ঢাকা ০৯:২৪ , Sat, ১৭ Oct ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার তিন শহরে সিটি কাউন্সিল নির্বাচনে লড়ছেন তিন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত

প্রজন্ম কথা ডেস্ক
  • প্রকাশঃ ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২০:৪১
  • / 7
ক্যালিফোর্নিয়ার মন্টেবেলো, পেরিস ও চিনো শহরের সিটি কাউন্সিল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শাজিয়া হক, মোহাম্মদ রহমান ও এম এস আলম। ছবি : প্রথম আলো ইংলিশ

ক্যালিফোর্নিয়া, ১৮ অক্টোবর (প্রজন্ম কথা) – যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের তিন শহরে সিটি কাউন্সিল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তিন প্রার্থী। তাঁরা হলেন লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টির মন্টেবেলো শহরে শাজিয়া হক, রিভারসাইড কাউন্টির পেরিস শহরে মোহাম্মদ রহমান এবং সান বার্নার্ডিনো কাউন্টির চিনো শহরে এম এস আলম। আগামী ৩ নভেম্বরের নির্বাচনে নিজ নিজ শহরের কাউন্সিল আসনে জয়ী হতে প্রচার চালাচ্ছেন তাঁরা।

প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারে স্থানীয় বাংলাদেশি-আমেরিকান কমিউনিটির সদস্যরা সহায়তা করছেন। কেউ আর্থিক সহযোগিতা দিচ্ছেন, কেউ তহবিল সংগ্রহে অংশ নিচ্ছেন, আবার অনেকে ব্যক্তিগতভাবে উৎসাহ ও সমর্থন জোগাচ্ছেন। এর মধ্য দিয়ে স্থানীয় রাজনীতিতে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর চেষ্টা চলছে।

লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টির মন্টেবেলো শহরের ডিস্ট্রিক্ট-১ থেকে সিটি কাউন্সিল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন শাজিয়া হক। এই আসনে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বীরা হলেন জর্জিনা তামায়ো, কিম্বারলি কোবোস ক্যাথর্ন ও রাফায়েল সান্তোয়া।

ব্যবসা, লেখালেখি ও কমিউনিটির নেতৃত্বের সঙ্গে যুক্ত শাজিয়া দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও নাগরিক উদ্যোগে অংশ নিচ্ছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ব্যবসা ও কমিউনিটিভিত্তিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রায় ২০ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর।

নির্বাচনী প্রচারে নগর প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি, দায়িত্বশীল বাজেট ব্যবস্থাপনা, নিরাপদ পাড়া-মহল্লা এবং স্থানীয় ব্যবসার বিকাশকে গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। নগর পরিচালনার সিদ্ধান্তে বাসিন্দাদের মতামত নিশ্চিত করা এবং নির্ভরযোগ্য পৌরসেবা দেওয়াও তাঁর অগ্রাধিকারের মধ্যে রয়েছে।

মূলধারার মার্কিন রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার কারণ জানতে চাইলে প্রথম আলোকে শাজিয়া হক বলেন, বাংলাদেশি-আমেরিকান নারী হিসেবে তাঁর মনে হয়, যুক্তরাষ্ট্রের অন্য জাতিগোষ্ঠীর তুলনায় তাঁরা অনেক পিছিয়ে আছেন। তাঁর মতে, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের সুযোগ ও সুবিধা কাজে লাগাতে হলে মূলধারার রাজনীতিতে যুক্ত হওয়া এবং পরবর্তী প্রজন্মের জন্য নেতৃত্বের পথ তৈরি করা প্রয়োজন।

রিভারসাইড কাউন্টির পেরিস শহরের ডিস্ট্রিক্ট-১ থেকে নির্বাচনে লড়ছেন মোহাম্মদ রহমান। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী গুয়াদালুপে গোমেজ ও হুয়ান কার্লোস (জেসি) ফ্রাঙ্কো।

