ঢাকা ০৮:৫৭ , Sat, ৩১ Oct ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র
নিউইয়র্ক

নিউইয়র্কে বাড়ি কিনতে ম্যানহাটনের বদলে ক্রেতাদের পছন্দের শীর্ষে কুইন্স

মুশফিকুর রহমান
  • প্রকাশঃ ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ২০:৪৯
  • / 2
ম্যানহাটনের তুলনায় কম দামে বড় বাসা ও বেশি বিকল্প পাওয়ায় নিউইয়র্ক সিটির বাড়ির ক্রেতাদের কাছে কুইন্সের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্ক, ১ নভেম্বর, (প্রজন্ম কথা) – নিউইয়র্ক সিটিতে বাড়ি কেনার ক্ষেত্রে ম্যানহাটনের বদলে কুইন্সের দিকে ঝুঁকছেন ক্রেতাদের বড় একটি অংশ। ম্যানহাটনের তুলনায় কম দামে বড় বাসা, আবাসনের বেশি বিকল্প এবং শহুরে সুযোগ-সুবিধা পাওয়ায় বরোটিতে আগ্রহ বাড়ছে। আবাসনবিষয়ক ওয়েবসাইট রিয়েল্টর ডটকমের সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে এ প্রবণতা উঠে এসেছে।

নিউইয়র্ক সিটির পাঁচটি বরো ম্যানহাটন, ব্রুকলিন, কুইন্স, ব্রঙ্কস ও স্ট্যাটেন আইল্যান্ডে বাড়ির বিজ্ঞাপন ঘিরে অনলাইন অনুসন্ধানের তথ্য বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, এক বরো থেকে অন্য বরোয় বাড়ি খোঁজার ক্ষেত্রে কুইন্স পেয়েছে প্রায় ৩৬ শতাংশ অনুসন্ধান। কুইন্সের বাড়ির বিজ্ঞাপনে বাইরের বরো থেকে আসা আগ্রহীদের মধ্যে ম্যানহাটনের বাসিন্দাদের অংশ ৪৫ শতাংশের বেশি।

অন্যদিকে, ম্যানহাটনে বাড়ি খোঁজার ক্ষেত্রে নিজ বরোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছেন মাত্র প্রায় ২০ শতাংশ অনুসন্ধানকারী। বাকি প্রায় ৮০ শতাংশ অনুসন্ধান অন্য বরোগুলোর বাড়ির বিজ্ঞাপন ঘিরে। তবে এটি অনলাইন অনুসন্ধানের হিসাব। এর অর্থ এই নয় যে ম্যানহাটনের ৮০ শতাংশ বাসিন্দা ইতোমধ্যে অন্য এলাকায় চলে গেছেন কিংবা বাড়ি কিনেছেন।

নিজ নিজ বরোর বাড়ির বিজ্ঞাপনে আগ্রহ ধরে রাখার ক্ষেত্রে সবচেয়ে এগিয়ে স্ট্যাটেন আইল্যান্ড। সেখানে প্রায় ৮৭ শতাংশ অনুসন্ধান নিজ বরোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ। কুইন্সে এই হার ৭৬ দশমিক ৬ শতাংশ, ব্রঙ্কসে ৪৯ দশমিক ৩ শতাংশ এবং ব্রুকলিনে ৪২ দশমিক ৫ শতাংশ।

দামের ব্যবধানেই কুইন্সের প্রতি আগ্রহ

ম্যানহাটনের বাড়ির উচ্চমূল্য ক্রেতাদের অন্য এলাকায় বিকল্প খুঁজতে উৎসাহিত করছে। রিয়েল্টর ডটকমের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০২৬ সালের আগস্টে ম্যানহাটনে বিক্রির জন্য তালিকাভুক্ত বাড়ির মধ্যম চাওয়া দাম ছিল ১৩ লাখ ৯০ হাজার ডলার।

একই সময়ে কুইন্সে এই দাম ছিল ৬ লাখ ৫০ হাজার ডলার, যা ম্যানহাটনের অর্ধেকেরও কম। ব্রুকলিনে মধ্যম চাওয়া দাম ছিল ৭ লাখ ৯৫ হাজার ডলার, স্ট্যাটেন আইল্যান্ডে ৬ লাখ ৯৯ হাজার ৯০০ ডলার এবং ব্রঙ্কসে ৩ লাখ ২৯ হাজার ডলার।

