ঢাকা ১১:৩৭ , Fri, ১১ Sep ২০২৬
বিশ্বসমাচার
যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা, গ্রিন কার্ডসহ অভিবাসন আবেদনে নতুন নিয়ম, শুরুতেই দিতে হবে যোগ্যতার প্রমাণ

যুক্তরাষ্ট্র ডেস্ক
  • প্রকাশঃ ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২৩:২১
  • / 73
ফাইল ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা, গ্রিন কার্ডসহ বিভিন্ন অভিবাসন সুবিধার আবেদন প্রক্রিয়ায় নতুন নীতিমালা কার্যকর করেছে মার্কিন সরকার। নতুন নিয়মে আবেদন জমা দেওয়ার সময়ই সংশ্লিষ্ট সুবিধা পাওয়ার যোগ্যতার প্রমাণ ও প্রয়োজনীয় প্রাথমিক নথি দিতে হবে। এসব তথ্য বা প্রমাণের ঘাটতি থাকলে অতিরিক্ত নথি চাওয়ার সুযোগ না দিয়েই আবেদন প্রত্যাখ্যান করতে পারবেন ইউএসসিআইএস কর্মকর্তারা।

বৃহস্পতিবার ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে বুধবার মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা বিভাগ (ইউএসসিআইএস) নতুন নীতিমালা কার্যকরের বিষয়টি জানায়।

ইউএসসিআইএস বলেছে, অভিবাসন সুবিধার জন্য আবেদনকারীদের আবেদন জমা দেওয়ার সময়ই সংশ্লিষ্ট যোগ্যতার প্রমাণ এবং প্রয়োজনীয় প্রাথমিক নথিপত্র জমা দিতে হবে।

নতুন নীতির আওতায় কোনো আবেদনকারী প্রয়োজনীয় প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হলে কর্মকর্তারা অতিরিক্ত তথ্য চেয়ে রিকোয়েস্ট ফর এভিডেন্স (RFE) পাঠানো ছাড়াই আবেদন প্রত্যাখ্যান করতে পারবেন। একইভাবে, প্রত্যাখ্যানের আগে নোটিশ অব ইনটেন্ট টু ডিনাই (NOID) জারি করাও বাধ্যতামূলক হবে না।

অর্থাৎ, আবেদন জমা দেওয়ার সময় প্রয়োজনীয় নথিপত্রের ঘাটতি থাকলে আবেদনকারীকে পরে তা পূরণ করার সুযোগ সব ক্ষেত্রে দেওয়া নাও হতে পারে।

ইউএসসিআইএস জানিয়েছে, প্রতিটি অভিবাসন সুবিধার আবেদন ফরম ও সংশ্লিষ্ট নির্দেশিকায় প্রয়োজনীয় নথি এবং যোগ্যতার প্রমাণ সম্পর্কে তথ্য দেওয়া থাকে। ফলে আবেদনকারীদের শুরুতেই নির্ধারিত তথ্য ও নথিপত্র সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত করে আবেদন জমা দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সংস্থাটির দাবি, নতুন নীতিটি অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিভাগ (ডিএইচএস)-এর বিদ্যমান নিয়ন্ত্রক ক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এর মাধ্যমে আবেদন প্রক্রিয়া আরও কার্যকর করা এবং পর্যাপ্ত ভিত্তি নেই—এমন আবেদন কমানো সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে ইউএসসিআইএস।

নতুন নির্দেশনার মাধ্যমে বাইডেন প্রশাসনের সময়ে চালু হওয়া একটি নীতিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। ওই নীতিতে আবেদন অসম্পূর্ণ থাকা বা প্রয়োজনীয় প্রমাণের ঘাটতি থাকলেও আবেদন সরাসরি প্রত্যাখ্যানের আগে কর্মকর্তাদের আবেদনকারীর কাছে অতিরিক্ত তথ্য চাওয়ার জন্য RFE পাঠাতে উৎসাহিত করা হয়েছিল।

নতুন নীতিতে সেই সুযোগ সীমিত করা হয়েছে। ফলে আবেদনকারীদের জন্য আবেদন জমা দেওয়ার আগেই যোগ্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় নথি প্রস্তুত করা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

ইউএসসিআইএস জানিয়েছে, ৫ আগস্ট নীতিমালা প্রকাশের পর থেকেই এটি কার্যকর হয়েছে। বিদ্যমান আইন বা ইউএসসিআইএসের অন্য কোনো নীতিতে ভিন্ন নির্দেশনা না থাকলে, ২০২৬ সালের ৫ আগস্ট বা এরপর জমা দেওয়া এবং ওই তারিখে বিচারাধীন থাকা অভিবাসন-সুবিধার আবেদনের ক্ষেত্রেও নতুন নিয়ম প্রযোজ্য হবে।

নতুন নীতির ফলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা, গ্রিন কার্ড ও অন্যান্য অভিবাসন সুবিধার আবেদনকারীদের আবেদন জমা দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট ফরমের নির্দেশনা অনুযায়ী যোগ্যতার প্রমাণ ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত করার প্রয়োজন হবে।

