ঢাকা ০২:৪৬ , Sun, ১৬ Aug ২০২৬

রাজশাহীর মেয়ে থেকে নাসার পুরস্কারজয়ী বিজ্ঞানী, মাহমুদা সুলতানার মহাকাশ জয়ের গল্প

শাহারিয়া নয়ন
  • প্রকাশঃ ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৪৬
  • / 5
নাসার গডার্ড মহাকাশ উড্ডয়ন কেন্দ্রে গবেষণা ও প্রযুক্তি উন্নয়নে কাজ করছেন মাহমুদা সুলতানা ছবি: নাসা

মেরিল্যান্ড, ১৬ আগস্ট, (প্রজন্ম কথা) – বাংলাদেশে রাজশাহীর মেয়ে মাহমুদা সুলতানা। বাংলাদেশে শৈশব কাটানোর পর ১৪ বছর বয়সে পরিবারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় পাড়ি জমান তিনি। পরে রাসায়নিক প্রকৌশলে উচ্চশিক্ষা, এমআইটিতে পিএইচডি এবং নাসার গডার্ড মহাকাশ উড্ডয়ন কেন্দ্রে গবেষণার মাধ্যমে মহাকাশ প্রযুক্তিতে নিজের অবস্থান তৈরি করেন এই বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিজ্ঞানী।

মাহমুদার বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয় ছোটবেলাতেই। তার বাবা ছিলেন সরকারের একজন তত্ত্বাবধায়ক সিভিল প্রকৌশলী। বাঁধ ও ব্যারেজ নির্মাণের কাজে বাবার সঙ্গে মাঠে যাওয়া এবং নিয়ন্ত্রণকক্ষে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি কীভাবে কাজ করে তা দেখা তাকে বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের প্রতি আগ্রহী করে তোলে।

দ্য ডেইলি স্টারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মাহমুদা জানিয়েছিলেন, তিনি এমন একটি সরকারি প্রকৌশলী কলোনিতে বড় হয়েছেন, যেখানে আশপাশের প্রায় সবাই ছিলেন প্রকৌশলী। তবে শত শত পরিবারের মধ্যে কোনো নারী প্রকৌশলীর কথা তার মনে পড়ে না। এই অভিজ্ঞতা ছোটবেলায় নারীদের প্রকৌশল পেশায় অংশগ্রহণের সুযোগ নিয়ে তার মধ্যে ভাবনার জন্ম দেয়।

পরবর্তীতে দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাসায়নিক প্রকৌশলে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন মাহমুদা। এর পাশাপাশি গণিতে পার্শ্ববিষয় সম্পন্ন করেন এবং কৃতিত্বের সঙ্গে ডিগ্রি লাভ করেন। পরে বৃত্তি নিয়ে ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি, এমআইটিতে রাসায়নিক প্রকৌশলে পিএইচডি সম্পন্ন করেন। নাসার বর্তমান জীবনীতে তার পিএইচডির পাশাপাশি কোয়ান্টাম বলবিদ্যায় পার্শ্ববিষয়ের তথ্যও রয়েছে।

এমআইটিতে পড়ার শেষ বছরে চাকরির মেলায় নিজের শেষ জীবনবৃত্তান্তটি নাসা গডার্ডের প্রদর্শনীকেন্দ্রে জমা দিয়েছিলেন তিনি। নাসায় কাজ করার ছোটবেলার আগ্রহের কথা মনে করে শেষ জীবনবৃত্তান্তটি সেখানে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তৎকালীন শনাক্তকারী যন্ত্র শাখার সহকারী শাখা প্রধান থমাস স্টিভেনসনের সঙ্গে কথা বলার পর তার নাসায় কাজের পথ তৈরি হয়।

২০১০ সালে নাসার গডার্ড মহাকাশ উড্ডয়ন কেন্দ্রে যোগ দেন মাহমুদা। সেখানে তিনি উন্নত অর্ধপরিবাহী ক্ষুদ্র বৈদ্যুতিক-যান্ত্রিক যন্ত্র নিয়ে কাজ করেন। তার কাজের মধ্যে জেমস ওয়েব মহাকাশ দূরবীক্ষণযন্ত্রের ক্ষুদ্র-জানালা বিন্যাস এবং এক্স-রে শনাক্তকারী উন্নয়নও ছিল।

