ঢাকা ১০:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারতে নেতাকর্মীদের ঢল, জিয়া উদ্যানে জনসমাগম

  • প্রকাশঃ ১২:২৯:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 56

সদ্যপ্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করতে জিয়া উদ্যানে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ঢল নেমেছে। শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) সকাল থেকেই বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন ব্যানার ও মিছিল নিয়ে জিয়া উদ্যানে আসতে শুরু করেন।

এর আগে খালেদা জিয়ার নাতনি ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমান, ছোট ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শর্মিলা রহমানসহ পরিবারের নিকটাত্মীয়রা কবর জিয়ারত করেন। এ সময় স্বল্প সময়ের জন্য সাধারণ মানুষের প্রবেশ বন্ধ রাখা হলেও পরে তা উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।

কবর জিয়ারত করতে ধানমন্ডি থেকে আসা মোখলেছুর রহমান বলেন, আমার নেত্রীর কবর জিয়ারত করতে এসেছি। আল্লাহর কাছে তার জন্য দোয়া করেছি—তিনি যেন জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন।

গেন্ডারিয়া থেকে পরিবারসহ জিয়া উদ্যানে আসা মুজিবুল হক বলেন, খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করতে এসেছি। তিনি দেশের গণতন্ত্রের জন্য আজীবন সংগ্রাম করেছেন।

জাতীয় সংসদ ভবনের উত্তর পাশের সড়কে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বাস ও মাইক্রোবাসে করে আসা নেতাকর্মীদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। তারা ছোট ছোট মিছিল নিয়ে জিয়া উদ্যানে প্রবেশ করে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করেন।

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ থেকে আসা শাফিউর রহমান সাফি বলেন, নেত্রীর দাফনের দিন অফিস থাকায় আসতে পারিনি। গতকালও চেষ্টা করেছিলাম। আজ ছুটি থাকায় রাতেই রওনা দিয়ে সকালে ঢাকায় পৌঁছে কবর জিয়ারত করেছি।

কবর জিয়ারতকে কেন্দ্র করে জিয়া উদ্যানে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন।

উল্লেখ্য, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শুক্রবার দেশজুড়ে তৃতীয় ও শেষ দিনের মতো রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হচ্ছে। এ উপলক্ষে দেশের সকল মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে। জুমার নামাজের পর সকল মসজিদে তার রুহের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

গত ৩১ ডিসেম্বর বুধবার পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বেগম খালেদা জিয়াকে তাঁর স্বামী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে দাফন করা হয়। দাফনের আগে সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে মরহুমার প্রতি রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করা হয়। ছেলে তারেক রহমান পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে দাফন কার্যক্রমে অংশ নেন।

সর্বশেষ খবর পেতে অনুসরণ করুন- “প্রজন্ম কথা”

শেয়ার করুন

খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারতে নেতাকর্মীদের ঢল, জিয়া উদ্যানে জনসমাগম

প্রকাশঃ ১২:২৯:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬

সদ্যপ্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করতে জিয়া উদ্যানে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ঢল নেমেছে। শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) সকাল থেকেই বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন ব্যানার ও মিছিল নিয়ে জিয়া উদ্যানে আসতে শুরু করেন।

এর আগে খালেদা জিয়ার নাতনি ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমান, ছোট ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শর্মিলা রহমানসহ পরিবারের নিকটাত্মীয়রা কবর জিয়ারত করেন। এ সময় স্বল্প সময়ের জন্য সাধারণ মানুষের প্রবেশ বন্ধ রাখা হলেও পরে তা উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।

কবর জিয়ারত করতে ধানমন্ডি থেকে আসা মোখলেছুর রহমান বলেন, আমার নেত্রীর কবর জিয়ারত করতে এসেছি। আল্লাহর কাছে তার জন্য দোয়া করেছি—তিনি যেন জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন।

গেন্ডারিয়া থেকে পরিবারসহ জিয়া উদ্যানে আসা মুজিবুল হক বলেন, খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করতে এসেছি। তিনি দেশের গণতন্ত্রের জন্য আজীবন সংগ্রাম করেছেন।

জাতীয় সংসদ ভবনের উত্তর পাশের সড়কে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বাস ও মাইক্রোবাসে করে আসা নেতাকর্মীদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। তারা ছোট ছোট মিছিল নিয়ে জিয়া উদ্যানে প্রবেশ করে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করেন।

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ থেকে আসা শাফিউর রহমান সাফি বলেন, নেত্রীর দাফনের দিন অফিস থাকায় আসতে পারিনি। গতকালও চেষ্টা করেছিলাম। আজ ছুটি থাকায় রাতেই রওনা দিয়ে সকালে ঢাকায় পৌঁছে কবর জিয়ারত করেছি।

কবর জিয়ারতকে কেন্দ্র করে জিয়া উদ্যানে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন।

উল্লেখ্য, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শুক্রবার দেশজুড়ে তৃতীয় ও শেষ দিনের মতো রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হচ্ছে। এ উপলক্ষে দেশের সকল মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে। জুমার নামাজের পর সকল মসজিদে তার রুহের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

গত ৩১ ডিসেম্বর বুধবার পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বেগম খালেদা জিয়াকে তাঁর স্বামী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে দাফন করা হয়। দাফনের আগে সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে মরহুমার প্রতি রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করা হয়। ছেলে তারেক রহমান পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে দাফন কার্যক্রমে অংশ নেন।

সর্বশেষ খবর পেতে অনুসরণ করুন- “প্রজন্ম কথা”