ঢাকা ০৮:৫৫ , Sat, ২২ Aug ২০২৬
বিশ্বসমাচার
যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি শিক্ষার্থীদের কলেজ আবেদনে এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ পতন

প্রজন্ম কথা ডেস্ক
  • প্রকাশঃ ২২ অগাস্ট ২০২৬, ১৫:১৭
  • / 6
ছবি: এআই

ওয়াশিংটন, ২২ আগস্ট, (প্রজন্ম কথা) – যুক্তরাষ্ট্রের কলেজগুলোতে চলতি ফল সেশনে ভর্তির জন্য আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের আবেদন প্রায় ১০ শতাংশ কমেছে। অন্তত এক দশকের মধ্যে এটিই সবচেয়ে বড় পতন বলে কমন অ্যাপের প্রকাশিত তথ্যে উঠে এসেছে। ২০২৫ সালের তুলনায় এবার প্রায় ১৬ হাজার কম বিদেশি শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের ভিসা নীতিতে পরিবর্তন এবং বিদেশি শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ সীমিত করার বিভিন্ন পদক্ষেপের সময় এই পতন দেখা গেছে। এ তথ্য ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

কমন অ্যাপ বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদনে ১ হাজার ১৪৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তথ্য বিশ্লেষণ করেছে। ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের তুলনায় এবার বিশ্লেষণে অন্তর্ভুক্ত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৪ শতাংশ বেশি।

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের আবেদনে এই পতন চলতি শরতে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়ার একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত হিসেবে দেখা যাচ্ছে। এর প্রভাব অনেক কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক অবস্থার ওপর পড়তে পারে। এসব প্রতিষ্ঠান এরই মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার বয়সী শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়া এবং উচ্চশিক্ষার মূল্য নিয়ে প্রশ্নের কারণে চাপের মধ্যে রয়েছে।

কমন অ্যাপের তথ্যে দেখা গেছে, এশিয়া ও আফ্রিকা থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ভর্তির আবেদন দুই অঙ্কের হারে কমেছে। ইউরোপ থেকেও আবেদন ৪ শতাংশ কমেছে, যা কয়েক বছর ধরে চলা ধারাবাহিক বৃদ্ধির বিপরীত প্রবণতা। ফ্রান্স, জার্মানিসহ কয়েকটি দেশ যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনার বিষয়ে আগ্রহ কমে যাওয়া শিক্ষার্থীদের নিজেদের দেশে আকৃষ্ট করতে উদ্যোগ জোরদার করেছে।

ভিসাবিধিতে পরিবর্তন

যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ শিক্ষার্থীদের কলেজে আবেদনের সংখ্যা ৪ শতাংশ বেড়েছে। এর পেছনে দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল থেকে আবেদনের সংখ্যা ৯ শতাংশ বেড়ে যাওয়ার ভূমিকা রয়েছে।

গত এক বছরে ট্রাম্প প্রশাসন শিক্ষার্থী ভিসার নিয়মে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন এনেছে এবং বিদেশি শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সংখ্যা সীমিত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। এর আগের ২০২৪-২৫ সালের আবেদন প্রক্রিয়ায় বিদেশি আবেদনকারীর সংখ্যা ২০২৩-২৪ সালের তুলনায় ১ শতাংশ কমেছিল।

কমন অ্যাপের জ্যেষ্ঠ তথ্যবিজ্ঞানী রডনি হিউজ বলেছেন, ২০১৩ সালে ডিজিটাল তথ্য সংগ্রহ শুরু করার পর সাম্প্রতিক পতনই তাদের দেখা সবচেয়ে বড় পতন।

হিউজ বলেন, ‘ভিসা পাওয়া যদি কঠিন হয়ে যায়, তাহলে শিক্ষার্থীদের আবেদনের সম্ভাবনাও কমে যেতে পারে।’

ভিসাধারীদের বিষয় পরিবর্তন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বদল এবং স্নাতক শেষ করার পর যুক্তরাষ্ট্রে থাকার সুযোগ সীমিত করার মতো কয়েক দশক ধরে চালু থাকা নীতিতে সাম্প্রতিক পরিবর্তন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের আবেদনের পতন আরও বাড়াতে পারে।

তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভেদে আবেদনের পতনের মাত্রা একই ছিল না। কমন অ্যাপের তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বাছাইপ্রবণ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের আবেদন প্রায় ১ শতাংশ কমেছে। অন্যদিকে অর্ধেকের বেশি আবেদনকারীকে ভর্তি করা প্রতিষ্ঠানগুলোতে আবেদন কমেছে প্রায় ২০ শতাংশ।