মার্কিন ডাক বিভাগে (ইউএসপিএস) ২৭ বছর ধরে কাজ করছেন মোহাম্মদ রহমান। দীর্ঘ কর্মজীবনে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের অভিজ্ঞতা নির্বাচনী প্রচারে কাজে লাগছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

প্রথম আলোকে মোহাম্মদ রহমান বলেন, ডাক বিভাগে দীর্ঘদিন কাজ করার কারণে অনেক ভোটার তাঁকে আগে থেকেই চেনেন। এই পরিচিতি ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে সহায়তা করছে। নির্বাচনে জয়ী হওয়ার ব্যাপারেও তিনি আশাবাদী।

তাঁর নির্বাচনী অঙ্গীকারের মধ্যে রয়েছে জননিরাপত্তা, সাশ্রয়ী আবাসন, ক্ষুদ্র ব্যবসার বিকাশ এবং তরুণদের জন্য আরও সুযোগ সৃষ্টি। পাশাপাশি কমিউনিটি পুলিশিং, পাড়া-মহল্লায় নজরদারি কর্মসূচি, পর্যাপ্ত সড়কবাতি ও উন্নত ফুটপাতের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি।

সান বার্নার্ডিনো কাউন্টির চিনো শহরের ডিস্ট্রিক্ট-৩ থেকে সিটি কাউন্সিল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন প্রকৌশলী এম এস আলম। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান কাউন্সিল সদস্য মার্ক লুসিও।

এম এস আলম ক্যালিফোর্নিয়া পরিবহন বিভাগের জেলা-৭-এ পূর্ণকালীন প্রকল্প ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করেন। পাশাপাশি তিনি ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি, লং বিচে খণ্ডকালীন শিক্ষকতা করেন। ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, লস অ্যাঞ্জেলেসে (ইউসিএলএ) পরিবহন প্রকৌশল বিষয়ে গবেষণা ও ডক্টরাল পর্যায়ের কাজের অভিজ্ঞতাও রয়েছে তাঁর। তিনি ১৮ বছর ধরে চিনো শহরে বসবাস করছেন।

তাঁর নির্বাচনী প্রচারের মূল বিষয়গুলো হলো পরিকল্পিত ও নিরাপদ নগরায়ণ, উন্নত গণপরিবহন, শক্তিশালী অবকাঠামো, দায়িত্বশীল উন্নয়ন এবং মানসম্মত নাগরিক সেবা। বর্তমান বাসিন্দাদের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও উন্নয়নের সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের বিষয়ে প্রথম আলোকে এম এস আলম বলেন, প্রচারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নে তিনি কঠোর পরিশ্রম করবেন।

তিন প্রার্থীর নির্বাচনী অঙ্গীকারে ভিন্নতা থাকলেও স্থানীয় রাজনীতিতে বাংলাদেশি-আমেরিকানদের প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর লক্ষ্য তাঁদের মধ্যে অভিন্ন। শাজিয়া হক নারীদের মূলধারার রাজনীতিতে অংশগ্রহণের বিষয়টি গুরুত্ব দিচ্ছেন। মোহাম্মদ রহমানের প্রচারে আবাসন, জননিরাপত্তা ও পাড়া-মহল্লার উন্নয়ন প্রাধান্য পাচ্ছে। আর এম এস আলম তাঁর প্রকৌশল ও প্রকল্প ব্যবস্থাপনার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে পরিকল্পিত নগরায়ণ ও অবকাঠামো উন্নয়নের ওপর জোর দিচ্ছেন।

যুক্তরাষ্ট্রে সিটি কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত স্থানীয় বাসিন্দাদের দৈনন্দিন জীবনে সরাসরি প্রভাব ফেলে। সড়ক, গণপরিবহন, আবাসন, জননিরাপত্তা, নগর পরিকল্পনা, স্থানীয় ব্যবসা ও পৌরসেবার মতো বিষয়গুলোতে কাউন্সিলের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

আগামী ৩ নভেম্বর মন্টেবেলো, পেরিস ও চিনো শহরের ভোটাররা তাঁদের প্রতিনিধিদের নির্বাচিত করবেন। তিন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রার্থীর জন্য এই নির্বাচন নিজ নিজ আসনে জয়ী হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশি-আমেরিকানদের প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর একটি সুযোগ।

