ঢাকা ০৬:২৬ , Fri, ১০ Jul ২০২৬
বিশ্বসমাচার
আমেরিকা

ফ্লোরিডার পাম বিচ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নতুন নাম ‘প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট’

নিজস্ব প্রতিবেদক । ফ্লোরিডা
  • প্রকাশঃ ১০ জুলাই ২০২৬, ১৬:৪৯
  • / 3
ফ্লোরিডার পাম বিচ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, যার নতুন নাম রাখা হয়েছে ‘প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট’ ছবি: কোলাজ / প্রজন্ম কথা

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার পাম বিচ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে পরিবর্তন করে ‘প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট’ রাখা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার থেকে নতুন নাম কার্যকর হয়েছে। তবে যাত্রীদের পরিচিত তিন অক্ষরের বিমানবন্দর কোড PBI পরিবর্তন করে DJT করতে আরও কিছু সময় লাগবে।

ফ্লোরিডার গভর্নর রন ডিস্যান্টিস গত মার্চ মাসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্মানে বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তনের আইনে স্বাক্ষর করেন। পরে ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এফএএ) নির্দেশনা অনুযায়ী ৯ জুলাই থেকে নতুন নাম কার্যকর করা হয়।

নাম পরিবর্তন কার্যকর হলেও আগামী ১৮ আগস্টের আগে বিমানবন্দরের কোড PBI পরিবর্তন করে DJT করা হচ্ছে না। এই সময়ের মধ্যে পাইলট, এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলার এবং বিমান চলাচল সংশ্লিষ্টরা ধাপে ধাপে নতুন কোড ব্যবহারের প্রস্তুতি নিলেও সাধারণ যাত্রীরা টিকিট বুকিং ও ফ্লাইট সংক্রান্ত তথ্যের জন্য আগের PBI কোডই ব্যবহার করবেন।

অ্যাটমোস্ফিয়ার রিসার্চ গ্রুপের এয়ারলাইন শিল্প বিশ্লেষক হেনরি হার্টেভেল্ড জানান, যাত্রীদের কোনো ধরনের অসুবিধা এড়াতে এবং লাগেজ সঠিক গন্তব্যে পৌঁছানো নিশ্চিত করতে এয়ারলাইনগুলো তাদের বুকিং ও পরিচালন ব্যবস্থায় বিশেষ ‘হার্ড কোডিং’ যুক্ত করেছে। ফলে যাত্রীরা ওয়েবসাইটে PBI লিখে অনুসন্ধান করলেও স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন নামের বিমানবন্দরের তথ্য দেখতে পারবেন।

এ ছাড়া ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টদের নতুন নাম ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়নি। তারা চাইলে যাত্রীদের ‘ওয়েস্ট পাম বিচে স্বাগতম’ বলেও অভ্যর্থনা জানাতে পারবেন।

সাধারণত আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন সংস্থা (আইএটিএ) খুব সহজে কোনো বিমানবন্দরের কোড পরিবর্তনের অনুমতি দেয় না। নিরাপত্তাসংক্রান্ত বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া এসব কোড স্থায়ী হিসেবেই বিবেচিত হয়। তবে পাম বিচ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পরিচালনাকারী শীর্ষ মার্কিন এয়ারলাইনস, যেমন ডেল্টা, ইউনাইটেড, আমেরিকান এয়ারলাইন্স, জেটব্লু এবং সাউথওয়েস্টের বিশেষ অনুরোধের পর কোড পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ তাদের ওয়েবসাইটে যাত্রীদের আগামী আগস্ট পর্যন্ত PBI কোড ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে। প্রতি বছর প্রায় ৮০ লাখ যাত্রী এই বিমানবন্দর ব্যবহার করেন। ডোনাল্ড ট্রাম্পও ফ্লোরিডার মার-এ-লাগো রিসোর্টে যাতায়াতের জন্য নিয়মিত এই বিমানবন্দর ব্যবহার করে থাকেন।

গত মে মাসে পাম বিচ কাউন্টির কমিশনাররা নামকরণসংক্রান্ত লাইসেন্সিং চুক্তির অনুমোদন দেন। ট্রাম্প অর্গানাইজেশন বিমানবন্দরের নামে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম ব্যবহারের জন্য ট্রেডমার্ক আবেদন করার পর এই চুক্তি সম্পন্ন হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ তাদের প্রচারণায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম, ছবি বা অবয়ব ব্যবহার করতে পারবে। তবে এই বিমানবন্দর থেকে বিক্রি হওয়া কোনো পণ্য বা সেবা থেকে ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে কোনো রয়্যালটি বা আর্থিক সুবিধা পাবেন না। উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রে কোনো প্রেসিডেন্টের নামে নামকরণ করা বিমানবন্দরগুলোর মধ্যে এটি ১২তম।