পরবর্তীতে গ্রাফিন ও অন্যান্য অতিক্ষুদ্র পদার্থ ব্যবহার করে শনাক্তকারী ও সংবেদক প্রযুক্তি উন্নয়নে কাজ করেন তিনি। নাসার গডার্ডে তার গবেষণার অন্যতম ক্ষেত্র হয়ে ওঠে মহাকাশে ব্যবহারের উপযোগী ছোট ও উন্নত শনাক্তকারী তৈরি।

এই গবেষণার স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৭ সালে তিনি নাসা গডার্ডের ‘ইনোভেটর অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কার পান। নাসার বর্তমান জীবনীতে তার আরও কয়েকটি পুরস্কারের তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে ২০১৩ সালের নাসা প্রারম্ভিক কর্মজীবন অর্জন পদক, ২০১৪ সালের জেমস ওয়েব দূরবীক্ষণযন্ত্র দলীয় অর্জন পুরস্কার, ২০১৮ সালের রবার্ট এইচ. গডার্ড দলীয় পুরস্কার, ২০১৯ সালের রবার্ট এইচ. গডার্ড কারিগরি উৎকর্ষ পুরস্কার এবং ২০২১ সালের মহাকাশ প্রযুক্তি মিশন অধিদপ্তর উদ্ভাবন পুরস্কার উল্লেখযোগ্য।

২০১৯ সালে মাহমুদার নেতৃত্বাধীন একটি দল অতিক্ষুদ্র পদার্থভিত্তিক শনাক্তকারী মঞ্চ উন্নয়নের জন্য ২০ লাখ মার্কিন ডলারের প্রযুক্তি উন্নয়ন পুরস্কার পায়। এই প্রযুক্তি মহাকাশ গবেষণায় বিভিন্ন ধরনের পরিবেশগত ও রাসায়নিক তথ্য শনাক্ত করার কাজে ব্যবহারের সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

নাসার বর্তমান তথ্য অনুযায়ী, মাহমুদা সুলতানা বর্তমানে গডার্ড মহাকাশ উড্ডয়ন কেন্দ্রের গ্রহীয় পরিবেশ গবেষণাগারে যন্ত্রবিজ্ঞানী হিসেবে কাজ করছেন। তিনি বহুমুখী অতিক্ষুদ্র সংবেদক মঞ্চ এবং কোয়ান্টাম ডট বর্ণালিমাপক নামে দুটি যন্ত্র উন্নয়ন উদ্যোগের প্রধান গবেষক। পাশাপাশি নেপচুন ও ট্রাইটনকে কেন্দ্র করে ‘স্কোপ’ মিশন পরিকল্পনা নিয়েও কাজ করছেন।

তার গবেষণার একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হলো অতিক্ষুদ্র পদার্থভিত্তিক বহুমুখী সংবেদক মঞ্চ। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে বিভিন্ন গ্যাস শনাক্ত করার সম্ভাবনা রয়েছে, যা গ্রহের পরিবেশ ও বাসযোগ্যতার অনুসন্ধানে কাজে লাগতে পারে। তিনি কোয়ান্টাম ডটভিত্তিক বর্ণালিমাপক নিয়েও কাজ করছেন।

নাসার গবেষণার পাশাপাশি তরুণদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহী করে তুলতেও কাজ করেছেন মাহমুদা। বাল্টিমোরের একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বক্তৃতা দেওয়ার পর এক কিশোরী তার কাছে এসে নিজের টি-শার্টের লেখা দেখায়, ‘রাজকন্যা নয়, আমি জ্যোতির্পদার্থবিজ্ঞানী হতে চাই’। মেয়েটি মাহমুদাকে বলেছিল, বড় হয়ে তার মতো হতে চায় এবং নাসায় কাজ করতে চায়। ওই ঘটনাকে মাহমুদা বিশেষভাবে স্মরণ করেছেন।

বাংলাদেশে বেড়ে ওঠা এক কিশোরীর বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের প্রতি আগ্রহ থেকে নাসার গবেষণাগারে কাজ করার এই দীর্ঘ পথচলায় উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বর্তমানে মহাকাশ গবেষণার জন্য নতুন ধরনের সংবেদক ও যন্ত্র তৈরির কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন মাহমুদা সুলতানা।

