ঢাকা ০৪:৫৬ রবিবার, Tue, ৩০ Jun ২০২৬

গাজায় ২০ হাজারের বেশি শিশু নিহত, শিশুদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ

প্রজন্ম কথা ডেস্ক
  • প্রকাশঃ ০২:১৪:৫০ রবিবার, ৩০ জুন ২০২৬
  • / 5

গ্রাফিক্স: প্রজন্ম কথা


গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে ফিলিস্তিনি শিশুদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে এবং এসব কর্মকাণ্ড গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধের পর্যায়ে পড়তে পারে বলে অভিযোগ করেছে জাতিসংঘের একটি স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশন। কমিশনের সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শিশুদের হত্যা, আহত করা, অনাহারে রাখা, আটক এবং মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করার ঘটনাগুলো বিচ্ছিন্ন নয়; বরং এগুলো একটি সুসংগঠিত নীতির অংশ হওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

গত ২৩ জুন প্রকাশিত জাতিসংঘের দখলকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড, পূর্ব জেরুজালেম ও ইসরায়েলবিষয়ক স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনের শিরোনাম “The Essence of Childhood Has Been Destroyed”। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজা উপত্যকার পাশাপাশি অধিকৃত পশ্চিম তীরেও শিশুদের বিরুদ্ধে সংঘটিত বিভিন্ন ঘটনায় যুদ্ধাপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

সাক্ষ্য, ফরেনসিক তথ্য, স্যাটেলাইট চিত্র, সামরিক বিশ্লেষণ, চিকিৎসা নথি এবং দীর্ঘ সময়ের তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করা হয়েছে। কমিশনের মতে, শিশুদের মৃত্যু বা ক্ষয়ক্ষতিকে যুদ্ধের অনিবার্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে ব্যাখ্যা করা যায় না। তদন্তে বহু ক্ষেত্রে শিশুদের সরাসরি লক্ষ্যবস্তু করার অভিযোগ উঠে এসেছে।

২০ হাজারের বেশি শিশুর মৃত্যু

কমিশনের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত গাজায় অন্তত ২০ হাজার ১৭৯ জন ফিলিস্তিনি শিশু নিহত হয়েছে এবং আহত হয়েছে ৪৪ হাজারের বেশি। নিহত ফিলিস্তিনিদের প্রায় ৩০ শতাংশই শিশু। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনেক শিশুকে স্নাইপারের গুলিতে হত্যা করা হয়েছে, কেউ ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে, আবার অনেকে খাদ্য বা পানি সংগ্রহ করতে গিয়ে নিহত হয়েছে। কোনো সামরিক হুমকি সৃষ্টি না করলেও শিশুদের ওপর হামলার একাধিক ঘটনাও নথিভুক্ত করা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়েছে, ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় বারবার উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরক ব্যবহার, মাতৃসদন, নবজাতক ইউনিট, স্কুল, এতিমখানা এবং আশ্রয়কেন্দ্রে হামলার ঘটনাও তদন্তে উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে খাদ্য, পানি ও ওষুধ সরবরাহে বাধা দেওয়ার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে। কমিশনের মতে, অনাহার, রোগব্যাধি এবং স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা ভেঙে পড়াকে বেসামরিক জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনার কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শিশুরা।

একই সঙ্গে গাজা ও পশ্চিম তীরে আটক ফিলিস্তিনি শিশুদের ওপর নির্যাতন, যৌন সহিংসতা, অপমানজনক আচরণ এবং পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ না দিয়ে আটকে রাখার অভিযোগও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। কমিশনের মতে, এসব কর্মকাণ্ড প্রজন্মের পর প্রজন্ম ফিলিস্তিনি সমাজকে শাস্তি দেওয়ার বৃহত্তর ব্যবস্থার অংশ।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাণহানির পাশাপাশি যুদ্ধ শিশুদের স্বাভাবিক শৈশবও কেড়ে নিয়েছে। মানসিক আঘাত, বাবা-মা হারানো, বারবার বাস্তুচ্যুত হওয়া, অনাহার, শিক্ষাব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া এবং স্থায়ী শারীরিক অক্ষমতা মিলিয়ে শিশুদের জীবন গভীরভাবে বিপর্যস্ত হয়েছে।