❤️
👏
🙂
😞

ফ্লোরিডার পাম বিচ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নতুন নাম ‘প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট’

প্রকাশঃ ১০ জুলাই ২০২৬, ১৬:৪৯

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার পাম বিচ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে পরিবর্তন করে ‘প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট’ রাখা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার থেকে নতুন নাম কার্যকর হয়েছে। তবে যাত্রীদের পরিচিত তিন অক্ষরের বিমানবন্দর কোড PBI পরিবর্তন করে DJT করতে আরও কিছু সময় লাগবে।

ফ্লোরিডার গভর্নর রন ডিস্যান্টিস গত মার্চ মাসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্মানে বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তনের আইনে স্বাক্ষর করেন। পরে ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এফএএ) নির্দেশনা অনুযায়ী ৯ জুলাই থেকে নতুন নাম কার্যকর করা হয়।

নাম পরিবর্তন কার্যকর হলেও আগামী ১৮ আগস্টের আগে বিমানবন্দরের কোড PBI পরিবর্তন করে DJT করা হচ্ছে না। এই সময়ের মধ্যে পাইলট, এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলার এবং বিমান চলাচল সংশ্লিষ্টরা ধাপে ধাপে নতুন কোড ব্যবহারের প্রস্তুতি নিলেও সাধারণ যাত্রীরা টিকিট বুকিং ও ফ্লাইট সংক্রান্ত তথ্যের জন্য আগের PBI কোডই ব্যবহার করবেন।

অ্যাটমোস্ফিয়ার রিসার্চ গ্রুপের এয়ারলাইন শিল্প বিশ্লেষক হেনরি হার্টেভেল্ড জানান, যাত্রীদের কোনো ধরনের অসুবিধা এড়াতে এবং লাগেজ সঠিক গন্তব্যে পৌঁছানো নিশ্চিত করতে এয়ারলাইনগুলো তাদের বুকিং ও পরিচালন ব্যবস্থায় বিশেষ ‘হার্ড কোডিং’ যুক্ত করেছে। ফলে যাত্রীরা ওয়েবসাইটে PBI লিখে অনুসন্ধান করলেও স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন নামের বিমানবন্দরের তথ্য দেখতে পারবেন।

এ ছাড়া ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টদের নতুন নাম ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়নি। তারা চাইলে যাত্রীদের ‘ওয়েস্ট পাম বিচে স্বাগতম’ বলেও অভ্যর্থনা জানাতে পারবেন।

সাধারণত আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন সংস্থা (আইএটিএ) খুব সহজে কোনো বিমানবন্দরের কোড পরিবর্তনের অনুমতি দেয় না। নিরাপত্তাসংক্রান্ত বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া এসব কোড স্থায়ী হিসেবেই বিবেচিত হয়। তবে পাম বিচ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পরিচালনাকারী শীর্ষ মার্কিন এয়ারলাইনস, যেমন ডেল্টা, ইউনাইটেড, আমেরিকান এয়ারলাইন্স, জেটব্লু এবং সাউথওয়েস্টের বিশেষ অনুরোধের পর কোড পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ তাদের ওয়েবসাইটে যাত্রীদের আগামী আগস্ট পর্যন্ত PBI কোড ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে। প্রতি বছর প্রায় ৮০ লাখ যাত্রী এই বিমানবন্দর ব্যবহার করেন। ডোনাল্ড ট্রাম্পও ফ্লোরিডার মার-এ-লাগো রিসোর্টে যাতায়াতের জন্য নিয়মিত এই বিমানবন্দর ব্যবহার করে থাকেন।

গত মে মাসে পাম বিচ কাউন্টির কমিশনাররা নামকরণসংক্রান্ত লাইসেন্সিং চুক্তির অনুমোদন দেন। ট্রাম্প অর্গানাইজেশন বিমানবন্দরের নামে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম ব্যবহারের জন্য ট্রেডমার্ক আবেদন করার পর এই চুক্তি সম্পন্ন হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ তাদের প্রচারণায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম, ছবি বা অবয়ব ব্যবহার করতে পারবে। তবে এই বিমানবন্দর থেকে বিক্রি হওয়া কোনো পণ্য বা সেবা থেকে ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে কোনো রয়্যালটি বা আর্থিক সুবিধা পাবেন না। উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রে কোনো প্রেসিডেন্টের নামে নামকরণ করা বিমানবন্দরগুলোর মধ্যে এটি ১২তম।