ঢাকা ০৩:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে জামায়াতে ইসলামী প্রতিনিধি দলের বৈঠক

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশঃ ১০:০৫:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 60

আজ রোববার প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর চার সদস্যদের প্রতিনিধি দল। বৈঠকটি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত হয়। জামায়াতের আমির শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে এতে অংশ নেন সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের, মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং রফিকুল ইসলাম খান।

বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ, গৃহায়ন ও গণপূর্ত, শিল্প, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক, সেতু ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।

No photo description available.


বৈঠকে নির্বাচনের বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। জামায়াতে ইসলামী নেতারা জানান, আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে পূর্ণোদ্যমে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে। এর আগে গণভোটে “হ্যাঁ” এর পক্ষে তাদের প্রচারণা ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, “যেভাবেই হোক আমাদের ভালো নির্বাচন করতে হবে। নির্বাচন সংক্রান্ত যেকোনো জরুরি তথ্য, অভিযোগ বা মতামত আমাদের জানাবেন; আমরা তাৎক্ষণিকভাবে নির্বাচন কমিশনের নজরে আনব। সরকারের যদি কোনো ব্যবস্থা নেয়ার থাকে, নেব।”

নির্বাচন কেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা দ্রুত ইনস্টল করা হবে বলে জানান প্রধান উপদেষ্টা। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বডি ক্যামেরাও থাকবে। সব মনিটরিং কন্ট্রোল রুম থেকে করা হবে এবং ফুটেজ রেকর্ড থাকবে যাতে কোনো অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটামাত্রই ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

গণভোটে “হ্যাঁ” ভোটের পক্ষে সরকারের প্রচারণা আইনসম্মত কিনা সম্পর্কে তিনি বলেন, “আমরা সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত হয়েছি, এতে কোনো আইনগত বাধা নেই। এবার নির্বাচনের পরিবেশ সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর রাখতে সরকারের, নির্বাচন কমিশন ও রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব সমান।”

প্রধান উপদেষ্টা আরও জানান, নির্বাচনের সময় স্থানীয় পর্যায়ে উদ্ভূত বিরোধ নিরসনের জন্য সব রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া, অভিযোগ গ্রহণের জন্য একটি হটলাইন নম্বর চালু থাকবে।

তিনি সবাইকে আহ্বান জানান, নির্বাচনে জয়-পরাজয় যাই হোক না কেন, ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশ ও নির্বাচনের স্বার্থে কাজ করতে হবে।

সর্বশেষ খবর পেতে অনুসরণ করুন- “প্রজন্ম কথা”

শেয়ার করুন

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে জামায়াতে ইসলামী প্রতিনিধি দলের বৈঠক

প্রকাশঃ ১০:০৫:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

আজ রোববার প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর চার সদস্যদের প্রতিনিধি দল। বৈঠকটি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত হয়। জামায়াতের আমির শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে এতে অংশ নেন সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের, মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং রফিকুল ইসলাম খান।

বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ, গৃহায়ন ও গণপূর্ত, শিল্প, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক, সেতু ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।

No photo description available.


বৈঠকে নির্বাচনের বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। জামায়াতে ইসলামী নেতারা জানান, আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে পূর্ণোদ্যমে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে। এর আগে গণভোটে “হ্যাঁ” এর পক্ষে তাদের প্রচারণা ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, “যেভাবেই হোক আমাদের ভালো নির্বাচন করতে হবে। নির্বাচন সংক্রান্ত যেকোনো জরুরি তথ্য, অভিযোগ বা মতামত আমাদের জানাবেন; আমরা তাৎক্ষণিকভাবে নির্বাচন কমিশনের নজরে আনব। সরকারের যদি কোনো ব্যবস্থা নেয়ার থাকে, নেব।”

নির্বাচন কেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা দ্রুত ইনস্টল করা হবে বলে জানান প্রধান উপদেষ্টা। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বডি ক্যামেরাও থাকবে। সব মনিটরিং কন্ট্রোল রুম থেকে করা হবে এবং ফুটেজ রেকর্ড থাকবে যাতে কোনো অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটামাত্রই ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

গণভোটে “হ্যাঁ” ভোটের পক্ষে সরকারের প্রচারণা আইনসম্মত কিনা সম্পর্কে তিনি বলেন, “আমরা সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত হয়েছি, এতে কোনো আইনগত বাধা নেই। এবার নির্বাচনের পরিবেশ সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর রাখতে সরকারের, নির্বাচন কমিশন ও রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব সমান।”

প্রধান উপদেষ্টা আরও জানান, নির্বাচনের সময় স্থানীয় পর্যায়ে উদ্ভূত বিরোধ নিরসনের জন্য সব রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া, অভিযোগ গ্রহণের জন্য একটি হটলাইন নম্বর চালু থাকবে।

তিনি সবাইকে আহ্বান জানান, নির্বাচনে জয়-পরাজয় যাই হোক না কেন, ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশ ও নির্বাচনের স্বার্থে কাজ করতে হবে।

সর্বশেষ খবর পেতে অনুসরণ করুন- “প্রজন্ম কথা”