স্যাটে ফিরে আসার প্রবণতা

কমন অ্যাপের প্রতিবেদনে উচ্চশিক্ষা খাতের আরও কয়েকটি পরিবর্তনের কথাও উঠে এসেছে। ২০১৯ সালের পর এবারই প্রথমবারের মতো আবেদনকারীদের মধ্যে পরীক্ষার ফলাফল জমা দেওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ফলাফল না দেওয়া শিক্ষার্থীদের সংখ্যাকে ছাড়িয়েছে। আগের বছরের তুলনায় স্যাট বা অ্যাক্টের ফলাফল জমা দেওয়া আবেদনকারীর সংখ্যা ১১ শতাংশ বেড়েছে। অন্যদিকে পরীক্ষার ফলাফল না দেওয়া আবেদনকারীর সংখ্যা কমেছে ৫ শতাংশ।

হিউজ বলেন, ‘পরীক্ষার ফলাফলকে আবার বেশ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলেই মনে হচ্ছে।’

ইয়েল, কলাম্বিয়া ও প্রিন্সটনের মতো কয়েকটি খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয় প্রায় পাঁচ বছর পরীক্ষার ফলাফল ঐচ্ছিক রাখার পর আবার তা বাধ্যতামূলক করার ঘোষণা দিয়েছে। এর পরই মানসম্মত পরীক্ষার ফলাফল জমা দেওয়ার প্রবণতায় পরিবর্তন দেখা গেছে। বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে স্যাট ও অ্যাক্টের ফলাফলের ভূমিকা নিয়ে পুরনো বিতর্কও সামনে এনেছে।

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের আবেদন কমে যাওয়া এবং মানসম্মত পরীক্ষার ফলাফলের গুরুত্ব ফিরে আসার দুটি প্রবণতাই ট্রাম্প প্রশাসনের উচ্চশিক্ষা নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। প্রশাসন পরীক্ষার ফলাফল ঐচ্ছিক রাখার নীতিকে ইতিবাচক বৈষম্য নীতির সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে দেখছে। প্রশাসনের দৃষ্টিতে এ ধরনের ভর্তি নীতি নিম্ন আয়ের ও শ্বেতাঙ্গ নন এমন আবেদনকারীদের সুবিধা দিতে পারে।

তবে পরীক্ষার ফলাফল বাধ্যতামূলক করে এমন বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় এ ধরনের ফলাফল জমা দেওয়া ঐচ্ছিক রাখা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এখনো অনেক বেশি। কমন অ্যাপের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাত্র ৫ শতাংশ কলেজ আবেদনকারীদের স্যাট বা অ্যাক্টের ফলাফল জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে। গত বছর এই হার ছিল ৪ শতাংশ। ২০১৯ সালে ছিল ৫৫ শতাংশ।

সূত্র : ব্লুমবার্গ

❤️
👏
🙂
😞

যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি শিক্ষার্থীদের কলেজ আবেদনে এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ পতন

প্রকাশঃ ২২ অগাস্ট ২০২৬, ১৫:১৭

ওয়াশিংটন, ২২ আগস্ট, (প্রজন্ম কথা) – যুক্তরাষ্ট্রের কলেজগুলোতে চলতি ফল সেশনে ভর্তির জন্য আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের আবেদন প্রায় ১০ শতাংশ কমেছে। অন্তত এক দশকের মধ্যে এটিই সবচেয়ে বড় পতন বলে কমন অ্যাপের প্রকাশিত তথ্যে উঠে এসেছে। ২০২৫ সালের তুলনায় এবার প্রায় ১৬ হাজার কম বিদেশি শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের ভিসা নীতিতে পরিবর্তন এবং বিদেশি শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ সীমিত করার বিভিন্ন পদক্ষেপের সময় এই পতন দেখা গেছে। এ তথ্য ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

কমন অ্যাপ বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদনে ১ হাজার ১৪৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তথ্য বিশ্লেষণ করেছে। ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের তুলনায় এবার বিশ্লেষণে অন্তর্ভুক্ত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৪ শতাংশ বেশি।

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের আবেদনে এই পতন চলতি শরতে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়ার একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত হিসেবে দেখা যাচ্ছে। এর প্রভাব অনেক কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক অবস্থার ওপর পড়তে পারে। এসব প্রতিষ্ঠান এরই মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার বয়সী শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়া এবং উচ্চশিক্ষার মূল্য নিয়ে প্রশ্নের কারণে চাপের মধ্যে রয়েছে।

কমন অ্যাপের তথ্যে দেখা গেছে, এশিয়া ও আফ্রিকা থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ভর্তির আবেদন দুই অঙ্কের হারে কমেছে। ইউরোপ থেকেও আবেদন ৪ শতাংশ কমেছে, যা কয়েক বছর ধরে চলা ধারাবাহিক বৃদ্ধির বিপরীত প্রবণতা। ফ্রান্স, জার্মানিসহ কয়েকটি দেশ যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনার বিষয়ে আগ্রহ কমে যাওয়া শিক্ষার্থীদের নিজেদের দেশে আকৃষ্ট করতে উদ্যোগ জোরদার করেছে।