কুইন্সে বাড়ির বিকল্পও তুলনামূলক বেশি। ২০২৬ সালের আগস্টে বরোটিতে বিক্রির জন্য সক্রিয় বাড়ির সংখ্যা ছিল ৪ হাজার ৩৪০টি। একই সময়ে ব্রঙ্কসে এ সংখ্যা ছিল মাত্র ১ হাজার ৪২টি।

রিয়েল্টর ডটকমের জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ জিয়াই জুয়ের মতে, ব্রঙ্কসে বাড়ির দাম তুলনামূলক কম হলেও কুইন্সে সম্পত্তির বিকল্প বেশি। ফলে ক্রেতারা নিজেদের বাজেট ও পছন্দ অনুযায়ী বাসা বেছে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

বড় বাসা ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধার খোঁজে ক্রেতারা

কুইন্সে আসা ক্রেতাদের বড় একটি অংশ তুলনামূলক বড় বাসা ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা চান। কুইন্স হোম টিমের আবাসন প্রতিনিধি জেরালডিনে গিরালদো রিয়েল্টর ডটকমকে জানান, তাঁর অভিজ্ঞতায় তরুণ দম্পতি এবং দীর্ঘদিন ভাড়াবাসায় থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে কুইন্সে বাড়ি কেনার আগ্রহ বেশি। তাঁদের অনেকেই অন্তত ৮৫০ বর্গফুটের বাসা খুঁজছেন। বিশেষ করে দুই শয়নকক্ষের অ্যাপার্টমেন্ট তাঁদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে।

লং আইল্যান্ড সিটি, অ্যাস্টোরিয়া ও বেসাইড ম্যানহাটন থেকে আসা ক্রেতাদের কাছে জনপ্রিয়। এসব এলাকায় গণপরিবহনের যোগাযোগ, খাবারের বৈচিত্র্য এবং শহুরে পরিবেশের কারণে আগ্রহ বাড়ছে।

এ ছাড়া সানিসাইড ও উডসাইড এলাকাতেও বাড়ির সরবরাহ বাড়ায় ক্রেতাদের নজর পড়ছে। আবাসন প্রতিনিধি আন্দ্রেস পুলির মতে, এসব এলাকায় ম্যানহাটনের মতো নাগরিক সুবিধা পাওয়ার পাশাপাশি তুলনামূলক বেশি ব্যক্তিগত পরিসরও মেলে।

কুইন্সে নতুন নির্মিত ব্যক্তিমালিকানাধীন অ্যাপার্টমেন্ট বা কনডোমিনিয়ামের প্রতিও ক্রেতাদের আগ্রহ রয়েছে। কেউ কেউ বড় পরিবারের জন্য একক বাড়ি কিনছেন। আবার কয়েকটি পরিবারের একসঙ্গে বসবাস কিংবা বাড়ির একটি অংশ ভাড়া দিয়ে ঋণের খরচ সামলানোর উদ্দেশ্যে বহুতল আবাসন কিনছেন অনেকে। তরুণ ও প্রথমবার বাড়ি কিনতে আগ্রহীদের মধ্যে তুলনামূলক কম দামের সমবায়ভিত্তিক অ্যাপার্টমেন্টের প্রতিও আগ্রহ রয়েছে।

সানিসাইড ইয়ার্ডে ১২ হাজার সাশ্রয়ী আবাসনের পরিকল্পনা

কুইন্সের সানিসাইড এলাকায় আবাসন উন্নয়নের একটি বড় পরিকল্পনাও রয়েছে। মেয়র জোহরান মামদানি ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আলোচনায় সানিসাইড ইয়ার্ডের ওপর অবকাঠামো নির্মাণ করে সেখানে প্রায় ১২ হাজার সাশ্রয়ী মূল্যের আবাসন তৈরির প্রস্তাব উঠে এসেছে।

প্রকল্পটির জন্য ২১ বিলিয়ন ডলারের বেশি কেন্দ্রীয় তহবিল চেয়েছে নিউইয়র্ক সিটি প্রশাসন। পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে নতুন আবাসনের পাশাপাশি প্রায় ৩০ হাজার কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে মেয়র কার্যালয় জানিয়েছে। তবে অর্থায়ন, প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও বাস্তবায়নের বিষয়গুলো এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

ম্যানহাটনের তুলনায় কম দাম, বাড়ির বেশি বিকল্প এবং গণপরিবহনসহ নাগরিক সুবিধার কারণে কুইন্সে ক্রেতাদের আগ্রহ বাড়ছে। রিয়েল্টর ডটকমের বিশ্লেষণে উঠে আসা অনলাইন অনুসন্ধানের প্রবণতাও নিউইয়র্ক সিটির আবাসন বাজারে এই পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

