ঢাকা ০৬:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দক্ষিণ এশিয়া ও বিশ্বের জন্য তারেক রহমান কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারেন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশঃ ০৬:৫৮:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 37

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ছবি: এএফপি


টাইমের বিশেষ প্রতিবেদন

দীর্ঘ ১৭ বছর যুক্তরাজ্যে নির্বাসিত জীবন কাটানোর পর গত বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিকে দেশে ফেরেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দেশে ফেরার মাত্র সাত সপ্তাহ পর অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে তিনি এখন দেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করেছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর এই নির্বাচনকে দেশের রাজনৈতিক পুনর্গঠনের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সাময়িকী টাইম-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তারেক রহমান দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিকে নতুনভাবে গড়ে তোলা এবং সমাজে সৃষ্ট বিভাজন দূর করার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। সে সময় তিনি বলেন, তাঁর সরকারের প্রথম অগ্রাধিকার হবে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, আর্থিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং জাতীয় ঐক্য নিশ্চিত করা।

টাইমে প্রকাশিত ওই সাক্ষাৎকার থেকে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরা হলো—

জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার চ্যালেঞ্জ

২০২৪ সালের জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার সরকার উৎখাতের সময় এক হাজার চার শ’র বেশি মানুষ নিহত হন। পাশাপাশি গত ১৫ বছরে প্রায় সাড়ে তিন হাজার মানুষ গুমের শিকার হন বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব ঘটনার ক্ষত এখনো সমাজে গভীরভাবে বিদ্যমান।

হাসিনা সরকারের সময়ে রাজনীতিকীকৃত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ওপর জনগণের আস্থা পুনর্গঠন করাও নতুন সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ। ১৭ কোটি ৫০ লাখ মানুষের দেশে ফিরে তারেক রহমান ঐক্যের বার্তা ও প্রতিশোধ না নেওয়ার অঙ্গীকার করে আসছেন। টাইমকে তিনি বলেন,
“প্রতিশোধ কিছুই ফিরিয়ে আনতে পারবে না। আমরা যদি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে পারি, তবে সেখান থেকেই ভালো কিছু অর্জন সম্ভব।”

অর্থনৈতিক সংস্কার

হাসিনার শাসনামলে বাংলাদেশের জিডিপি ২০০৬ সালের ৭ হাজার ১০০ কোটি ডলার থেকে ২০২২ সালে ৪৬ হাজার কোটি ডলারে পৌঁছায়। তবে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, বেকারত্ব ও বৈষম্যের কারণে সরকারের বিরুদ্ধে অসন্তোষ বাড়ে।

বর্তমানে উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও টাকার অবমূল্যায়নে সাধারণ মানুষের আয় কমেছে। বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ২০ লাখ তরুণ কর্মজীবনে প্রবেশ করে, অথচ যুব বেকারত্বের হার ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ। চার কোটির বেশি মানুষ এখনো চরম দারিদ্র্যের মধ্যে বসবাস করছে।

বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির মাধ্যমে নারীদের ও বেকারদের মাসিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ডিজিটাল অর্থনীতিতে তরুণ উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ বাড়ানো, ব্যাংকিং খাত উদারীকরণ এবং প্রায় ১০ লাখ প্রবাসী কর্মীর দক্ষতা উন্নয়নের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তারেক রহমান।

ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক

রপ্তানিনির্ভর অর্থনীতির কারণে বাংলাদেশের জন্য ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। শেখ হাসিনার পতনের পর নয়াদিল্লির সঙ্গে ঢাকার সম্পর্কে টানাপোড়েন দেখা দেয়। তবে নির্বাচনে বিএনপির জয়ের পর ভারত সরকারের পক্ষ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নির্বাচনে বিএনপির সুস্পষ্ট বিজয়ের জন্য তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। টাইমকে তারেক রহমান বলেন, ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে “সবার আগে বাংলাদেশের স্বার্থ” অগ্রাধিকার পাবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্কে সাম্প্রতিক সময়ে শুল্ক কমানোর মাধ্যমে কিছু অগ্রগতি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর সময়ে আরোপিত পাল্টা শুল্ক আলোচনার মাধ্যমে কমানো হয়। এর ফলে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল খাত উপকৃত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

‘ইসলামপন্থী’ শক্তির উত্থান

নির্বাচনে বিএনপির পর সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। অতীতে বিএনপি তাদের সঙ্গে জোট করে সরকার গঠন করলেও এবারের নিরঙ্কুশ জয়ে বিএনপিকে জোটে যেতে হয়নি। তবে সংসদে জামায়াত একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে থাকবে।

তারেক রহমান বলেন, গণতন্ত্রে বিশ্বাসী সব রাজনৈতিক শক্তির সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। তাঁর ভাষায়,
“আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে, যেন মানুষ তাদের রাজনৈতিক অধিকার ফিরে পায়।”

শিক্ষার্থীদের ভূমিকা

শেখ হাসিনা সরকার উৎখাতে শিক্ষার্থীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পরে তাঁদের একটি অংশ জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) গঠন করে নির্বাচনে অংশ নেয়। আন্দোলনে নিহতদের স্মরণ করে তারেক রহমান বলেন, যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি আমাদের বড় দায়িত্ব রয়েছে।

টাইমের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, তারেক রহমানের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে বিভক্ত সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করা, অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করা এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভারসাম্য রক্ষা করা। এসব ক্ষেত্রে সফল হলে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে পরিণত হতে পারেন।

সর্বশেষ খবর পেতে অনুসরণ করুন- “প্রজন্ম কথা”