❤️
👏
🙂
😞

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা, গ্রিন কার্ডসহ অভিবাসন আবেদনে নতুন নিয়ম, শুরুতেই দিতে হবে যোগ্যতার প্রমাণ

প্রকাশঃ ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২৩:২১

যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা, গ্রিন কার্ডসহ বিভিন্ন অভিবাসন সুবিধার আবেদন প্রক্রিয়ায় নতুন নীতিমালা কার্যকর করেছে মার্কিন সরকার। নতুন নিয়মে আবেদন জমা দেওয়ার সময়ই সংশ্লিষ্ট সুবিধা পাওয়ার যোগ্যতার প্রমাণ ও প্রয়োজনীয় প্রাথমিক নথি দিতে হবে। এসব তথ্য বা প্রমাণের ঘাটতি থাকলে অতিরিক্ত নথি চাওয়ার সুযোগ না দিয়েই আবেদন প্রত্যাখ্যান করতে পারবেন ইউএসসিআইএস কর্মকর্তারা।

বৃহস্পতিবার ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে বুধবার মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা বিভাগ (ইউএসসিআইএস) নতুন নীতিমালা কার্যকরের বিষয়টি জানায়।

ইউএসসিআইএস বলেছে, অভিবাসন সুবিধার জন্য আবেদনকারীদের আবেদন জমা দেওয়ার সময়ই সংশ্লিষ্ট যোগ্যতার প্রমাণ এবং প্রয়োজনীয় প্রাথমিক নথিপত্র জমা দিতে হবে।

নতুন নীতির আওতায় কোনো আবেদনকারী প্রয়োজনীয় প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হলে কর্মকর্তারা অতিরিক্ত তথ্য চেয়ে রিকোয়েস্ট ফর এভিডেন্স (RFE) পাঠানো ছাড়াই আবেদন প্রত্যাখ্যান করতে পারবেন। একইভাবে, প্রত্যাখ্যানের আগে নোটিশ অব ইনটেন্ট টু ডিনাই (NOID) জারি করাও বাধ্যতামূলক হবে না।

অর্থাৎ, আবেদন জমা দেওয়ার সময় প্রয়োজনীয় নথিপত্রের ঘাটতি থাকলে আবেদনকারীকে পরে তা পূরণ করার সুযোগ সব ক্ষেত্রে দেওয়া নাও হতে পারে।

ইউএসসিআইএস জানিয়েছে, প্রতিটি অভিবাসন সুবিধার আবেদন ফরম ও সংশ্লিষ্ট নির্দেশিকায় প্রয়োজনীয় নথি এবং যোগ্যতার প্রমাণ সম্পর্কে তথ্য দেওয়া থাকে। ফলে আবেদনকারীদের শুরুতেই নির্ধারিত তথ্য ও নথিপত্র সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত করে আবেদন জমা দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সংস্থাটির দাবি, নতুন নীতিটি অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিভাগ (ডিএইচএস)-এর বিদ্যমান নিয়ন্ত্রক ক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এর মাধ্যমে আবেদন প্রক্রিয়া আরও কার্যকর করা এবং পর্যাপ্ত ভিত্তি নেই—এমন আবেদন কমানো সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে ইউএসসিআইএস।

নতুন নির্দেশনার মাধ্যমে বাইডেন প্রশাসনের সময়ে চালু হওয়া একটি নীতিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। ওই নীতিতে আবেদন অসম্পূর্ণ থাকা বা প্রয়োজনীয় প্রমাণের ঘাটতি থাকলেও আবেদন সরাসরি প্রত্যাখ্যানের আগে কর্মকর্তাদের আবেদনকারীর কাছে অতিরিক্ত তথ্য চাওয়ার জন্য RFE পাঠাতে উৎসাহিত করা হয়েছিল।

নতুন নীতিতে সেই সুযোগ সীমিত করা হয়েছে। ফলে আবেদনকারীদের জন্য আবেদন জমা দেওয়ার আগেই যোগ্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় নথি প্রস্তুত করা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

ইউএসসিআইএস জানিয়েছে, ৫ আগস্ট নীতিমালা প্রকাশের পর থেকেই এটি কার্যকর হয়েছে। বিদ্যমান আইন বা ইউএসসিআইএসের অন্য কোনো নীতিতে ভিন্ন নির্দেশনা না থাকলে, ২০২৬ সালের ৫ আগস্ট বা এরপর জমা দেওয়া এবং ওই তারিখে বিচারাধীন থাকা অভিবাসন-সুবিধার আবেদনের ক্ষেত্রেও নতুন নিয়ম প্রযোজ্য হবে।

নতুন নীতির ফলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা, গ্রিন কার্ড ও অন্যান্য অভিবাসন সুবিধার আবেদনকারীদের আবেদন জমা দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট ফরমের নির্দেশনা অনুযায়ী যোগ্যতার প্রমাণ ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত করার প্রয়োজন হবে।