❤️
👏
🙂
😞

রাজশাহীর মেয়ে থেকে নাসার পুরস্কারজয়ী বিজ্ঞানী, মাহমুদা সুলতানার মহাকাশ জয়ের গল্প

প্রকাশঃ ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৪৬

মেরিল্যান্ড, ১৬ আগস্ট, (প্রজন্ম কথা) – বাংলাদেশে রাজশাহীর মেয়ে মাহমুদা সুলতানা। বাংলাদেশে শৈশব কাটানোর পর ১৪ বছর বয়সে পরিবারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় পাড়ি জমান তিনি। পরে রাসায়নিক প্রকৌশলে উচ্চশিক্ষা, এমআইটিতে পিএইচডি এবং নাসার গডার্ড মহাকাশ উড্ডয়ন কেন্দ্রে গবেষণার মাধ্যমে মহাকাশ প্রযুক্তিতে নিজের অবস্থান তৈরি করেন এই বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিজ্ঞানী।

মাহমুদার বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয় ছোটবেলাতেই। তার বাবা ছিলেন সরকারের একজন তত্ত্বাবধায়ক সিভিল প্রকৌশলী। বাঁধ ও ব্যারেজ নির্মাণের কাজে বাবার সঙ্গে মাঠে যাওয়া এবং নিয়ন্ত্রণকক্ষে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি কীভাবে কাজ করে তা দেখা তাকে বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের প্রতি আগ্রহী করে তোলে।

দ্য ডেইলি স্টারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মাহমুদা জানিয়েছিলেন, তিনি এমন একটি সরকারি প্রকৌশলী কলোনিতে বড় হয়েছেন, যেখানে আশপাশের প্রায় সবাই ছিলেন প্রকৌশলী। তবে শত শত পরিবারের মধ্যে কোনো নারী প্রকৌশলীর কথা তার মনে পড়ে না। এই অভিজ্ঞতা ছোটবেলায় নারীদের প্রকৌশল পেশায় অংশগ্রহণের সুযোগ নিয়ে তার মধ্যে ভাবনার জন্ম দেয়।

পরবর্তীতে দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাসায়নিক প্রকৌশলে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন মাহমুদা। এর পাশাপাশি গণিতে পার্শ্ববিষয় সম্পন্ন করেন এবং কৃতিত্বের সঙ্গে ডিগ্রি লাভ করেন। পরে বৃত্তি নিয়ে ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি, এমআইটিতে রাসায়নিক প্রকৌশলে পিএইচডি সম্পন্ন করেন। নাসার বর্তমান জীবনীতে তার পিএইচডির পাশাপাশি কোয়ান্টাম বলবিদ্যায় পার্শ্ববিষয়ের তথ্যও রয়েছে।

এমআইটিতে পড়ার শেষ বছরে চাকরির মেলায় নিজের শেষ জীবনবৃত্তান্তটি নাসা গডার্ডের প্রদর্শনীকেন্দ্রে জমা দিয়েছিলেন তিনি। নাসায় কাজ করার ছোটবেলার আগ্রহের কথা মনে করে শেষ জীবনবৃত্তান্তটি সেখানে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তৎকালীন শনাক্তকারী যন্ত্র শাখার সহকারী শাখা প্রধান থমাস স্টিভেনসনের সঙ্গে কথা বলার পর তার নাসায় কাজের পথ তৈরি হয়।

২০১০ সালে নাসার গডার্ড মহাকাশ উড্ডয়ন কেন্দ্রে যোগ দেন মাহমুদা। সেখানে তিনি উন্নত অর্ধপরিবাহী ক্ষুদ্র বৈদ্যুতিক-যান্ত্রিক যন্ত্র নিয়ে কাজ করেন। তার কাজের মধ্যে জেমস ওয়েব মহাকাশ দূরবীক্ষণযন্ত্রের ক্ষুদ্র-জানালা বিন্যাস এবং এক্স-রে শনাক্তকারী উন্নয়নও ছিল।