❤️
👏
🙂
😞

নিউইয়র্কে বাড়ি কিনতে ম্যানহাটনের বদলে ক্রেতাদের পছন্দের শীর্ষে কুইন্স

প্রকাশঃ ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ২০:৪৯

নিউইয়র্ক, ১ নভেম্বর, (প্রজন্ম কথা) – নিউইয়র্ক সিটিতে বাড়ি কেনার ক্ষেত্রে ম্যানহাটনের বদলে কুইন্সের দিকে ঝুঁকছেন ক্রেতাদের বড় একটি অংশ। ম্যানহাটনের তুলনায় কম দামে বড় বাসা, আবাসনের বেশি বিকল্প এবং শহুরে সুযোগ-সুবিধা পাওয়ায় বরোটিতে আগ্রহ বাড়ছে। আবাসনবিষয়ক ওয়েবসাইট রিয়েল্টর ডটকমের সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে এ প্রবণতা উঠে এসেছে।

নিউইয়র্ক সিটির পাঁচটি বরো ম্যানহাটন, ব্রুকলিন, কুইন্স, ব্রঙ্কস ও স্ট্যাটেন আইল্যান্ডে বাড়ির বিজ্ঞাপন ঘিরে অনলাইন অনুসন্ধানের তথ্য বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, এক বরো থেকে অন্য বরোয় বাড়ি খোঁজার ক্ষেত্রে কুইন্স পেয়েছে প্রায় ৩৬ শতাংশ অনুসন্ধান। কুইন্সের বাড়ির বিজ্ঞাপনে বাইরের বরো থেকে আসা আগ্রহীদের মধ্যে ম্যানহাটনের বাসিন্দাদের অংশ ৪৫ শতাংশের বেশি।

অন্যদিকে, ম্যানহাটনে বাড়ি খোঁজার ক্ষেত্রে নিজ বরোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছেন মাত্র প্রায় ২০ শতাংশ অনুসন্ধানকারী। বাকি প্রায় ৮০ শতাংশ অনুসন্ধান অন্য বরোগুলোর বাড়ির বিজ্ঞাপন ঘিরে। তবে এটি অনলাইন অনুসন্ধানের হিসাব। এর অর্থ এই নয় যে ম্যানহাটনের ৮০ শতাংশ বাসিন্দা ইতোমধ্যে অন্য এলাকায় চলে গেছেন কিংবা বাড়ি কিনেছেন।

নিজ নিজ বরোর বাড়ির বিজ্ঞাপনে আগ্রহ ধরে রাখার ক্ষেত্রে সবচেয়ে এগিয়ে স্ট্যাটেন আইল্যান্ড। সেখানে প্রায় ৮৭ শতাংশ অনুসন্ধান নিজ বরোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ। কুইন্সে এই হার ৭৬ দশমিক ৬ শতাংশ, ব্রঙ্কসে ৪৯ দশমিক ৩ শতাংশ এবং ব্রুকলিনে ৪২ দশমিক ৫ শতাংশ।

দামের ব্যবধানেই কুইন্সের প্রতি আগ্রহ

ম্যানহাটনের বাড়ির উচ্চমূল্য ক্রেতাদের অন্য এলাকায় বিকল্প খুঁজতে উৎসাহিত করছে। রিয়েল্টর ডটকমের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০২৬ সালের আগস্টে ম্যানহাটনে বিক্রির জন্য তালিকাভুক্ত বাড়ির মধ্যম চাওয়া দাম ছিল ১৩ লাখ ৯০ হাজার ডলার।

একই সময়ে কুইন্সে এই দাম ছিল ৬ লাখ ৫০ হাজার ডলার, যা ম্যানহাটনের অর্ধেকেরও কম। ব্রুকলিনে মধ্যম চাওয়া দাম ছিল ৭ লাখ ৯৫ হাজার ডলার, স্ট্যাটেন আইল্যান্ডে ৬ লাখ ৯৯ হাজার ৯০০ ডলার এবং ব্রঙ্কসে ৩ লাখ ২৯ হাজার ডলার।

কুইন্সে বাড়ির বিকল্পও তুলনামূলক বেশি। ২০২৬ সালের আগস্টে বরোটিতে বিক্রির জন্য সক্রিয় বাড়ির সংখ্যা ছিল ৪ হাজার ৩৪০টি। একই সময়ে ব্রঙ্কসে এ সংখ্যা ছিল মাত্র ১ হাজার ৪২টি।