সূত্র: প্রথম আলো ইংলিশ

❤️
👏
🙂
😞

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার তিন শহরে সিটি কাউন্সিল নির্বাচনে লড়ছেন তিন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত

প্রকাশঃ ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২০:৪১

ক্যালিফোর্নিয়া, ১৮ অক্টোবর (প্রজন্ম কথা) – যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের তিন শহরে সিটি কাউন্সিল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তিন প্রার্থী। তাঁরা হলেন লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টির মন্টেবেলো শহরে শাজিয়া হক, রিভারসাইড কাউন্টির পেরিস শহরে মোহাম্মদ রহমান এবং সান বার্নার্ডিনো কাউন্টির চিনো শহরে এম এস আলম। আগামী ৩ নভেম্বরের নির্বাচনে নিজ নিজ শহরের কাউন্সিল আসনে জয়ী হতে প্রচার চালাচ্ছেন তাঁরা।

প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারে স্থানীয় বাংলাদেশি-আমেরিকান কমিউনিটির সদস্যরা সহায়তা করছেন। কেউ আর্থিক সহযোগিতা দিচ্ছেন, কেউ তহবিল সংগ্রহে অংশ নিচ্ছেন, আবার অনেকে ব্যক্তিগতভাবে উৎসাহ ও সমর্থন জোগাচ্ছেন। এর মধ্য দিয়ে স্থানীয় রাজনীতিতে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর চেষ্টা চলছে।

লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টির মন্টেবেলো শহরের ডিস্ট্রিক্ট-১ থেকে সিটি কাউন্সিল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন শাজিয়া হক। এই আসনে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বীরা হলেন জর্জিনা তামায়ো, কিম্বারলি কোবোস ক্যাথর্ন ও রাফায়েল সান্তোয়া।

ব্যবসা, লেখালেখি ও কমিউনিটির নেতৃত্বের সঙ্গে যুক্ত শাজিয়া দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও নাগরিক উদ্যোগে অংশ নিচ্ছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ব্যবসা ও কমিউনিটিভিত্তিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রায় ২০ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর।

নির্বাচনী প্রচারে নগর প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি, দায়িত্বশীল বাজেট ব্যবস্থাপনা, নিরাপদ পাড়া-মহল্লা এবং স্থানীয় ব্যবসার বিকাশকে গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। নগর পরিচালনার সিদ্ধান্তে বাসিন্দাদের মতামত নিশ্চিত করা এবং নির্ভরযোগ্য পৌরসেবা দেওয়াও তাঁর অগ্রাধিকারের মধ্যে রয়েছে।

মূলধারার মার্কিন রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার কারণ জানতে চাইলে প্রথম আলোকে শাজিয়া হক বলেন, বাংলাদেশি-আমেরিকান নারী হিসেবে তাঁর মনে হয়, যুক্তরাষ্ট্রের অন্য জাতিগোষ্ঠীর তুলনায় তাঁরা অনেক পিছিয়ে আছেন। তাঁর মতে, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের সুযোগ ও সুবিধা কাজে লাগাতে হলে মূলধারার রাজনীতিতে যুক্ত হওয়া এবং পরবর্তী প্রজন্মের জন্য নেতৃত্বের পথ তৈরি করা প্রয়োজন।

রিভারসাইড কাউন্টির পেরিস শহরের ডিস্ট্রিক্ট-১ থেকে নির্বাচনে লড়ছেন মোহাম্মদ রহমান। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী গুয়াদালুপে গোমেজ ও হুয়ান কার্লোস (জেসি) ফ্রাঙ্কো।

মার্কিন ডাক বিভাগে (ইউএসপিএস) ২৭ বছর ধরে কাজ করছেন মোহাম্মদ রহমান। দীর্ঘ কর্মজীবনে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের অভিজ্ঞতা নির্বাচনী প্রচারে কাজে লাগছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