শেয়ার করুন

দক্ষিণ এশিয়া ও বিশ্বের জন্য তারেক রহমান কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারেন

প্রকাশঃ ০৬:৫৮:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ছবি: এএফপি


টাইমের বিশেষ প্রতিবেদন

দীর্ঘ ১৭ বছর যুক্তরাজ্যে নির্বাসিত জীবন কাটানোর পর গত বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিকে দেশে ফেরেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দেশে ফেরার মাত্র সাত সপ্তাহ পর অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে তিনি এখন দেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করেছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর এই নির্বাচনকে দেশের রাজনৈতিক পুনর্গঠনের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সাময়িকী টাইম-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তারেক রহমান দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিকে নতুনভাবে গড়ে তোলা এবং সমাজে সৃষ্ট বিভাজন দূর করার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। সে সময় তিনি বলেন, তাঁর সরকারের প্রথম অগ্রাধিকার হবে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, আর্থিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং জাতীয় ঐক্য নিশ্চিত করা।

টাইমে প্রকাশিত ওই সাক্ষাৎকার থেকে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরা হলো—

জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার চ্যালেঞ্জ

২০২৪ সালের জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার সরকার উৎখাতের সময় এক হাজার চার শ’র বেশি মানুষ নিহত হন। পাশাপাশি গত ১৫ বছরে প্রায় সাড়ে তিন হাজার মানুষ গুমের শিকার হন বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব ঘটনার ক্ষত এখনো সমাজে গভীরভাবে বিদ্যমান।

হাসিনা সরকারের সময়ে রাজনীতিকীকৃত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ওপর জনগণের আস্থা পুনর্গঠন করাও নতুন সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ। ১৭ কোটি ৫০ লাখ মানুষের দেশে ফিরে তারেক রহমান ঐক্যের বার্তা ও প্রতিশোধ না নেওয়ার অঙ্গীকার করে আসছেন। টাইমকে তিনি বলেন,
“প্রতিশোধ কিছুই ফিরিয়ে আনতে পারবে না। আমরা যদি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে পারি, তবে সেখান থেকেই ভালো কিছু অর্জন সম্ভব।”

অর্থনৈতিক সংস্কার

হাসিনার শাসনামলে বাংলাদেশের জিডিপি ২০০৬ সালের ৭ হাজার ১০০ কোটি ডলার থেকে ২০২২ সালে ৪৬ হাজার কোটি ডলারে পৌঁছায়। তবে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, বেকারত্ব ও বৈষম্যের কারণে সরকারের বিরুদ্ধে অসন্তোষ বাড়ে।

বর্তমানে উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও টাকার অবমূল্যায়নে সাধারণ মানুষের আয় কমেছে। বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ২০ লাখ তরুণ কর্মজীবনে প্রবেশ করে, অথচ যুব বেকারত্বের হার ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ। চার কোটির বেশি মানুষ এখনো চরম দারিদ্র্যের মধ্যে বসবাস করছে।

বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির মাধ্যমে নারীদের ও বেকারদের মাসিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ডিজিটাল অর্থনীতিতে তরুণ উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ বাড়ানো, ব্যাংকিং খাত উদারীকরণ এবং প্রায় ১০ লাখ প্রবাসী কর্মীর দক্ষতা উন্নয়নের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তারেক রহমান।

ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক

রপ্তানিনির্ভর অর্থনীতির কারণে বাংলাদেশের জন্য ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। শেখ হাসিনার পতনের পর নয়াদিল্লির সঙ্গে ঢাকার সম্পর্কে টানাপোড়েন দেখা দেয়। তবে নির্বাচনে বিএনপির জয়ের পর ভারত সরকারের পক্ষ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নির্বাচনে বিএনপির সুস্পষ্ট বিজয়ের জন্য তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। টাইমকে তারেক রহমান বলেন, ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে “সবার আগে বাংলাদেশের স্বার্থ” অগ্রাধিকার পাবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্কে সাম্প্রতিক সময়ে শুল্ক কমানোর মাধ্যমে কিছু অগ্রগতি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর সময়ে আরোপিত পাল্টা শুল্ক আলোচনার মাধ্যমে কমানো হয়। এর ফলে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল খাত উপকৃত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

‘ইসলামপন্থী’ শক্তির উত্থান

নির্বাচনে বিএনপির পর সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। অতীতে বিএনপি তাদের সঙ্গে জোট করে সরকার গঠন করলেও এবারের নিরঙ্কুশ জয়ে বিএনপিকে জোটে যেতে হয়নি। তবে সংসদে জামায়াত একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে থাকবে।

তারেক রহমান বলেন, গণতন্ত্রে বিশ্বাসী সব রাজনৈতিক শক্তির সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। তাঁর ভাষায়,
“আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে, যেন মানুষ তাদের রাজনৈতিক অধিকার ফিরে পায়।”

শিক্ষার্থীদের ভূমিকা

শেখ হাসিনা সরকার উৎখাতে শিক্ষার্থীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পরে তাঁদের একটি অংশ জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) গঠন করে নির্বাচনে অংশ নেয়। আন্দোলনে নিহতদের স্মরণ করে তারেক রহমান বলেন, যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি আমাদের বড় দায়িত্ব রয়েছে।

টাইমের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, তারেক রহমানের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে বিভক্ত সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করা, অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করা এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভারসাম্য রক্ষা করা। এসব ক্ষেত্রে সফল হলে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে পরিণত হতে পারেন।

সর্বশেষ খবর পেতে অনুসরণ করুন- “প্রজন্ম কথা”