রিয়েল্টর ডটকমের জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ জিয়াই জুয়ের মতে, ব্রঙ্কসে বাড়ির দাম তুলনামূলক কম হলেও কুইন্সে সম্পত্তির বিকল্প বেশি। ফলে ক্রেতারা নিজেদের বাজেট ও পছন্দ অনুযায়ী বাসা বেছে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

বড় বাসা ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধার খোঁজে ক্রেতারা

কুইন্সে আসা ক্রেতাদের বড় একটি অংশ তুলনামূলক বড় বাসা ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা চান। কুইন্স হোম টিমের আবাসন প্রতিনিধি জেরালডিনে গিরালদো রিয়েল্টর ডটকমকে জানান, তাঁর অভিজ্ঞতায় তরুণ দম্পতি এবং দীর্ঘদিন ভাড়াবাসায় থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে কুইন্সে বাড়ি কেনার আগ্রহ বেশি। তাঁদের অনেকেই অন্তত ৮৫০ বর্গফুটের বাসা খুঁজছেন। বিশেষ করে দুই শয়নকক্ষের অ্যাপার্টমেন্ট তাঁদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে।

লং আইল্যান্ড সিটি, অ্যাস্টোরিয়া ও বেসাইড ম্যানহাটন থেকে আসা ক্রেতাদের কাছে জনপ্রিয়। এসব এলাকায় গণপরিবহনের যোগাযোগ, খাবারের বৈচিত্র্য এবং শহুরে পরিবেশের কারণে আগ্রহ বাড়ছে।

এ ছাড়া সানিসাইড ও উডসাইড এলাকাতেও বাড়ির সরবরাহ বাড়ায় ক্রেতাদের নজর পড়ছে। আবাসন প্রতিনিধি আন্দ্রেস পুলির মতে, এসব এলাকায় ম্যানহাটনের মতো নাগরিক সুবিধা পাওয়ার পাশাপাশি তুলনামূলক বেশি ব্যক্তিগত পরিসরও মেলে।

কুইন্সে নতুন নির্মিত ব্যক্তিমালিকানাধীন অ্যাপার্টমেন্ট বা কনডোমিনিয়ামের প্রতিও ক্রেতাদের আগ্রহ রয়েছে। কেউ কেউ বড় পরিবারের জন্য একক বাড়ি কিনছেন। আবার কয়েকটি পরিবারের একসঙ্গে বসবাস কিংবা বাড়ির একটি অংশ ভাড়া দিয়ে ঋণের খরচ সামলানোর উদ্দেশ্যে বহুতল আবাসন কিনছেন অনেকে। তরুণ ও প্রথমবার বাড়ি কিনতে আগ্রহীদের মধ্যে তুলনামূলক কম দামের সমবায়ভিত্তিক অ্যাপার্টমেন্টের প্রতিও আগ্রহ রয়েছে।

সানিসাইড ইয়ার্ডে ১২ হাজার সাশ্রয়ী আবাসনের পরিকল্পনা

কুইন্সের সানিসাইড এলাকায় আবাসন উন্নয়নের একটি বড় পরিকল্পনাও রয়েছে। মেয়র জোহরান মামদানি ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আলোচনায় সানিসাইড ইয়ার্ডের ওপর অবকাঠামো নির্মাণ করে সেখানে প্রায় ১২ হাজার সাশ্রয়ী মূল্যের আবাসন তৈরির প্রস্তাব উঠে এসেছে।

প্রকল্পটির জন্য ২১ বিলিয়ন ডলারের বেশি কেন্দ্রীয় তহবিল চেয়েছে নিউইয়র্ক সিটি প্রশাসন। পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে নতুন আবাসনের পাশাপাশি প্রায় ৩০ হাজার কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে মেয়র কার্যালয় জানিয়েছে। তবে অর্থায়ন, প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও বাস্তবায়নের বিষয়গুলো এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

ম্যানহাটনের তুলনায় কম দাম, বাড়ির বেশি বিকল্প এবং গণপরিবহনসহ নাগরিক সুবিধার কারণে কুইন্সে ক্রেতাদের আগ্রহ বাড়ছে। রিয়েল্টর ডটকমের বিশ্লেষণে উঠে আসা অনলাইন অনুসন্ধানের প্রবণতাও নিউইয়র্ক সিটির আবাসন বাজারে এই পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।