এ কারণেই প্রতিবেদনের শিরোনামে বলা হয়েছে, “শৈশবের মূল সত্তাই ধ্বংস হয়ে গেছে।” কমিশনের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, এ ধরনের অভিযোগ নতুন নয়। এর আগে সেভ দ্য চিলড্রেন, ডিফেন্স ফর চিলড্রেন ইন্টারন্যাশনাল-প্যালেস্টাইন, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এবং ইউনিসেফ পৃথকভাবে শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা, হাসপাতাল ও স্কুলে হামলা এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছিল।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নতুন এই তদন্ত মূলত বিভিন্ন সংস্থার দীর্ঘদিনের তথ্য-প্রমাণ একত্র করে একটি আইনি মূল্যায়ন উপস্থাপন করেছে।

প্রতিবেদনে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে, ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে দক্ষিণ আফ্রিকার করা গণহত্যার অভিযোগসংক্রান্ত মামলায় আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে) প্রাথমিকভাবে অভিযোগকে “যৌক্তিকভাবে গ্রহণযোগ্য” বলে মন্তব্য করে এবং ইসরায়েলকে গণহত্যা প্রতিরোধ, প্রমাণ সংরক্ষণ ও মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তী নির্দেশনা দিয়েছিল।

যদিও মামলার চূড়ান্ত রায় এখনো হয়নি, কমিশনের মতে, নতুন এই প্রতিবেদন ভবিষ্যতের আইনি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। প্রতিবেদন প্রকাশের পর ইসরায়েল সব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। দেশটির কর্মকর্তারা তদন্তকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং পক্ষপাতদুষ্ট বলে আখ্যা দিয়েছেন।

তবে কমিশনের বক্তব্য, বিপুলসংখ্যক শিশু নিহত হওয়ার পর কেবল পক্ষপাতের অভিযোগ তুলে তদন্তকে নাকচ করা যথেষ্ট নয়। নির্দিষ্ট ঘটনাগুলোর বিষয়ে তথ্যভিত্তিক জবাব দেওয়া প্রয়োজন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনটির উপসংহারে বলা হয়েছে, গাজার পরিস্থিতি কেবল ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের বিষয় নয়; এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর গড়ে ওঠা আন্তর্জাতিক আইনি কাঠামোর কার্যকারিতারও একটি পরীক্ষা। কমিশনের মতে, যদি হাজার হাজার শিশু নিহত হওয়ার পরও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা কার্যকরভাবে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে না পারে, তাহলে গণহত্যা সনদ, জেনেভা কনভেনশন এবং শিশু অধিকার সনদের কার্যকারিতা নিয়েই প্রশ্ন উঠবে।

শেয়ার করুন

গাজায় ২০ হাজারের বেশি শিশু নিহত, শিশুদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ

প্রকাশঃ ০২:১৪:৫০ রবিবার, ৩০ জুন ২০২৬

গ্রাফিক্স: প্রজন্ম কথা


গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে ফিলিস্তিনি শিশুদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে এবং এসব কর্মকাণ্ড গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধের পর্যায়ে পড়তে পারে বলে অভিযোগ করেছে জাতিসংঘের একটি স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশন। কমিশনের সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শিশুদের হত্যা, আহত করা, অনাহারে রাখা, আটক এবং মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করার ঘটনাগুলো বিচ্ছিন্ন নয়; বরং এগুলো একটি সুসংগঠিত নীতির অংশ হওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

গত ২৩ জুন প্রকাশিত জাতিসংঘের দখলকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড, পূর্ব জেরুজালেম ও ইসরায়েলবিষয়ক স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনের শিরোনাম “The Essence of Childhood Has Been Destroyed”। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজা উপত্যকার পাশাপাশি অধিকৃত পশ্চিম তীরেও শিশুদের বিরুদ্ধে সংঘটিত বিভিন্ন ঘটনায় যুদ্ধাপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

সাক্ষ্য, ফরেনসিক তথ্য, স্যাটেলাইট চিত্র, সামরিক বিশ্লেষণ, চিকিৎসা নথি এবং দীর্ঘ সময়ের তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করা হয়েছে। কমিশনের মতে, শিশুদের মৃত্যু বা ক্ষয়ক্ষতিকে যুদ্ধের অনিবার্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে ব্যাখ্যা করা যায় না। তদন্তে বহু ক্ষেত্রে শিশুদের সরাসরি লক্ষ্যবস্তু করার অভিযোগ উঠে এসেছে।

