে দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিভিন্ন টেলিগ্রাম গ্রুপে তার পেজের লিংক শেয়ার করে সংগঠিতভাবে রিপোর্ট করা হয়েছে। বিশেষ করে ওসমান হাদিকে কেন্দ্র করে প্রকাশিত তিনটি ভিডিওতেই কপিরাইট স্ট্রাইক দেওয়া হয়, যার ফলেই শেষ পর্যন্ত তার ভেরিফায়েড পেজটি অপসারণ করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
উল্লেখ্য, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া জুলাই আন্দোলনসহ ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের একজন দৃশ্যমান সমন্বয়ক ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিসহ দুটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেন।
এদিকে, ওসমান হাদিকে কেন্দ্র করে প্রকাশিত পোস্ট, ছবি ও ভিডিওতে ধারাবাহিক রিপোর্ট ও কপিরাইট স্ট্রাইকের কারণে আরও অনেকের ফেসবুক আইডি ও পেজে সমস্যা দেখা দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেজ থেকেও হাদি সংশ্লিষ্ট একাধিক ভিডিও একইভাবে সংঘবদ্ধ রিপোর্ট ও কপিরাইট ক্লেইমের মাধ্যমে সরিয়ে ফেলা হয়েছে।
এ ছাড়া, জুলাই আন্দোলনের অন্যতম মুখ হাসনাত আব্দুল্লাহসহ আরও কয়েকজনের ফেসবুক আইডি ও পেজেও একই ধরনের সমস্যার তথ্য পাওয়া গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাধিক ব্যবহারকারী দাবি করেছেন, তাদের প্রোফাইল থেকে ওসমান হাদি সংশ্লিষ্ট ভিডিও রিমুভ করা হয়েছে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, কপিরাইট ব্যবস্থার অপব্যবহার এবং সংঘবদ্ধ রিপোর্টিংয়ের মাধ্যমে কণ্ঠরোধের অভিযোগ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।




























