ঢাকা মেডিকেল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের হেনরি ফোর্ড হেলথে, চিকিৎসক মুবিনা খানের পথচলা
- প্রকাশঃ ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৪:৫২
- / 3
মিশিগান, ৩১ অক্টোবর, (প্রজন্ম কথা) – ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে চিকিৎসাশাস্ত্রে ডিগ্রি অর্জনের পর যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসা পেশায় নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন ডা. মুবিনা খান। ১৯৯২ সালে পড়াশোনা শেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে যান তিনি। বর্তমানে মিশিগান অঙ্গরাজ্যে হেনরি ফোর্ড হেলথের অধীনে পরিবার চিকিৎসক হিসেবে কাজ করছেন। শিশু থেকে প্রবীণ, বিভিন্ন বয়সী রোগীকে প্রাথমিক ও প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি রোগ ব্যবস্থাপনাও তাঁর চিকিৎসাসেবার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
ডা. মুবিনা খান ১৯৯২ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল থেকে চিকিৎসাশাস্ত্রে ডিগ্রি অর্জন করেন। যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পর চিকিৎসা বিষয়ে আরও প্রশিক্ষণ নেন তিনি। তাঁর উল্লেখযোগ্য প্রশিক্ষণের মধ্যে রয়েছে মিশিগানের ম্যাকলারেন ফ্লিন্টে পরিবার চিকিৎসাবিদ্যায় রেসিডেন্সি এবং হার্লি মেডিকেল সেন্টারে ট্রানজিশনাল প্রশিক্ষণ।
বর্তমানে তিনি আমেরিকান বোর্ড অব ফ্যামিলি মেডিসিনের সনদপ্রাপ্ত চিকিৎসক। প্রায় ৩৪ বছরের পেশাগত অভিজ্ঞতা নিয়ে মিশিগানে চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন তিনি।
হেনরি ফোর্ড হেলথে চিকিৎসাসেবা
ডা. মুবিনা খান যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান হেনরি ফোর্ড হেলথের সঙ্গে যুক্ত। তিনি হেনরি ফোর্ড ম্যাকম্ব হাসপাতালে এবং ওয়াশিংটন টাউনশিপের হেনরি ফোর্ড মেডিকেল সেন্টার-অরচার্ড ভিউতে রোগী দেখেন।
তাঁর বিশেষায়িত ক্ষেত্র পরিবার চিকিৎসাবিদ্যা। এ বিভাগে তিনি প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, রোগ প্রতিরোধমূলক চিকিৎসা এবং বিভিন্ন বয়সী মানুষের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরিচর্যা নিয়ে কাজ করেন। ডায়াবেটিস, হাইপোথাইরয়েডিজমসহ দীর্ঘমেয়াদি রোগের ব্যবস্থাপনাও তাঁর চিকিৎসাসেবার অন্তর্ভুক্ত।
পরিবার চিকিৎসক হিসেবে একজন রোগীর সামগ্রিক স্বাস্থ্য পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পরামর্শ দেওয়া হয়। পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং দীর্ঘমেয়াদি রোগ নিয়ন্ত্রণে ধারাবাহিক পরিচর্যার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
ঢাকা মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাশাস্ত্রের ভিত্তি গড়ে তোলার পর যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চতর প্রশিক্ষণ ও দীর্ঘ পেশাগত অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে ডা. মুবিনা খান নিজের চিকিৎসা কার্যক্রম এগিয়ে নিয়েছেন। বর্তমানে মিশিগানে তাঁর কর্মস্থল ও চিকিৎসাসেবার ক্ষেত্র সেই দীর্ঘ পথচলারই অংশ।





