পরবর্তীতে গ্রাফিন ও অন্যান্য অতিক্ষুদ্র পদার্থ ব্যবহার করে শনাক্তকারী ও সংবেদক প্রযুক্তি উন্নয়নে কাজ করেন তিনি। নাসার গডার্ডে তার গবেষণার অন্যতম ক্ষেত্র হয়ে ওঠে মহাকাশে ব্যবহারের উপযোগী ছোট ও উন্নত শনাক্তকারী তৈরি।

এই গবেষণার স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৭ সালে তিনি নাসা গডার্ডের ‘ইনোভেটর অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কার পান। নাসার বর্তমান জীবনীতে তার আরও কয়েকটি পুরস্কারের তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে ২০১৩ সালের নাসা প্রারম্ভিক কর্মজীবন অর্জন পদক, ২০১৪ সালের জেমস ওয়েব দূরবীক্ষণযন্ত্র দলীয় অর্জন পুরস্কার, ২০১৮ সালের রবার্ট এইচ. গডার্ড দলীয় পুরস্কার, ২০১৯ সালের রবার্ট এইচ. গডার্ড কারিগরি উৎকর্ষ পুরস্কার এবং ২০২১ সালের মহাকাশ প্রযুক্তি মিশন অধিদপ্তর উদ্ভাবন পুরস্কার উল্লেখযোগ্য।

২০১৯ সালে মাহমুদার নেতৃত্বাধীন একটি দল অতিক্ষুদ্র পদার্থভিত্তিক শনাক্তকারী মঞ্চ উন্নয়নের জন্য ২০ লাখ মার্কিন ডলারের প্রযুক্তি উন্নয়ন পুরস্কার পায়। এই প্রযুক্তি মহাকাশ গবেষণায় বিভিন্ন ধরনের পরিবেশগত ও রাসায়নিক তথ্য শনাক্ত করার কাজে ব্যবহারের সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

নাসার বর্তমান তথ্য অনুযায়ী, মাহমুদা সুলতানা বর্তমানে গডার্ড মহাকাশ উড্ডয়ন কেন্দ্রের গ্রহীয় পরিবেশ গবেষণাগারে যন্ত্রবিজ্ঞানী হিসেবে কাজ করছেন। তিনি বহুমুখী অতিক্ষুদ্র সংবেদক মঞ্চ এবং কোয়ান্টাম ডট বর্ণালিমাপক নামে দুটি যন্ত্র উন্নয়ন উদ্যোগের প্রধান গবেষক। পাশাপাশি নেপচুন ও ট্রাইটনকে কেন্দ্র করে ‘স্কোপ’ মিশন পরিকল্পনা নিয়েও কাজ করছেন।

তার গবেষণার একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হলো অতিক্ষুদ্র পদার্থভিত্তিক বহুমুখী সংবেদক মঞ্চ। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে বিভিন্ন গ্যাস শনাক্ত করার সম্ভাবনা রয়েছে, যা গ্রহের পরিবেশ ও বাসযোগ্যতার অনুসন্ধানে কাজে লাগতে পারে। তিনি কোয়ান্টাম ডটভিত্তিক বর্ণালিমাপক নিয়েও কাজ করছেন।

নাসার গবেষণার পাশাপাশি তরুণদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহী করে তুলতেও কাজ করেছেন মাহমুদা। বাল্টিমোরের একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বক্তৃতা দেওয়ার পর এক কিশোরী তার কাছে এসে নিজের টি-শার্টের লেখা দেখায়, ‘রাজকন্যা নয়, আমি জ্যোতির্পদার্থবিজ্ঞানী হতে চাই’। মেয়েটি মাহমুদাকে বলেছিল, বড় হয়ে তার মতো হতে চায় এবং নাসায় কাজ করতে চায়। ওই ঘটনাকে মাহমুদা বিশেষভাবে স্মরণ করেছেন।

বাংলাদেশে বেড়ে ওঠা এক কিশোরীর বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের প্রতি আগ্রহ থেকে নাসার গবেষণাগারে কাজ করার এই দীর্ঘ পথচলায় উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বর্তমানে মহাকাশ গবেষণার জন্য নতুন ধরনের সংবেদক ও যন্ত্র তৈরির কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন মাহমুদা সুলতানা।