ফলাফল ঘোষণার পরও যেন গণতান্ত্রিক শালীনতা অটুট থাকে: প্রধান উপদেষ্টা
- প্রকাশঃ ০৬:৪১:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / 24
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়ন সংক্রান্ত গণভোট শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হওয়ায় সমগ্র জাতিকে আন্তরিক অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। ফলাফল ঘোষণার পরও যেন গণতান্ত্রিক শালীনতা, সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ অটুট থাকে—সে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে প্রধান উপদেষ্টা এ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন বলে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে।
ভোটগ্রহণ শেষে দেওয়া বিবৃতিতে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্বশীল আচরণ, প্রার্থীদের সংযম এবং নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের পেশাদারি—এই সম্মিলিত প্রচেষ্টাই প্রমাণ করেছে যে গণতন্ত্রের প্রতি আমাদের অঙ্গীকার অটুট। জনগণ তাঁদের সাংবিধানিক অধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন।
তিনি বলেন, আমি নির্বাচন কমিশন, সশস্ত্র বাহিনী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসন, পর্যবেক্ষক দল, গণমাধ্যমকর্মী এবং ভোটগ্রহণে সম্পৃক্ত সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রতি বিশেষ ধন্যবাদ জানাই। তাঁদের নিষ্ঠা ও পরিশ্রমের ফলেই এই বিশাল গণতান্ত্রিক আয়োজন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, আমি রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের প্রতি আহ্বান জানাই—চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার পরও যেন গণতান্ত্রিক শালীনতা, সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ অটুট থাকে। মতের ভিন্নতা থাকবে, তবে জাতীয় স্বার্থে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
অধ্যাপক ইউনূস বলেন, বাংলাদেশ আজ আবারও প্রমাণ করেছে, জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস। এই নির্বাচন আমাদের জন্য আনন্দের ও উৎসবের উপলক্ষ। এর মধ্য দিয়ে নতুন বাংলাদেশের এক অভূতপূর্ব যাত্রা শুরু হলো।
তিনি বলেন, দেশের ইতিহাসে এটি অন্যতম শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর নির্বাচন। এই ধারা অব্যাহত থাকলে গণতন্ত্র আরও শক্তিশালী হবে। গণতন্ত্রকে সুদৃঢ় করার এই অভিযাত্রায় সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

















