শিবিরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল
- প্রকাশঃ ০৩:০০:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
- / 6
বিক্ষোভ সমাবেশে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। রাজধানীর শাহবাগ, ১৩ জুন। ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীতে ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে গুম ও অপহরণের নাটক সাজানো, সরকারকে ঘিরে অনলাইনে মিথ্যা প্রচারণা চালানো এবং নারী নির্যাতনসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। শনিবার রাত ৯টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচি শাহবাগে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে মিছিল শুরু করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্য হয়ে শাহবাগে যান। বিক্ষোভ মিছিলে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা, মহানগর শাখা এবং বিভিন্ন কলেজ শাখার নেতা-কর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।
সমাবেশে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ইসলামী ছাত্রশিবিরের পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রকাশ না করার সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীর আমির, ইসলামী ছাত্রশিবিরের শীর্ষ নেতারা এবং দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা দেশে গুমের ঘটনা পুনরায় শুরু হয়েছে বলে দাবি করছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সরকারকে বিতর্কিত করার উদ্দেশ্যে এই প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
রাকিবুল ইসলাম রাকিব আরও বলেন, “যারা বিগত দুই বছর প্রতিনিয়ত মবকে উসকানি দিয়েছে এবং সরাসরি মব তৈরি করেছে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে, যারা সোশ্যাল মিডিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে অনবরত প্রোপাগান্ডা, মিথ্যাচার এবং নোংরামিতে লিপ্ত আছে, তাদের প্রতি আমরা ধিক্কার জানাচ্ছি।”
ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন বলেন, “যখন তারা গুমের একটি নাটক মঞ্চস্থ করেছে, তখন গণমাধ্যমে বলেছে সেই শিবির নেতা জিসান মিয়া নাকি তাদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী আন্তর্জাতিক সম্পাদক। যদি সে এমন বিতর্কিত কাজ না করত, গুমের নাটক না করত, তাহলে আমরা জানতেই পারতাম না যে জিসান ছাত্রশিবির কেন্দ্রীয় সংসদের সহকারী আন্তর্জাতিক সম্পাদক।”
তিনি অভিযোগ করেন, কোনো ঘটনা ঘটলেই জামায়াতে ইসলামীর আমির গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তা নিয়ে বক্তব্য দেন এবং মিথ্যা অপপ্রচার চালান।
সমাবেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস বলেন, ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে জামায়াত-শিবির জনবিরোধী রাজনীতির মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। তাঁর অভিযোগ, তারা নারী হেনস্তাকারীদের পক্ষে অবস্থান নিয়ে নারীদের সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিসরে নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে ফেলছে।




