প্রথম আলোকে মোহাম্মদ রহমান বলেন, ডাক বিভাগে দীর্ঘদিন কাজ করার কারণে অনেক ভোটার তাঁকে আগে থেকেই চেনেন। এই পরিচিতি ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে সহায়তা করছে। নির্বাচনে জয়ী হওয়ার ব্যাপারেও তিনি আশাবাদী।

তাঁর নির্বাচনী অঙ্গীকারের মধ্যে রয়েছে জননিরাপত্তা, সাশ্রয়ী আবাসন, ক্ষুদ্র ব্যবসার বিকাশ এবং তরুণদের জন্য আরও সুযোগ সৃষ্টি। পাশাপাশি কমিউনিটি পুলিশিং, পাড়া-মহল্লায় নজরদারি কর্মসূচি, পর্যাপ্ত সড়কবাতি ও উন্নত ফুটপাতের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি।

সান বার্নার্ডিনো কাউন্টির চিনো শহরের ডিস্ট্রিক্ট-৩ থেকে সিটি কাউন্সিল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন প্রকৌশলী এম এস আলম। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান কাউন্সিল সদস্য মার্ক লুসিও।

এম এস আলম ক্যালিফোর্নিয়া পরিবহন বিভাগের জেলা-৭-এ পূর্ণকালীন প্রকল্প ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করেন। পাশাপাশি তিনি ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি, লং বিচে খণ্ডকালীন শিক্ষকতা করেন। ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, লস অ্যাঞ্জেলেসে (ইউসিএলএ) পরিবহন প্রকৌশল বিষয়ে গবেষণা ও ডক্টরাল পর্যায়ের কাজের অভিজ্ঞতাও রয়েছে তাঁর। তিনি ১৮ বছর ধরে চিনো শহরে বসবাস করছেন।

তাঁর নির্বাচনী প্রচারের মূল বিষয়গুলো হলো পরিকল্পিত ও নিরাপদ নগরায়ণ, উন্নত গণপরিবহন, শক্তিশালী অবকাঠামো, দায়িত্বশীল উন্নয়ন এবং মানসম্মত নাগরিক সেবা। বর্তমান বাসিন্দাদের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও উন্নয়নের সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের বিষয়ে প্রথম আলোকে এম এস আলম বলেন, প্রচারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নে তিনি কঠোর পরিশ্রম করবেন।

তিন প্রার্থীর নির্বাচনী অঙ্গীকারে ভিন্নতা থাকলেও স্থানীয় রাজনীতিতে বাংলাদেশি-আমেরিকানদের প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর লক্ষ্য তাঁদের মধ্যে অভিন্ন। শাজিয়া হক নারীদের মূলধারার রাজনীতিতে অংশগ্রহণের বিষয়টি গুরুত্ব দিচ্ছেন। মোহাম্মদ রহমানের প্রচারে আবাসন, জননিরাপত্তা ও পাড়া-মহল্লার উন্নয়ন প্রাধান্য পাচ্ছে। আর এম এস আলম তাঁর প্রকৌশল ও প্রকল্প ব্যবস্থাপনার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে পরিকল্পিত নগরায়ণ ও অবকাঠামো উন্নয়নের ওপর জোর দিচ্ছেন।

যুক্তরাষ্ট্রে সিটি কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত স্থানীয় বাসিন্দাদের দৈনন্দিন জীবনে সরাসরি প্রভাব ফেলে। সড়ক, গণপরিবহন, আবাসন, জননিরাপত্তা, নগর পরিকল্পনা, স্থানীয় ব্যবসা ও পৌরসেবার মতো বিষয়গুলোতে কাউন্সিলের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

আগামী ৩ নভেম্বর মন্টেবেলো, পেরিস ও চিনো শহরের ভোটাররা তাঁদের প্রতিনিধিদের নির্বাচিত করবেন। তিন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রার্থীর জন্য এই নির্বাচন নিজ নিজ আসনে জয়ী হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশি-আমেরিকানদের প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর একটি সুযোগ।

সূত্র: প্রথম আলো ইংলিশ