ভিসাবিধিতে পরিবর্তন

যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ শিক্ষার্থীদের কলেজে আবেদনের সংখ্যা ৪ শতাংশ বেড়েছে। এর পেছনে দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল থেকে আবেদনের সংখ্যা ৯ শতাংশ বেড়ে যাওয়ার ভূমিকা রয়েছে।

গত এক বছরে ট্রাম্প প্রশাসন শিক্ষার্থী ভিসার নিয়মে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন এনেছে এবং বিদেশি শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সংখ্যা সীমিত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। এর আগের ২০২৪-২৫ সালের আবেদন প্রক্রিয়ায় বিদেশি আবেদনকারীর সংখ্যা ২০২৩-২৪ সালের তুলনায় ১ শতাংশ কমেছিল।

কমন অ্যাপের জ্যেষ্ঠ তথ্যবিজ্ঞানী রডনি হিউজ বলেছেন, ২০১৩ সালে ডিজিটাল তথ্য সংগ্রহ শুরু করার পর সাম্প্রতিক পতনই তাদের দেখা সবচেয়ে বড় পতন।

হিউজ বলেন, ‘ভিসা পাওয়া যদি কঠিন হয়ে যায়, তাহলে শিক্ষার্থীদের আবেদনের সম্ভাবনাও কমে যেতে পারে।’

ভিসাধারীদের বিষয় পরিবর্তন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বদল এবং স্নাতক শেষ করার পর যুক্তরাষ্ট্রে থাকার সুযোগ সীমিত করার মতো কয়েক দশক ধরে চালু থাকা নীতিতে সাম্প্রতিক পরিবর্তন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের আবেদনের পতন আরও বাড়াতে পারে।

তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভেদে আবেদনের পতনের মাত্রা একই ছিল না। কমন অ্যাপের তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বাছাইপ্রবণ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের আবেদন প্রায় ১ শতাংশ কমেছে। অন্যদিকে অর্ধেকের বেশি আবেদনকারীকে ভর্তি করা প্রতিষ্ঠানগুলোতে আবেদন কমেছে প্রায় ২০ শতাংশ।

স্যাটে ফিরে আসার প্রবণতা

কমন অ্যাপের প্রতিবেদনে উচ্চশিক্ষা খাতের আরও কয়েকটি পরিবর্তনের কথাও উঠে এসেছে। ২০১৯ সালের পর এবারই প্রথমবারের মতো আবেদনকারীদের মধ্যে পরীক্ষার ফলাফল জমা দেওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ফলাফল না দেওয়া শিক্ষার্থীদের সংখ্যাকে ছাড়িয়েছে। আগের বছরের তুলনায় স্যাট বা অ্যাক্টের ফলাফল জমা দেওয়া আবেদনকারীর সংখ্যা ১১ শতাংশ বেড়েছে। অন্যদিকে পরীক্ষার ফলাফল না দেওয়া আবেদনকারীর সংখ্যা কমেছে ৫ শতাংশ।

হিউজ বলেন, ‘পরীক্ষার ফলাফলকে আবার বেশ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলেই মনে হচ্ছে।’

ইয়েল, কলাম্বিয়া ও প্রিন্সটনের মতো কয়েকটি খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয় প্রায় পাঁচ বছর পরীক্ষার ফলাফল ঐচ্ছিক রাখার পর আবার তা বাধ্যতামূলক করার ঘোষণা দিয়েছে। এর পরই মানসম্মত পরীক্ষার ফলাফল জমা দেওয়ার প্রবণতায় পরিবর্তন দেখা গেছে। বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে স্যাট ও অ্যাক্টের ফলাফলের ভূমিকা নিয়ে পুরনো বিতর্কও সামনে এনেছে।

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের আবেদন কমে যাওয়া এবং মানসম্মত পরীক্ষার ফলাফলের গুরুত্ব ফিরে আসার দুটি প্রবণতাই ট্রাম্প প্রশাসনের উচ্চশিক্ষা নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। প্রশাসন পরীক্ষার ফলাফল ঐচ্ছিক রাখার নীতিকে ইতিবাচক বৈষম্য নীতির সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে দেখছে। প্রশাসনের দৃষ্টিতে এ ধরনের ভর্তি নীতি নিম্ন আয়ের ও শ্বেতাঙ্গ নন এমন আবেদনকারীদের সুবিধা দিতে পারে।

তবে পরীক্ষার ফলাফল বাধ্যতামূলক করে এমন বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় এ ধরনের ফলাফল জমা দেওয়া ঐচ্ছিক রাখা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এখনো অনেক বেশি। কমন অ্যাপের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাত্র ৫ শতাংশ কলেজ আবেদনকারীদের স্যাট বা অ্যাক্টের ফলাফল জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে। গত বছর এই হার ছিল ৪ শতাংশ। ২০১৯ সালে ছিল ৫৫ শতাংশ।

সূত্র : ব্লুমবার্গ