২০ হাজারের বেশি শিশুর মৃত্যু

কমিশনের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত গাজায় অন্তত ২০ হাজার ১৭৯ জন ফিলিস্তিনি শিশু নিহত হয়েছে এবং আহত হয়েছে ৪৪ হাজারের বেশি। নিহত ফিলিস্তিনিদের প্রায় ৩০ শতাংশই শিশু। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনেক শিশুকে স্নাইপারের গুলিতে হত্যা করা হয়েছে, কেউ ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে, আবার অনেকে খাদ্য বা পানি সংগ্রহ করতে গিয়ে নিহত হয়েছে। কোনো সামরিক হুমকি সৃষ্টি না করলেও শিশুদের ওপর হামলার একাধিক ঘটনাও নথিভুক্ত করা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়েছে, ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় বারবার উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরক ব্যবহার, মাতৃসদন, নবজাতক ইউনিট, স্কুল, এতিমখানা এবং আশ্রয়কেন্দ্রে হামলার ঘটনাও তদন্তে উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে খাদ্য, পানি ও ওষুধ সরবরাহে বাধা দেওয়ার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে। কমিশনের মতে, অনাহার, রোগব্যাধি এবং স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা ভেঙে পড়াকে বেসামরিক জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনার কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শিশুরা।

একই সঙ্গে গাজা ও পশ্চিম তীরে আটক ফিলিস্তিনি শিশুদের ওপর নির্যাতন, যৌন সহিংসতা, অপমানজনক আচরণ এবং পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ না দিয়ে আটকে রাখার অভিযোগও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। কমিশনের মতে, এসব কর্মকাণ্ড প্রজন্মের পর প্রজন্ম ফিলিস্তিনি সমাজকে শাস্তি দেওয়ার বৃহত্তর ব্যবস্থার অংশ।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাণহানির পাশাপাশি যুদ্ধ শিশুদের স্বাভাবিক শৈশবও কেড়ে নিয়েছে। মানসিক আঘাত, বাবা-মা হারানো, বারবার বাস্তুচ্যুত হওয়া, অনাহার, শিক্ষাব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া এবং স্থায়ী শারীরিক অক্ষমতা মিলিয়ে শিশুদের জীবন গভীরভাবে বিপর্যস্ত হয়েছে।

এ কারণেই প্রতিবেদনের শিরোনামে বলা হয়েছে, “শৈশবের মূল সত্তাই ধ্বংস হয়ে গেছে।” কমিশনের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, এ ধরনের অভিযোগ নতুন নয়। এর আগে সেভ দ্য চিলড্রেন, ডিফেন্স ফর চিলড্রেন ইন্টারন্যাশনাল-প্যালেস্টাইন, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এবং ইউনিসেফ পৃথকভাবে শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা, হাসপাতাল ও স্কুলে হামলা এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছিল।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নতুন এই তদন্ত মূলত বিভিন্ন সংস্থার দীর্ঘদিনের তথ্য-প্রমাণ একত্র করে একটি আইনি মূল্যায়ন উপস্থাপন করেছে।

প্রতিবেদনে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে, ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে দক্ষিণ আফ্রিকার করা গণহত্যার অভিযোগসংক্রান্ত মামলায় আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে) প্রাথমিকভাবে অভিযোগকে “যৌক্তিকভাবে গ্রহণযোগ্য” বলে মন্তব্য করে এবং ইসরায়েলকে গণহত্যা প্রতিরোধ, প্রমাণ সংরক্ষণ ও মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তী নির্দেশনা দিয়েছিল।

যদিও মামলার চূড়ান্ত রায় এখনো হয়নি, কমিশনের মতে, নতুন এই প্রতিবেদন ভবিষ্যতের আইনি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। প্রতিবেদন প্রকাশের পর ইসরায়েল সব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। দেশটির কর্মকর্তারা তদন্তকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং পক্ষপাতদুষ্ট বলে আখ্যা দিয়েছেন।

তবে কমিশনের বক্তব্য, বিপুলসংখ্যক শিশু নিহত হওয়ার পর কেবল পক্ষপাতের অভিযোগ তুলে তদন্তকে নাকচ করা যথেষ্ট নয়। নির্দিষ্ট ঘটনাগুলোর বিষয়ে তথ্যভিত্তিক জবাব দেওয়া প্রয়োজন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনটির উপসংহারে বলা হয়েছে, গাজার পরিস্থিতি কেবল ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের বিষয় নয়; এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর গড়ে ওঠা আন্তর্জাতিক আইনি কাঠামোর কার্যকারিতারও একটি পরীক্ষা। কমিশনের মতে, যদি হাজার হাজার শিশু নিহত হওয়ার পরও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা কার্যকরভাবে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে না পারে, তাহলে গণহত্যা সনদ, জেনেভা কনভেনশন এবং শিশু অধিকার সনদের কার্যকারিতা নিয়েই প্রশ্ন উঠবে।